১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
ক্যাটওয়াক শেখার নতুন ট্রেন্ড: হাঁটার ভঙ্গিতেই বদলে যাচ্ছে আত্মবিশ্বাস বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মাঝেও শেয়ারবাজারে চমক, বিনিয়োগকারীদের আয়ে বড় ধাক্কা নয় বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক ২১ এপ্রিল শুরু এসএসসি পরীক্ষা — রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৭৭ হাজার পরীক্ষার্থী প্রস্তুত অ্যান্টার্কটিকায় বিপদের সংকেত: জলবায়ু পরিবর্তনে সম্রাট পেঙ্গুইনসহ বন্যপ্রাণী ঝুঁকিতে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির যৌথ বিবৃতি: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা ১০ জনের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায়, হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পদ্মা নদী থেকে রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার রংপুরে জ্বালানির লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের মৃত্যু ফার্নেস অয়েলে লিটারে ২৪.৫৯ টাকা বৃদ্ধি, শিগগিরই বাড়তে পারে বিদ্যুতের খরচ

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের প্রাণ গেছে, সেই ঘটনার দুই বছর পর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ বিল না দিয়ে গ্রাহকরা বেরিয়ে যেতে পারে এই ভয়ে বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

অবরুদ্ধ সিঁড়ি ও জরুরি নির্গমন পথ

তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, ভবনের সিঁড়িপথ অবরুদ্ধ ছিল এবং জরুরি নির্গমন পথগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এই কারণেই ভেতরে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এত বেশি হয়েছিল এবং প্রাণহানিও ব্যাপক হয়েছিল।

নিরাপত্তাহীনতার বৃত্তে বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইলি রোড থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বারবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে: লাইসেন্সবিহীন কারখানা, আগুন নেভানোর ব্যবস্থাহীন ভবন, উদ্ধারের পথ বন্ধ। ২০২৬ সালের এপ্রিলেও কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে, সেই প্রশ্ন আজও উত্তরহীন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাটওয়াক শেখার নতুন ট্রেন্ড: হাঁটার ভঙ্গিতেই বদলে যাচ্ছে আত্মবিশ্বাস

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক

০৮:৩৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের প্রাণ গেছে, সেই ঘটনার দুই বছর পর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ বিল না দিয়ে গ্রাহকরা বেরিয়ে যেতে পারে এই ভয়ে বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

অবরুদ্ধ সিঁড়ি ও জরুরি নির্গমন পথ

তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, ভবনের সিঁড়িপথ অবরুদ্ধ ছিল এবং জরুরি নির্গমন পথগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এই কারণেই ভেতরে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এত বেশি হয়েছিল এবং প্রাণহানিও ব্যাপক হয়েছিল।

নিরাপত্তাহীনতার বৃত্তে বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইলি রোড থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বারবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে: লাইসেন্সবিহীন কারখানা, আগুন নেভানোর ব্যবস্থাহীন ভবন, উদ্ধারের পথ বন্ধ। ২০২৬ সালের এপ্রিলেও কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে, সেই প্রশ্ন আজও উত্তরহীন।