০৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সংকটের ঝড়: যুদ্ধের প্রভাবে বদলে যাচ্ছে বিশ্বের শক্তির ভবিষ্যৎ আসিসিতে সেন্ট ফ্রান্সিস: সন্তের পবিত্রতা ঘোষণা ও আধুনিক ধর্মীয় প্রবণতা জেনারেশন জেডের নতুন শখ ,বুমারের সময়ের শখে মগ্ন নতুন প্রজন্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বনাম মানব সৃজনশীলতা: “শাই গার্ল” কাণ্ডের শিক্ষা জ্বালানি-চাপের মধ্যে পাকিস্তানে বাড়ছে বৈদ্যুতিক মোটরবাইক, বদলাচ্ছে শহুরে যাতায়াতের হিসাব ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও গুগল একসঙ্গে, লক্ষ্য চীনা প্রতিদ্বন্দ্বীদের মডেল-নকল ঠেকানো কার্বনমুক্ত ইস্পাতের পথে নতুন দিগন্ত, তিন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনে বদলে যেতে পারে বিশ্বশিল্প স্বর্ণের নতুন অধ্যায়: ক্রিপ্টো নয়, তবে নিরাপদ আশ্রয়ও নয় শরীরের পরিপূর্ণ ক্ষমতা মাপার সহজ উপায়: নিজের ঘরে বা জিমে প্রয়োগ করুন তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেতার চীন সফর নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিল

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমাবে, মূল্যস্ফীতি বাড়াবে: আইএমএফ প্রধান

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব
ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা
পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া এক
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ না হলে আইএমএফ ২০২৬ সালে বৈশ্বিক
প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩.৩ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩.২ শতাংশে সামান্য উন্নীত
করত। এখন সেই প্রবৃদ্ধি কমানো এবং মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়ানো ছাড়া
কোনো পথ নেই বলে জানান তিনি। হরমুজ প্রণালি অবরোধের কারণে বৈশ্বিক তেল
সরবরাহ ১৩ শতাংশ কমে যাওয়ায় এটি ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি
সংকটে পরিণত হয়েছে।

আবারও আইএমএফ প্রধান হলেন ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা

আইএমএফের নতুন পূর্বাভাস এবং সংকটের মাত্রা

আগামী ১৪ এপ্রিল প্রকাশ হতে যাওয়া আইএমএফের বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি
প্রতিবেদনে একাধিক পরিস্থিতিভিত্তিক পূর্বাভাস থাকবে বলে জানা গেছে।
যুদ্ধ দ্রুত সমাপ্ত হলেও প্রবৃদ্ধিতে “তুলনামূলকভাবে ছোট” নিম্নমুখী
সংশোধন আসবে এবং মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলে জানান
জর্জিয়েভা। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রভাব আরও তীব্র হবে। আইএমএফের ৮৫
শতাংশ সদস্য দেশ জ্বালানি আমদানিকারক, তাই এই সংকটের আঘাত সবচেয়ে বেশি
পড়েছে এই দেশগুলোতে। কাতারের মতো জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশও ইরানি
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে — দেশটির ১৭ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন
পুনরুদ্ধারে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে।

IMF chief says US tariffs a 'significant risk' to global economy | Business  | Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সতর্কতা

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭২টি
জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার এক-তৃতীয়াংশ মারাত্মকভাবে
বিধ্বস্ত। আইএমএফ প্রধান জানান, ইতিমধ্যে বেশ কিছু দেশ আর্থিক সহায়তার
আবেদন করেছে এবং বিদ্যমান ঋণ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পথে আইএমএফ প্রস্তুত।
তিনি সরকারগুলোকে ব্যাপক জ্বালানি ভর্তুকি এড়াতে পরামর্শ দেন কারণ তা
মূল্যস্ফীতি আরও উস্কে দিতে পারে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করেছে,
যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে লক্ষ লক্ষ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে। আইএমএফ
ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠকে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবই হবে মূল
আলোচ্য বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকটের ঝড়: যুদ্ধের প্রভাবে বদলে যাচ্ছে বিশ্বের শক্তির ভবিষ্যৎ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমাবে, মূল্যস্ফীতি বাড়াবে: আইএমএফ প্রধান

০৩:০২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব
ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা
পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া এক
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ না হলে আইএমএফ ২০২৬ সালে বৈশ্বিক
প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩.৩ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩.২ শতাংশে সামান্য উন্নীত
করত। এখন সেই প্রবৃদ্ধি কমানো এবং মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়ানো ছাড়া
কোনো পথ নেই বলে জানান তিনি। হরমুজ প্রণালি অবরোধের কারণে বৈশ্বিক তেল
সরবরাহ ১৩ শতাংশ কমে যাওয়ায় এটি ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি
সংকটে পরিণত হয়েছে।

আবারও আইএমএফ প্রধান হলেন ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা

আইএমএফের নতুন পূর্বাভাস এবং সংকটের মাত্রা

আগামী ১৪ এপ্রিল প্রকাশ হতে যাওয়া আইএমএফের বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি
প্রতিবেদনে একাধিক পরিস্থিতিভিত্তিক পূর্বাভাস থাকবে বলে জানা গেছে।
যুদ্ধ দ্রুত সমাপ্ত হলেও প্রবৃদ্ধিতে “তুলনামূলকভাবে ছোট” নিম্নমুখী
সংশোধন আসবে এবং মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলে জানান
জর্জিয়েভা। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রভাব আরও তীব্র হবে। আইএমএফের ৮৫
শতাংশ সদস্য দেশ জ্বালানি আমদানিকারক, তাই এই সংকটের আঘাত সবচেয়ে বেশি
পড়েছে এই দেশগুলোতে। কাতারের মতো জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশও ইরানি
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে — দেশটির ১৭ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন
পুনরুদ্ধারে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে।

IMF chief says US tariffs a 'significant risk' to global economy | Business  | Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সতর্কতা

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭২টি
জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার এক-তৃতীয়াংশ মারাত্মকভাবে
বিধ্বস্ত। আইএমএফ প্রধান জানান, ইতিমধ্যে বেশ কিছু দেশ আর্থিক সহায়তার
আবেদন করেছে এবং বিদ্যমান ঋণ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পথে আইএমএফ প্রস্তুত।
তিনি সরকারগুলোকে ব্যাপক জ্বালানি ভর্তুকি এড়াতে পরামর্শ দেন কারণ তা
মূল্যস্ফীতি আরও উস্কে দিতে পারে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করেছে,
যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে লক্ষ লক্ষ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে। আইএমএফ
ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠকে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবই হবে মূল
আলোচ্য বিষয়।