এলা ল্যাংলির জনপ্রিয় গান “চুজিন টেক্সাস” যুক্তরাষ্ট্রের সংগীত জগতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গানটি বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় মোট ১৪ সপ্তাহ শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখে দীর্ঘ সময় শীর্ষে থাকা গানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
গানটি প্রথমবার চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শীর্ষে ওঠার পর কয়েক দফায় আবারও এক নম্বর অবস্থানে ফিরে এসেছে। বিভিন্ন জনপ্রিয় শিল্পীর নতুন গান প্রকাশের কারণে মাঝেমধ্যে এর অবস্থান নেমে গেলেও শ্রোতাদের আগ্রহে গানটি আবারও শীর্ষে ফিরেছে।
কিংবদন্তিদের সঙ্গে একই সারিতে এলা
১৪ সপ্তাহ শীর্ষে থাকার মাধ্যমে “চুজিন টেক্সাস” বিলবোর্ড হট ১০০ ইতিহাসের দীর্ঘ সময় এক নম্বরে থাকা গানের তালিকায় অষ্টম অবস্থানের সমান মর্যাদা পেয়েছে।
এই তালিকায় রয়েছে হুইটনি হিউস্টনের “আই উইল অলওয়েজ লাভ ইউ”, এলটন জনের “ক্যান্ডল ইন দ্য উইন্ড ১৯৯৭”, ব্রুনো মার্সের “আপটাউন ফাঙ্ক”, মারিয়া কেরির “উই বিলং টুগেদার”সহ আরও কয়েকটি জনপ্রিয় গান। এলা ল্যাংলির গান এখন এসব ঐতিহাসিক সাফল্যের সঙ্গে একই কাতারে দাঁড়িয়েছে।

রেকর্ড ভাঙার পথে নতুন সম্ভাবনা
সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, “চুজিন টেক্সাস” আরও কয়েক সপ্তাহ শীর্ষে থাকলে এটি হ্যারি স্টাইলসের ১৫ সপ্তাহ শীর্ষে থাকা গানের সাফল্যকে ছুঁয়ে ফেলতে পারে।
গানটি যদি ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত এক নম্বরে থাকতে পারে, তাহলে এটি আরও বড় এক বিশেষ তালিকায় প্রবেশ করবে। সেখানে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে শ্রোতাদের হৃদয়ে থাকা কয়েকটি বিশ্বখ্যাত গান।
মারিয়া কেরির রেকর্ড এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে
তবে সবচেয়ে বেশি সময় বিলবোর্ড হট ১০০-এর শীর্ষে থাকার রেকর্ড এখনো মারিয়া কেরির “অল আই ওয়ান্ট ফর ক্রিসমাস ইজ ইউ” গানের দখলে। গানটি মোট ২২ সপ্তাহ শীর্ষে থেকে অনন্য ইতিহাস তৈরি করেছে।

এলা ল্যাংলির “চুজিন টেক্সাস” সেই রেকর্ড থেকে এখনো অনেক দূরে থাকলেও এর ধারাবাহিক জনপ্রিয়তা সংগীত বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে।
স্ট্রিমিং ও বিক্রিতেও এগিয়ে এলা
বর্তমানে গানটি শুধু জনপ্রিয়তার তালিকাতেই নয়, শ্রোতা ও বিক্রির দিক থেকেও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। গানটি স্ট্রিমিং ও ডিজিটাল বিক্রির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। বেতার সম্প্রচারের তালিকায় এখনো এক নম্বরে উঠতে না পারলেও শীর্ষ পর্যায়ে অবস্থান করছে।
এলা ল্যাংলির এই সাফল্য তার সংগীত ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















