নাটোরের সিংড়া উপজেলায় নিজ ঘর থেকে গলা ও হাত কাটা অবস্থায় এক মৎস্য খামারির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার ভোরে ঘটনাটি সামনে আসার পর পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম রুবেল (৫০)। তিনি উপজেলার ইতালি ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সারাক্ষণ রিপোর্ট
ঘরের ভেতরেই রক্তাক্ত দেহ
পরিবারের সদস্যরা জানান, রুবেল প্রতিদিনের মতোই রাতে বাড়ির একটি আলাদা কক্ষে ঘুমাতে যান। অভ্যাস অনুযায়ী তিনি ঘরের দরজা খোলা রেখেই ঘুমাতেন। কিন্তু সকালে তার স্ত্রী শিউলি বেগম ঘরে ঢুকে স্বামীর রক্তাক্ত দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলা ও হাত কাটা ছিল, যা দেখে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক
ঘটনার খবর দ্রুতই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা এসে দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যান। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই বলছেন, ঘরের ভেতরে ঢুকে এভাবে হত্যা করা নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।
পুলিশের তদন্ত শুরু
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সেখানেই প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।
রহস্যে ঘেরা মৃত্যু
কে বা কারা এমন নৃশংসভাবে রুবেলকে হত্যা করল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা, পূর্ব বিরোধ কিংবা অন্য কোনো কারণ—সব দিকই তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারও দ্রুত বিচার দাবি করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















