০২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে হামলা নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবরে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম যখন অর্থ ফুরিয়ে যায়, ভবিষ্যৎ গড়ে কে? টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ডিবির ওপর হামলা, সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার; আটক ২৮ কুড়িগ্রামে দারিদ্র্য ৭০% ছাড়িয়েছে, নদীভাঙনে বন্দি লাখো মানুষ ইরান অচলাবস্থায় তেলের দামে নতুন রেকর্ড, ব্যারেল ১২৩ ডলার ছুঁলো হরমুজ প্রণালীতে দম্ভের সংঘর্ষ: ভুল হিসাব, দীর্ঘ যুদ্ধ আর বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি কোহিনূর ফেরত দিন—রাজাকে সরাসরি বার্তা নিউইয়র্ক মেয়রের গণতন্ত্রের মানচিত্রে নতুন রেখা: আদালত না রাজনীতি? ইরান যুদ্ধের খরচ ২৫ বিলিয়ন ডলার, কংগ্রেসে তীব্র বিতর্কে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মুখোমুখি প্রশ্ন কানাডার স্কুল হামলা ঘিরে এআই বিতর্ক, ওপেনএআই ও স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে মামলায় তোলপাড়

হিউএনচাঙ (পর্ব-২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 102

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

হামির মরূদ্যানে হিউএনচাঙ একটি সঙ্ঘারামে কিছুদিন যাপন করেন। এই সঙ্ঘারামে তাঁর নিজ গ্রামের এক বৃদ্ধ সন্ন্যাসীকে দেখে ধর্মগুরু আনন্দাশ্রু ত্যাগ করেন।হিউএনচাঙ যখন ভারতবর্ষের অভিমুখে আসেন তখন এ দেশ পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের অধীন ছিল, যদিও প্রত্যেক মরূদ্যানে এক এক জন রাজা ছিলেন।

হামির পশ্চিমদিকের নিকটতম মরূদ্যান ছিল কাওচাঙ (আধুনিক তুরফান)। তুরফান আধুনিক লিংকিআং প্রদেশে বারকুলের দক্ষিণে, মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত। এর উত্তরে আর দক্ষিণে পর্বতমালা। রাজধানী ছিল আধুনিক তুরফানের পঁচিশ মাইল পূবে কারাখোজায়।

হিউএনচাঙের সময়ে তুরফানের রাজা ছিলেন চীনদেশীয়। তাঁর নাম ছিল কু-ওএন-তাই (রাজ্যকাল ৬২০-৬৪০)। থাইচুঙ চীনের সম্রাট হওয়ার অল্প সময়ের ভিতর ইনি সম্রাটের সঙ্গে উপহার আদান প্রদান দ্বারা সখ্যসূত্রে আবদ্ধ হন। এর স্বভাব অনেকটা রাজসিক প্রকৃতির ছিল।

হিউএনচাঙ হামিতে আছেন শুনে ইনি পঞ্চাশ-ষাট জন কর্মচারীকে সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়িয়ে হিউএনচাঙকে নিমন্ত্রণ করতে পাঠালেন। হিউএনচাঙের যদিও অন্যপথে যাবার ইচ্ছা ছিল তবু তাঁকে একরকম জোর করেই তুরফানে আনা হল। ছ’দিনের পথ অতিক্রম করে তিনি তুরফানে পৌঁছলেন। রাজার প্রেরিত অনুচররা তাঁকে সন্ধ্যার সময়ে পথে বিশ্রাম করতে না দিয়ে রাতদুপুরে তুরফানে পৌঁছে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

 

ইরানে হামলা নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবরে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম

হিউএনচাঙ (পর্ব-২১)

০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

হামির মরূদ্যানে হিউএনচাঙ একটি সঙ্ঘারামে কিছুদিন যাপন করেন। এই সঙ্ঘারামে তাঁর নিজ গ্রামের এক বৃদ্ধ সন্ন্যাসীকে দেখে ধর্মগুরু আনন্দাশ্রু ত্যাগ করেন।হিউএনচাঙ যখন ভারতবর্ষের অভিমুখে আসেন তখন এ দেশ পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের অধীন ছিল, যদিও প্রত্যেক মরূদ্যানে এক এক জন রাজা ছিলেন।

হামির পশ্চিমদিকের নিকটতম মরূদ্যান ছিল কাওচাঙ (আধুনিক তুরফান)। তুরফান আধুনিক লিংকিআং প্রদেশে বারকুলের দক্ষিণে, মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত। এর উত্তরে আর দক্ষিণে পর্বতমালা। রাজধানী ছিল আধুনিক তুরফানের পঁচিশ মাইল পূবে কারাখোজায়।

হিউএনচাঙের সময়ে তুরফানের রাজা ছিলেন চীনদেশীয়। তাঁর নাম ছিল কু-ওএন-তাই (রাজ্যকাল ৬২০-৬৪০)। থাইচুঙ চীনের সম্রাট হওয়ার অল্প সময়ের ভিতর ইনি সম্রাটের সঙ্গে উপহার আদান প্রদান দ্বারা সখ্যসূত্রে আবদ্ধ হন। এর স্বভাব অনেকটা রাজসিক প্রকৃতির ছিল।

হিউএনচাঙ হামিতে আছেন শুনে ইনি পঞ্চাশ-ষাট জন কর্মচারীকে সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়িয়ে হিউএনচাঙকে নিমন্ত্রণ করতে পাঠালেন। হিউএনচাঙের যদিও অন্যপথে যাবার ইচ্ছা ছিল তবু তাঁকে একরকম জোর করেই তুরফানে আনা হল। ছ’দিনের পথ অতিক্রম করে তিনি তুরফানে পৌঁছলেন। রাজার প্রেরিত অনুচররা তাঁকে সন্ধ্যার সময়ে পথে বিশ্রাম করতে না দিয়ে রাতদুপুরে তুরফানে পৌঁছে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)