১১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি নতুন এশিয়ার ভ্রমণ মানচিত্র: বালির গল্পে দেখা যাচ্ছে আঞ্চলিক অর্থনীতির নতুন শক্তি বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই মেলনের বৈশ্বিক কে-পপ তালিকায় আলোচনায় রাইজ ও বয় নেক্সট ডোর হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে ট্রাম্পের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরানোর পথ খুলল রাশিয়ার যুব ফুটবল দলের ফেরার ইঙ্গিত, নতুন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পথ খুলছে ফিফা ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

ফার্নেস অয়েলে লিটারে ২৪.৫৯ টাকা বৃদ্ধি, শিগগিরই বাড়তে পারে বিদ্যুতের খরচ

দেশে আবারও জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের সমন্বয় করা হয়েছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বিদ্যুৎ খাতে। ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানোর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে খুব শিগগিরই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

দামে বড় বৃদ্ধি, নতুন বাস্তবতা
নতুন নির্ধারিত দামে ফার্নেস অয়েল এখন প্রতি লিটার ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সায় বিক্রি হবে, যা আগে ছিল ৭০ টাকা ১০ পয়সা। এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি খাতে নতুন চাপ তৈরি করেছে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে।

কেন বাড়লো ফার্নেস অয়েলের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল ও ফার্নেস অয়েলের দাম বেড়েছে, যা দেশের বাজারেও সমন্বয় করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতে চাপ বাড়ছে
দেশের অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখনো ফার্নেস অয়েলের ওপর নির্ভরশীল। ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও বাড়ে। এই বাড়তি খরচ দীর্ঘদিন ধরে বহন করা কঠিন হয়ে পড়লে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

শিল্প খাতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা
শুধু বিদ্যুৎ নয়, বিভিন্ন শিল্প কারখানাও ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সামনের দিন নিয়ে শঙ্কা
জ্বালানি খাতে এই মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি চাপ তৈরি করেছে। এখন নজর থাকবে, বিদ্যুতের দাম কতটা বাড়ে এবং সরকার কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা

ফার্নেস অয়েলে লিটারে ২৪.৫৯ টাকা বৃদ্ধি, শিগগিরই বাড়তে পারে বিদ্যুতের খরচ

০৮:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

দেশে আবারও জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের সমন্বয় করা হয়েছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বিদ্যুৎ খাতে। ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানোর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে খুব শিগগিরই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

দামে বড় বৃদ্ধি, নতুন বাস্তবতা
নতুন নির্ধারিত দামে ফার্নেস অয়েল এখন প্রতি লিটার ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সায় বিক্রি হবে, যা আগে ছিল ৭০ টাকা ১০ পয়সা। এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি খাতে নতুন চাপ তৈরি করেছে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে।

কেন বাড়লো ফার্নেস অয়েলের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল ও ফার্নেস অয়েলের দাম বেড়েছে, যা দেশের বাজারেও সমন্বয় করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতে চাপ বাড়ছে
দেশের অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখনো ফার্নেস অয়েলের ওপর নির্ভরশীল। ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও বাড়ে। এই বাড়তি খরচ দীর্ঘদিন ধরে বহন করা কঠিন হয়ে পড়লে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

শিল্প খাতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা
শুধু বিদ্যুৎ নয়, বিভিন্ন শিল্প কারখানাও ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সামনের দিন নিয়ে শঙ্কা
জ্বালানি খাতে এই মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি চাপ তৈরি করেছে। এখন নজর থাকবে, বিদ্যুতের দাম কতটা বাড়ে এবং সরকার কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয়।