দেশে আবারও জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের সমন্বয় করা হয়েছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বিদ্যুৎ খাতে। ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানোর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে খুব শিগগিরই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
দামে বড় বৃদ্ধি, নতুন বাস্তবতা
নতুন নির্ধারিত দামে ফার্নেস অয়েল এখন প্রতি লিটার ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সায় বিক্রি হবে, যা আগে ছিল ৭০ টাকা ১০ পয়সা। এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি খাতে নতুন চাপ তৈরি করেছে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে।
কেন বাড়লো ফার্নেস অয়েলের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল ও ফার্নেস অয়েলের দাম বেড়েছে, যা দেশের বাজারেও সমন্বয় করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতে চাপ বাড়ছে
দেশের অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখনো ফার্নেস অয়েলের ওপর নির্ভরশীল। ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও বাড়ে। এই বাড়তি খরচ দীর্ঘদিন ধরে বহন করা কঠিন হয়ে পড়লে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
শিল্প খাতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা
শুধু বিদ্যুৎ নয়, বিভিন্ন শিল্প কারখানাও ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সামনের দিন নিয়ে শঙ্কা
জ্বালানি খাতে এই মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি চাপ তৈরি করেছে। এখন নজর থাকবে, বিদ্যুতের দাম কতটা বাড়ে এবং সরকার কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















