কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় এক চা বিক্রেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকালে একটি মাঠ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটিকে ঘিরে হত্যার কারণ এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।
মাঠে পড়ে ছিল মরদেহ
নিহত ব্যক্তি সমিরুল শাহ, বয়স ৬০ বছর। তিনি মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের এলাকায় বসবাস করছিলেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি চা বিক্রির কাজ করতেন।
স্থানীয়রা শুক্রবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বাংলারি-ধর্মদহ সড়কের পাশে একটি মাঠে বাঁশের তৈরি কাঠামোর ওপর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে টেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।
শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন
পুলিশ জানায়, নিহতের মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তদন্তে নেমেছে পুলিশ
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।
কুষ্টিয়ায় চা বিক্রেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার সব দিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















