০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
বিচারকদের অবসরের বয়স বাড়ানো: প্রশাসনিক সমাধান, নাকি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরীক্ষা? ২০২৭ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার, কমছে বাজেট ঘাটতিও চীনে ভক্সওয়াগেনের ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় নতুন শঙ্কা, কমছে বিক্রি ডানপন্থী উত্থানে এশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাইল্যান্ডে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের নতুন উদ্যোগ, তবু বড় প্রশ্নে অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা রেকিয়াভিকে ‘যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’: পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপের স্বপ্নে রিগ্যান-গর্বাচেভ গ্যাস সংকটে হবিগঞ্জে ১৭১ কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লক্ষাধিক শ্রমিক কুষ্টিয়ায় বালুবাহী যান পদ্মায়, নিখোঁজ ৮ বছরের শিশু ১৫ আগস্ট ঘিরে ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তা, মাঠে ডিএমপির বিশেষ ইউনিট নেপালের নতুন রাজনৈতিক তারকার আলো কেন ম্লান হয়ে আসছে

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুর আগে ইরানের হুমকি নিয়ে তার দৃঢ় মন্তব্য

ওয়াশিংটন থেকে সারাক্ষণ রিপোর্ট: মৃত্যুর মাত্র পাঁচ দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ইরানে তাকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হুমকির প্রতিক্রিয়ায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন। তাকে লক্ষ্য করে তৈরি করা একটি পোস্টার নিয়ে তিনি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করে বলেছিলেন, শত্রুরাই অনেক সময় একজন মানুষের অবস্থানকে তুলে ধরে।

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির শেষকৃত্য ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কিছু পোস্টার দেখা যায়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কয়েকজন রক্ষণশীল বিশ্লেষক, দাতা এবং লিন্ডসে গ্রাহামকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বার্তা দেওয়া হয়েছিল। এসব ঘটনার পর গ্রাহাম নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, তার বিরোধীদের অবস্থানই তার কাজের প্রভাবের একটি দিক দেখায়।

কঠোর পররাষ্ট্রনীতির জন্য পরিচিত ছিলেন গ্রাহাম

৭১ বছর বয়সী গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে তিনি সামরিক পদক্ষেপের পক্ষেও কথা বলেছেন এবং শান্তি আলোচনার সফলতা নিয়ে বারবার সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

তার এই অবস্থানের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তার সমালোচক ও বিরোধী তৈরি হয়েছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

U.S. Sen. Lindsey Graham has died after a brief, unexpected illness, his  office says | WRKF

মৃত্যুর আগে ইউক্রেন সফরে ছিলেন

মৃত্যুর আগে গ্রাহাম ইউক্রেন সফর করেন। সেখানে তিনি একটি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ড্রোন প্রযুক্তি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে তিনি ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। সফরের সময় তাকে বেশ সক্রিয় ও প্রাণবন্ত দেখা গেলেও দেশে ফেরার একদিন পরই তার আকস্মিক মৃত্যু হয়।

আকস্মিক মৃত্যুতে শোক

সারাক্ষণ রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহামের কার্যালয় জানায় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। জরুরি সহায়তা সংক্রান্ত তথ্য থেকে জানা যায়, তার বুকে ব্যথা শুরু হয়েছিল এবং পরে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন।

তার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতারা শোক প্রকাশ করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক হিসেবে উল্লেখ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

লিন্ডসে গ্রাহামের রাজনৈতিক জীবনজুড়ে বিতর্ক, শক্ত অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা তাকে আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছিল। মৃত্যুর আগ পর্যন্তও তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিচারকদের অবসরের বয়স বাড়ানো: প্রশাসনিক সমাধান, নাকি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরীক্ষা?

লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুর আগে ইরানের হুমকি নিয়ে তার দৃঢ় মন্তব্য

০৯:১৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ওয়াশিংটন থেকে সারাক্ষণ রিপোর্ট: মৃত্যুর মাত্র পাঁচ দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ইরানে তাকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হুমকির প্রতিক্রিয়ায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন। তাকে লক্ষ্য করে তৈরি করা একটি পোস্টার নিয়ে তিনি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করে বলেছিলেন, শত্রুরাই অনেক সময় একজন মানুষের অবস্থানকে তুলে ধরে।

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির শেষকৃত্য ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কিছু পোস্টার দেখা যায়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কয়েকজন রক্ষণশীল বিশ্লেষক, দাতা এবং লিন্ডসে গ্রাহামকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বার্তা দেওয়া হয়েছিল। এসব ঘটনার পর গ্রাহাম নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, তার বিরোধীদের অবস্থানই তার কাজের প্রভাবের একটি দিক দেখায়।

কঠোর পররাষ্ট্রনীতির জন্য পরিচিত ছিলেন গ্রাহাম

৭১ বছর বয়সী গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে তিনি সামরিক পদক্ষেপের পক্ষেও কথা বলেছেন এবং শান্তি আলোচনার সফলতা নিয়ে বারবার সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

তার এই অবস্থানের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তার সমালোচক ও বিরোধী তৈরি হয়েছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

U.S. Sen. Lindsey Graham has died after a brief, unexpected illness, his  office says | WRKF

মৃত্যুর আগে ইউক্রেন সফরে ছিলেন

মৃত্যুর আগে গ্রাহাম ইউক্রেন সফর করেন। সেখানে তিনি একটি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ড্রোন প্রযুক্তি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে তিনি ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। সফরের সময় তাকে বেশ সক্রিয় ও প্রাণবন্ত দেখা গেলেও দেশে ফেরার একদিন পরই তার আকস্মিক মৃত্যু হয়।

আকস্মিক মৃত্যুতে শোক

সারাক্ষণ রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহামের কার্যালয় জানায় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। জরুরি সহায়তা সংক্রান্ত তথ্য থেকে জানা যায়, তার বুকে ব্যথা শুরু হয়েছিল এবং পরে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন।

তার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতারা শোক প্রকাশ করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক হিসেবে উল্লেখ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

লিন্ডসে গ্রাহামের রাজনৈতিক জীবনজুড়ে বিতর্ক, শক্ত অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা তাকে আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছিল। মৃত্যুর আগ পর্যন্তও তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি।