০৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের প্রাণ গেছে, সেই ঘটনার দুই বছর পর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ বিল না দিয়ে গ্রাহকরা বেরিয়ে যেতে পারে এই ভয়ে বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

অবরুদ্ধ সিঁড়ি ও জরুরি নির্গমন পথ

তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, ভবনের সিঁড়িপথ অবরুদ্ধ ছিল এবং জরুরি নির্গমন পথগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এই কারণেই ভেতরে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এত বেশি হয়েছিল এবং প্রাণহানিও ব্যাপক হয়েছিল।

নিরাপত্তাহীনতার বৃত্তে বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইলি রোড থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বারবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে: লাইসেন্সবিহীন কারখানা, আগুন নেভানোর ব্যবস্থাহীন ভবন, উদ্ধারের পথ বন্ধ। ২০২৬ সালের এপ্রিলেও কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে, সেই প্রশ্ন আজও উত্তরহীন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক

০৮:৩৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের প্রাণ গেছে, সেই ঘটনার দুই বছর পর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ বিল না দিয়ে গ্রাহকরা বেরিয়ে যেতে পারে এই ভয়ে বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

অবরুদ্ধ সিঁড়ি ও জরুরি নির্গমন পথ

তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, ভবনের সিঁড়িপথ অবরুদ্ধ ছিল এবং জরুরি নির্গমন পথগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এই কারণেই ভেতরে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এত বেশি হয়েছিল এবং প্রাণহানিও ব্যাপক হয়েছিল।

নিরাপত্তাহীনতার বৃত্তে বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইলি রোড থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বারবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে: লাইসেন্সবিহীন কারখানা, আগুন নেভানোর ব্যবস্থাহীন ভবন, উদ্ধারের পথ বন্ধ। ২০২৬ সালের এপ্রিলেও কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে, সেই প্রশ্ন আজও উত্তরহীন।