হরমুজ প্রণালী নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তীব্র হুমকির পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে। মার্কিন ক্রুড ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১১৩ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ান ইউরালস ক্রুডও ১৫ ডলার বেড়ে ১২১ ডলারে পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭১ ডলার। মার্চে দুবাই ক্রুড রেকর্ড ১৬৬ ডলারে পৌঁছেছিল।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব
বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার ৯৫ শতাংশ আমদানি করে। তেলের দাম বাড়লে সরকারের ভর্তুকি বোঝা বাড়ে, মুদ্রাস্ফীতি তীব্র হয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ পড়ে। শুধু মার্চেই সরকার জ্বালানি ভর্তুকিতে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছে। ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১০০ টাকায় ধরে রাখা হয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়তে থাকলে এই ভর্তুকি চালিয়ে যাওয়া ক্রমশ কঠিন হবে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন, তেলের দাম দীর্ঘমেয়াদে ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় গুরুতর প্রভাব পড়বে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















