বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৬ এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত ২
হাজার ৯৮১ কোটি মার্কিন ডলার বা ২৯.৮১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে
জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী
পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের সামনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এটি
আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড
হিসেবে বিবেচিত। গ্রস হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট রিজার্ভ ৩ হাজার ৪৪৩
কোটি বা ৩৪.৪৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ঈদ পরবর্তী সময়ে রিজার্ভ নামার প্রবণতা
কিছুটা ওঠানামার মধ্যে রিজার্ভ মূলত স্থিতিশীল রয়েছে। ২৯ মার্চ রিজার্ভ
২৯.২৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে গিয়েছিল, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেশি রেমিট্যান্স
আসায় পরে তা কিছুটা বেড়েছে। এর দুই সপ্তাহ আগে রিজার্ভ ছিল ২৯.৫৯
বিলিয়ন ডলার। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকায়
এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাংকগুলো থেকে
ডলার কিনতে থাকায় রিজার্ভের গতিপ্রকৃতি নজরদারিতে রয়েছে।

জ্বালানি সংকটে ডলার চাপ এবং সামনের চ্যালেঞ্জ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত কারণে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায়
বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ধীরে ধীরে টাকার
অবমূল্যায়নের পথে এগোচ্ছে বলে জানা গেছে, যা জ্বালানি শকের প্রভাব
সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৌশলের অংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি
আমদানি চাপ অব্যাহত থাকলে সামনের মাসগুলোতে রিজার্ভে আরও চাপ পড়তে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















