৭০ দিনের যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো একটি সম্পূর্ণ চুক্তির রূপরেখা দৃশ্যমান হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি এক-পৃষ্ঠার ১৪-দফা সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এবং কখনো সরাসরি ইরানি কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করছেন।

চুক্তিতে কী থাকতে পারে
প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ইরান পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর প্রতিশ্রুতি দেবে এবং বর্তমানে তাদের কাছে থাকা ৪৪০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর করবে। ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ রাখতে হবে এবং জাতিসংঘের তাৎক্ষণিক পরিদর্শনে সম্মতি দিতে হবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র দশকের পর দশক ধরে জমে থাকা কোটি কোটি ডলার ইরানের জমাকৃত সম্পদ ছেড়ে দেবে এবং নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে তুলে নেবে। চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হবে।
ইরানের দ্বিধা
তবে ইরান এখনো পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণকে “অলঙ্ঘনীয় রেখা” বলছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু দাবিকে “অবাস্তব ও সর্বোচ্চবাদী” বলে নাকচ করছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, চুক্তি হলে তেলের দাম তাৎক্ষণিকভাবে কমবে এবং বৈশ্বিক শিপিং স্বাভাবিক হবে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















