বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ ভারত গ্রহণ করেছে এবং তা বিচার-বিভাগীয় প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, অনুরোধটি পেয়েছি এবং পরীক্ষা করা হচ্ছে। তার বাইরে আর কিছু বলার নেই।

ঢাকার নতুন সরকারের দৃঢ় অবস্থান
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি নয়াদিল্লি সফরে গিয়ে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দাবি পুনরায় জানিয়ে এসেছেন। তিনি বলেছেন, সম্পর্ক এগিয়ে নিতে উভয় দেশই আগ্রহী এবং দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে চিঠি আদান-প্রদান ও সরাসরি কথা বলেছেন।
২০২৫ সালে মৃত্যুদণ্ডের রায়, এখনও ভারতে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত নভেম্বরে মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে দমন-পীড়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন তার জন্য এই সাজা। হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান এবং সেখানেই অবস্থান করছেন। ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তি ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত হলেও এতে বেশ কিছু ব্যতিক্রমী ধারা রয়েছে, যার সুযোগ নিয়ে ভারত এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রেখেছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















