মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, সোমবার থেকে তারা ইরানি বন্দরগুলো অবরোধ করা শুরু করবে। তবে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে অন্য দেশে যাতায়াতকারী জাহাজ চলাচলে তারা ‘বাধা সৃষ্টি করবে না’ বলে জানিয়েছে।
তবে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরান হুমকির মুখে ‘নতি স্বীকার করবে না’।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে যে, ইরানি বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও বের হওয়ার ট্রাফিক অবরোধ সোমবার স্থানীয় সময় ১০টা, জিএমটি সময় দুপুর দুইটা, যা বাংলাদেশ সময় রাত আটটা, থেকে শুরু হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ইরানের ‘ইচ্ছাকৃত ব্যর্থতার’ জবাবে তিনি এই নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী তাদের ওপর হামলাকারী যেকোনো ইরানিকে ‘উড়িয়ে দেবে’ এবং ইরানকে ট্রানজিট টোল প্রদানকারী যেকোনো জাহাজকে আটক করবে।
এই উত্তেজনার ফলে তেলের দাম বেড়ে ১০০ ডলারের উপরে উঠেছে। পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মি. ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ইসলামাবাদে ইরানের সাথে সরাসরি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে কারণ ‘ইরান তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে অনিচ্ছুক’।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া যেকোনো সামরিক জাহাজকে বর্তমান যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।
বিবিসি নিউজ বাংলা
Sarakhon Report 



















