০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্যাক্সনি-আনহাল্টে আফডির বড় জয়, চীনের সঙ্গে জার্মানির নীতিতে কি বদল আসবে? বিশ্বে ক্ষুধা কমাতে গ্রামীণ জনপদে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান সাত বছর পর ভারতে যাচ্ছেন শি, মোদির সঙ্গে বৈঠকে নজর মক্কা চুক্তির অধীনে সামরিক পদক্ষেপ নেই পাকিস্তানের সাফ জবাব পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের একশ দিনে সাফল্য ও বিতর্ক পাশাপাশি যুদ্ধের ছায়ায় রাশিয়া, ভোটের আগে বাড়ছে মানুষের উদ্বেগ ন্যাটোর নজরদারিতে রাশিয়ার গোপন সাবমেরিন মহড়া, লক্ষ্য সমুদ্রতলের গুরুত্বপূর্ণ তার জাপানের এআই স্যাটেলাইটকে ‘গুরুতর হুমকি’ বলল চীন সামরিক যোগাযোগে মাস্কের স্পেসএক্সের ওপর ব্রিটেনের নির্ভরতা বাড়ছে তাইজে তীব্র লড়াই, হুথিদের তিন ড্রোন ভূপাতিত

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন-ফিলিপাইন উত্তেজনা, ম্যানিলাকে ‘মিথ্যাচার বন্ধের’ আহ্বান বেইজিংয়ের

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো জুনিয়র প্রকাশ্যে চীনা এক কূটনীতিকের দেওয়া একটি নোট পড়ে শোনানোর পর ম্যানিলার বিরুদ্ধে ‘নাটক করা’ ও ‘মিথ্যাচারের’ অভিযোগ তুলেছে বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং ফিলিপাইনের কিছু কর্মকর্তাকে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি চীন-ফিলিপাইন সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

কী নিয়ে বিরোধ

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা সংলাপের এক অধিবেশনে মঙ্গলবার বক্তব্য দেওয়ার সময় তেওদোরোর কাছে চীনা পক্ষের একটি নোট পৌঁছায়। ওই নোটে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের বিষয়ে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।China accuses Philippine officials of lying over South China Sea note |  UA.NEWS

ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোটটির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে তুলে ধরে চীনের অবস্থানকে ‘চাপ সৃষ্টি, ভয় দেখানো ও আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

বেইজিংয়ের পাল্টা বক্তব্য

এর প্রতিক্রিয়ায় মাও নিং বলেন, ফিলিপাইনের কিছু ব্যক্তি যেন এ ধরনের ‘নাটক করা ও মিথ্যাচার’ বন্ধ করেন। তাঁর ভাষ্য, দুই দেশের সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।

দক্ষিণ চীন সাগর দীর্ঘদিন ধরেই চীন ও ফিলিপাইনসহ কয়েকটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সামুদ্রিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। সামুদ্রিক অধিকার ও বিভিন্ন জলসীমার মালিকানা নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন মাঝে মধ্যেই তীব্র আকার ধারণ করে।

নতুন এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সালিশি রায় এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামুদ্রিক অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান যে এখনও অনেক দূরে, তা আবারও স্পষ্ট হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্যাক্সনি-আনহাল্টে আফডির বড় জয়, চীনের সঙ্গে জার্মানির নীতিতে কি বদল আসবে?

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন-ফিলিপাইন উত্তেজনা, ম্যানিলাকে ‘মিথ্যাচার বন্ধের’ আহ্বান বেইজিংয়ের

০৫:৩০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো জুনিয়র প্রকাশ্যে চীনা এক কূটনীতিকের দেওয়া একটি নোট পড়ে শোনানোর পর ম্যানিলার বিরুদ্ধে ‘নাটক করা’ ও ‘মিথ্যাচারের’ অভিযোগ তুলেছে বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং ফিলিপাইনের কিছু কর্মকর্তাকে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি চীন-ফিলিপাইন সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

কী নিয়ে বিরোধ

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা সংলাপের এক অধিবেশনে মঙ্গলবার বক্তব্য দেওয়ার সময় তেওদোরোর কাছে চীনা পক্ষের একটি নোট পৌঁছায়। ওই নোটে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের বিষয়ে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।China accuses Philippine officials of lying over South China Sea note |  UA.NEWS

ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোটটির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে তুলে ধরে চীনের অবস্থানকে ‘চাপ সৃষ্টি, ভয় দেখানো ও আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

বেইজিংয়ের পাল্টা বক্তব্য

এর প্রতিক্রিয়ায় মাও নিং বলেন, ফিলিপাইনের কিছু ব্যক্তি যেন এ ধরনের ‘নাটক করা ও মিথ্যাচার’ বন্ধ করেন। তাঁর ভাষ্য, দুই দেশের সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।

দক্ষিণ চীন সাগর দীর্ঘদিন ধরেই চীন ও ফিলিপাইনসহ কয়েকটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সামুদ্রিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। সামুদ্রিক অধিকার ও বিভিন্ন জলসীমার মালিকানা নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন মাঝে মধ্যেই তীব্র আকার ধারণ করে।

নতুন এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সালিশি রায় এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামুদ্রিক অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান যে এখনও অনেক দূরে, তা আবারও স্পষ্ট হলো।