গত দেড় বছরে বাংলাদেশে গণপিটুনিতে ৩৩৭ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের শেষ পাঁচ মাসে ৯৬ জন, ২০২৫ সালে ১৯৭ জন এবং ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে আরও ৪৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে উত্তেজনা তৈরি করাই এই ঘটনাগুলোর মূল চালিকাশক্তি।

কুষ্টিয়ায় মাজারে হামলা, আধ্যাত্মিক নেতার মৃত্যু
সর্বশেষ আলোচিত ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ এপ্রিল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায়। একটি মাজারের ৬৫ বছর বয়সী তত্ত্বাবধায়ক আবদুর রহমান শামিমকে ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছে। মাজারটি ভাঙচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির তথ্য বলছে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের সহিংসতা কমেনি, বরং নতুন রূপ নিচ্ছে।

সরকার আইন পরিবর্তনের কথা ভাবছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহের এক অনুষ্ঠানে বলেন, বিদ্যমান আইন এ ধরনের পরিস্থিতি পুরোপুরি মোকাবেলায় যথেষ্ট নাও হতে পারে। সরকার নতুন আইনি কাঠামো বা বিদ্যমান আইন সংশোধনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পাশাপাশি সরকার আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















