০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

কুমিল্লার চান্দিনায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, স্বামীকে বেঁধে রেখে মুক্তিপণ দাবি

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার একটি গ্রামে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে এবং জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার রাতের এই ঘটনাটি ঘটে উপজেলার মাদারপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১১টার দিকে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী গ্রামের একটি পথ দিয়ে যাওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে।

এরপর দুর্বৃত্তরা স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে সারা রাত ধরে পালাক্রমে তাকে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্বামীকে বেঁধে রেখে মুক্তিপণ দাবি

কুমিল্লায় স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

ঘটনার একপর্যায়ে গৃহবধূর স্বামীকে আটকে রেখে অপরাধীরা তার স্ত্রীকে ছাড়িয়ে নিতে এক লাখ টাকা দাবি করে। অসহায় অবস্থায় স্বামী বারবার স্ত্রীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানালেও তারা তাতে কর্ণপাত করেনি।

তবে সুযোগ বুঝে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। এই ফোনকলের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

ভোরে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার ভুক্তভোগী

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ভোর প্রায় ৫টার দিকে পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল ঘিরে তল্লাশি চালিয়ে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়।

বর্তমানে ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

এ ধরনের ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারী নিরাপত্তা ও গ্রামীণ এলাকায় রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

কুমিল্লার চান্দিনায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, স্বামীকে বেঁধে রেখে মুক্তিপণ দাবি

১২:০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার একটি গ্রামে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে এবং জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার রাতের এই ঘটনাটি ঘটে উপজেলার মাদারপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১১টার দিকে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী গ্রামের একটি পথ দিয়ে যাওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে।

এরপর দুর্বৃত্তরা স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে সারা রাত ধরে পালাক্রমে তাকে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্বামীকে বেঁধে রেখে মুক্তিপণ দাবি

কুমিল্লায় স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

ঘটনার একপর্যায়ে গৃহবধূর স্বামীকে আটকে রেখে অপরাধীরা তার স্ত্রীকে ছাড়িয়ে নিতে এক লাখ টাকা দাবি করে। অসহায় অবস্থায় স্বামী বারবার স্ত্রীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানালেও তারা তাতে কর্ণপাত করেনি।

তবে সুযোগ বুঝে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। এই ফোনকলের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

ভোরে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার ভুক্তভোগী

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ভোর প্রায় ৫টার দিকে পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল ঘিরে তল্লাশি চালিয়ে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়।

বর্তমানে ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

এ ধরনের ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারী নিরাপত্তা ও গ্রামীণ এলাকায় রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।