০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
মধ্যবর্তী নির্বাচন ও গণতন্ত্রের সূক্ষ্ম সংকট: প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে কীভাবে ইউক্রেনের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যেই ইউরোপীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক মডেল প্রকৃতি ও পাখির টানে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন বিল অডি খোলা পানিতে সাঁতার কতটা নিরাপদ, বৃষ্টির পর বাড়ে যে ভয় রাশিয়ার বেটিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কের বিতর্কে ইতালির কোচের দৌড় থেকে ছিটকে পিরলো আঠা-লেবেল ছাড়াই কাগজের প্যাকেজিং, বদলে যেতে পারে পুনর্ব্যবহারের ভবিষ্যৎ বালিতে বিদেশিদের দৌড় ক্লাবে স্থানীয়দের বাদ দেওয়ার অভিযোগ, দুই ডাচ নাগরিক নিষিদ্ধ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ছয় দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ে ৬ লাখের বেশি মানুষ জাপানে প্রথম মসজিদ নির্মাণ ঘিরে তীব্র বিতর্ক, পরিচয় সংকটে ফুজিসাওয়া আয়ারল্যান্ডের উপকূলে বিশাল হাঙরের অবিশ্বাস্য কাছাকাছি দেখা মিলছে

মডেল মসজিদে ফের চুরি: দুই দফায় ট্যাপ-ঝরনাসহ সরঞ্জাম উধাও, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই দফা চুরির ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দুর্বৃত্তরা ভবনের বিভিন্ন অংশে প্রবেশ করে ট্যাপ, ঝরনাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অফিস কক্ষ ও বাথরুমে ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

লিখিত অভিযোগ ইউএনওর কাছে

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে মডেল মসজিদের কেয়ারটেকার মো. আলমগীর হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম কামরুল ইসলামের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান। ইউএনও অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুতপ্ত হয়ে চুরি করা সামগ্রী ফিরিয়ে দিয়ে গেলেন চোর

কেয়ারটেকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ চুরির ঘটনাটি ঘটে ২৫ জুলাই রাতে। দুর্বৃত্তরা ডাইনিং কক্ষের সানশেডের টাইলস খুলে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে। পরে বাথরুম থেকে দুটি ট্যাপ ও দুটি বড় ফিটিংস খুলে নিয়ে যায়। একই সময় দক্ষিণ পাশের গেটের তালা ভেঙে ভবনের ভেতরে ঢুকে প্রথম তলা থেকে তৃতীয় তলার ছাদ পর্যন্ত বিভিন্ন অফিস কক্ষে তছনছ চালানো হয়।

পাঁচটি বাথরুমের তালা ভেঙে ফেলা হয় এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনের ব্যবহৃত বাথরুম থেকে আরও ১৪টি ট্যাপ খুলে নিয়ে যায় চোরেরা।

এর আগেও ঘটেছিল একই ধরনের চুরি

এর আগে ১৪ জুলাই দায়িত্ব পালন শেষে পরদিন সকালে এসে কেয়ারটেকার দেখতে পান, জেনারেটর কক্ষের পাশের অজুখানা ও বাথরুমের গ্রিলের ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা ১৯টি ট্যাপ এবং একটি ঝরনা খুলে নিয়ে গেছে।

স্বল্প সময়ের মধ্যে একই প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে দুই দফা চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মসজিদ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ভবনের বিভিন্ন অংশে প্রবেশ করে সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি

ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত এবং মডেল মসজিদের নিরাপত্তা জোরদারে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন কেয়ারটেকার মো. আলমগীর হোসেন।

এদিকে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং কেয়ারটেকারের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার কিছু গাফিলতির বিষয় পরিলক্ষিত হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যবর্তী নির্বাচন ও গণতন্ত্রের সূক্ষ্ম সংকট: প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে কীভাবে

মডেল মসজিদে ফের চুরি: দুই দফায় ট্যাপ-ঝরনাসহ সরঞ্জাম উধাও, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

১১:৩৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই দফা চুরির ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দুর্বৃত্তরা ভবনের বিভিন্ন অংশে প্রবেশ করে ট্যাপ, ঝরনাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অফিস কক্ষ ও বাথরুমে ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

লিখিত অভিযোগ ইউএনওর কাছে

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে মডেল মসজিদের কেয়ারটেকার মো. আলমগীর হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম কামরুল ইসলামের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান। ইউএনও অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুতপ্ত হয়ে চুরি করা সামগ্রী ফিরিয়ে দিয়ে গেলেন চোর

কেয়ারটেকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ চুরির ঘটনাটি ঘটে ২৫ জুলাই রাতে। দুর্বৃত্তরা ডাইনিং কক্ষের সানশেডের টাইলস খুলে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে। পরে বাথরুম থেকে দুটি ট্যাপ ও দুটি বড় ফিটিংস খুলে নিয়ে যায়। একই সময় দক্ষিণ পাশের গেটের তালা ভেঙে ভবনের ভেতরে ঢুকে প্রথম তলা থেকে তৃতীয় তলার ছাদ পর্যন্ত বিভিন্ন অফিস কক্ষে তছনছ চালানো হয়।

পাঁচটি বাথরুমের তালা ভেঙে ফেলা হয় এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনের ব্যবহৃত বাথরুম থেকে আরও ১৪টি ট্যাপ খুলে নিয়ে যায় চোরেরা।

এর আগেও ঘটেছিল একই ধরনের চুরি

এর আগে ১৪ জুলাই দায়িত্ব পালন শেষে পরদিন সকালে এসে কেয়ারটেকার দেখতে পান, জেনারেটর কক্ষের পাশের অজুখানা ও বাথরুমের গ্রিলের ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা ১৯টি ট্যাপ এবং একটি ঝরনা খুলে নিয়ে গেছে।

স্বল্প সময়ের মধ্যে একই প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে দুই দফা চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মসজিদ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ভবনের বিভিন্ন অংশে প্রবেশ করে সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি

ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত এবং মডেল মসজিদের নিরাপত্তা জোরদারে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন কেয়ারটেকার মো. আলমগীর হোসেন।

এদিকে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং কেয়ারটেকারের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার কিছু গাফিলতির বিষয় পরিলক্ষিত হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।