হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ আবার ঘটেছে। মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার প্রণালী অতিক্রমকালে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌকার সমন্বিত হামলার মুখে পড়ে। কোনো জাহাজ আঘাত না পেলেও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড “আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ” হিসেবে ইরানের বন্দর আব্বাস, কেশম ও বন্দর কারগানে পাল্টা হামলা চালায়। হামলায় ইরানের মিসাইল ও ড্রোন লঞ্চ সাইট, কমান্ড সেন্টার এবং নজরদারি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

ট্রাম্পের “লাভ ট্যাপ”
ঘটনার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন এটি ছিল “জাস্ট অ্যা লাভ ট্যাপ।” তিনি দাবি করেন সিজফায়ার এখনো বহাল এবং ইরান “আমাদের সাথে ফেলনামি করেছে।” একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দেন, চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র “অনেক বেশি কঠোর ও সহিংসভাবে” আঘাত করবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই ঘটনাকে “সিজফায়ার লঙ্ঘন ও আমেরিকান সন্ত্রাস” বলে নিন্দা করেছেন এবং পরবর্তী “সিদ্ধান্তমূলক জবাবের” হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বাংলাদেশের জন্য এই সংঘাত সরাসরি প্রাসঙ্গিক। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ যায় এবং বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। প্রণালী অবরুদ্ধ থাকলে জ্বালানি সংকট আরো গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















