বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৭৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারদার মো. সখাওয়াত হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায়ও ১০টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে ১,২৬৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
মার্চের মাঝামাঝি থেকে ২,৬৩৯ কেস নিশ্চিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ২,৬৩৯টি হামের কেস নিশ্চিত হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত জানান, ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লক্ষ্যে একটি জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান অভিযান শুরু হবে।

ঢাকায় ৫৫৮ কেন্দ্রে টিকাদান চলছে
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১২ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত ৫৫৮টি কেন্দ্রে জরুরি টিকাদান অভিযান চলছে। এতে ৫৪টি স্থায়ী ও ৫০২টি অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে।
কেন এই প্রাদুর্ভাব?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের সময় নির্ধারিত হামের টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল, ফলে বিশাল সংখ্যক শিশু টিকার আওতার বাইরে থেকে যায়। হাম নিয়ন্ত্রণে কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ জনগোষ্ঠীর টিকা পাওয়া জরুরি। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সর্বোচ্চ ১৮ জন আক্রান্ত হতে পারে। ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সরকারের পাশে থেকে কাজ করছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















