মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামে দুটি বসতবাড়ির মূল ফটকের সামনে থেকে কালো টেপে মোড়ানো বোমাসদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কাজিপুর ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর এলাকায় সতর্কতা
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্দেহজনক বস্তু দুটি উদ্ধার করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে উদ্ধার করা বস্তু দুটি পানিভর্তি বালতিতে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এসব বস্তু সেখানে রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের চোখে পড়ে সন্দেহজনক বস্তু
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওদাপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে নিজাম উদ্দিন এবং একরামুল হকের ছেলে ইমদাদুল হকের বাড়ির মূল ফটকের সামনে কালো টেপে মোড়ানো দুটি সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে বিষয়টি ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পে জানানো হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেগুলো উদ্ধার করে।
ইমদাদুল হকের ছেলে হোসেন জানান, সকালে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির সামনে বস্তু দুটি দেখতে পান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে সেগুলো নিয়ে যায়। কারা বা কী উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে বস্তুগুলো সেখানে রেখে গেছে, সে বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই।
পুলিশের সতর্কতা ও তদন্ত
ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুল করিম বলেন, উদ্ধার হওয়া বস্তু দুটি নিরাপত্তার স্বার্থে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। তিনি এলাকাবাসীকে গুজব বা অযথা আতঙ্কে না ভুগে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

ইউপি সদস্যের বক্তব্য
কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মহন আলী জানান, নওদাপাড়া গ্রামের বিলপাড়া এলাকায় দুটি বাড়ির ফটকের সামনে কালো কস্টটেপে মোড়ানো বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পান তিনি। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তু দুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর প্রকৃতি নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















