২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের প্রাণ গেছে, সেই ঘটনার দুই বছর পর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ বিল না দিয়ে গ্রাহকরা বেরিয়ে যেতে পারে এই ভয়ে বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।
অবরুদ্ধ সিঁড়ি ও জরুরি নির্গমন পথ
তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, ভবনের সিঁড়িপথ অবরুদ্ধ ছিল এবং জরুরি নির্গমন পথগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এই কারণেই ভেতরে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এত বেশি হয়েছিল এবং প্রাণহানিও ব্যাপক হয়েছিল।
নিরাপত্তাহীনতার বৃত্তে বাংলাদেশ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইলি রোড থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বারবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে: লাইসেন্সবিহীন কারখানা, আগুন নেভানোর ব্যবস্থাহীন ভবন, উদ্ধারের পথ বন্ধ। ২০২৬ সালের এপ্রিলেও কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে, সেই প্রশ্ন আজও উত্তরহীন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















