০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে নতুন ‘ফি’ পরিকল্পনা: আন্তর্জাতিক শিপিংয়ে বাড়তে পারে ব্যয় ও জটিলতা দুইবার পিছিয়ে পড়েও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করল ইরান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই, তবে স্থায়ী সমঝোতা এখনো অনিশ্চিত ঝুঁকি নিতে চায়না তেল কোম্পানি ও জাহাজ মালিকরা -ইরান-মার্কিন চুক্তি বিস্তারিত জানার অপেক্ষায় যুদ্ধবিরতির পথে ওয়াশিংটন-তেহরান, কৌশলগত সংকটে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সমঝোতা কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিষেক, স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে বিশ্বকাপে চমক বিএসএফ সম্মেলন ঘিরে ‘বিভ্রান্তিকর’ প্রচারণা নাকচ করল বিজিবি যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ: খেলাধুলা কি সত্যিই রাজনীতির বাইরে? জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের প্রাণ গেছে, সেই ঘটনার দুই বছর পর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ বিল না দিয়ে গ্রাহকরা বেরিয়ে যেতে পারে এই ভয়ে বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

অবরুদ্ধ সিঁড়ি ও জরুরি নির্গমন পথ

তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, ভবনের সিঁড়িপথ অবরুদ্ধ ছিল এবং জরুরি নির্গমন পথগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এই কারণেই ভেতরে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এত বেশি হয়েছিল এবং প্রাণহানিও ব্যাপক হয়েছিল।

নিরাপত্তাহীনতার বৃত্তে বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইলি রোড থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বারবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে: লাইসেন্সবিহীন কারখানা, আগুন নেভানোর ব্যবস্থাহীন ভবন, উদ্ধারের পথ বন্ধ। ২০২৬ সালের এপ্রিলেও কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে, সেই প্রশ্ন আজও উত্তরহীন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে নতুন ‘ফি’ পরিকল্পনা: আন্তর্জাতিক শিপিংয়ে বাড়তে পারে ব্যয় ও জটিলতা

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক

০৮:৩৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের প্রাণ গেছে, সেই ঘটনার দুই বছর পর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ বিল না দিয়ে গ্রাহকরা বেরিয়ে যেতে পারে এই ভয়ে বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

অবরুদ্ধ সিঁড়ি ও জরুরি নির্গমন পথ

তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, ভবনের সিঁড়িপথ অবরুদ্ধ ছিল এবং জরুরি নির্গমন পথগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এই কারণেই ভেতরে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এত বেশি হয়েছিল এবং প্রাণহানিও ব্যাপক হয়েছিল।

নিরাপত্তাহীনতার বৃত্তে বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইলি রোড থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বারবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে: লাইসেন্সবিহীন কারখানা, আগুন নেভানোর ব্যবস্থাহীন ভবন, উদ্ধারের পথ বন্ধ। ২০২৬ সালের এপ্রিলেও কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে, সেই প্রশ্ন আজও উত্তরহীন।