১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে ইউএস ওপেনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় আরিনা সাবালেঙ্কার

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২৩)

অবধেশ নারায়ণ সিং এ সম্পর্কে একটি সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরে দুই পদ্ধতির সামঞ্চস্ত প্রমাণ করেছেন। তাঁর উদাহরণটি এখানে তুলে ধরলাম-

অতএব আর্যভটের পদ্ধতির সঙ্গে কাটানিওর পদ্ধতির মিল রয়েছে। যাই হোক বর্গমূল সম্পর্কে অন্যান্য ভারতীয় গণিতবিদরা কে কি বলেছেন দেখা যাক।
ত্রিশতিকায় শ্রীধরাচার্য বলেছেন-

“বিষমাত, পদতস্ত্যক্ত। বর্গং স্থানচ্যুতেন মূলেন

দ্বিগুণেন ভজেচ্ছেযং লব্ধং বিনিবেশয়েত, পড়ুক্তাম্।

তন্বর্গং সংশোধ্য দ্বিগুণী কুর্বীত পূর্ব লব্ধং যত,

উত,সার্থ ততো বিভজেচ্ছেষং দ্বিগুণীকৃতং দলয়েত,। ১২/১৩।”

গণিতসার সংগ্রহে মহাবীর বলেছেন-

“অন্ত্যোজাদপহৃতকৃতি মূলেন দ্বিগুণিতেন যুগ্মাদ্ধতৌ।

লঙ্কৃতিন্ত্যাজ্যোঁজে দ্বিগুণপদলং বর্গমূলফলম্॥”

ঘনমূল

বর্গমূলের মত ঘনমূলের সম্পর্কে আলোচনা ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে প্রচুর দেখতে পাওয়া যায়। তবে এ সম্পর্কে পদ্ধতিগত ভাবে প্রথম আলোচনা করেন প্রথম আর্যভট। এরপর শ্রীধরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট, ব্রহ্মগুপ্ত, ভাস্করাচার্য প্রমুখেরা ব্যাপক আলোচনা করেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতী গ্রন্থে বলেছেন-

“আ্যং ঘনস্থান যথাঘনে যে পুনস্তখান্ত্যদ্যনতোবিশোধ্যম্। ঘনং পৃথকস্থৎ পদমস্তা কৃত্যা ত্রিগ্ন্যা তদাখ্যং বিভজেৎ ফলন্ত। পঙক্তপংন্যদেৎ তৎকৃতিমন্ত্যনিম্নীং ত্রিগ্নীং ত্যজেৎ তৎ প্রথমাৎ ফলক্ষ্য। তদাখ্যাদ্যনমূলমেবং পঙক্তির্ভবেদেব মতঃ পুনশ্চ।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২৩)

০৩:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

অবধেশ নারায়ণ সিং এ সম্পর্কে একটি সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরে দুই পদ্ধতির সামঞ্চস্ত প্রমাণ করেছেন। তাঁর উদাহরণটি এখানে তুলে ধরলাম-

অতএব আর্যভটের পদ্ধতির সঙ্গে কাটানিওর পদ্ধতির মিল রয়েছে। যাই হোক বর্গমূল সম্পর্কে অন্যান্য ভারতীয় গণিতবিদরা কে কি বলেছেন দেখা যাক।
ত্রিশতিকায় শ্রীধরাচার্য বলেছেন-

“বিষমাত, পদতস্ত্যক্ত। বর্গং স্থানচ্যুতেন মূলেন

দ্বিগুণেন ভজেচ্ছেযং লব্ধং বিনিবেশয়েত, পড়ুক্তাম্।

তন্বর্গং সংশোধ্য দ্বিগুণী কুর্বীত পূর্ব লব্ধং যত,

উত,সার্থ ততো বিভজেচ্ছেষং দ্বিগুণীকৃতং দলয়েত,। ১২/১৩।”

গণিতসার সংগ্রহে মহাবীর বলেছেন-

“অন্ত্যোজাদপহৃতকৃতি মূলেন দ্বিগুণিতেন যুগ্মাদ্ধতৌ।

লঙ্কৃতিন্ত্যাজ্যোঁজে দ্বিগুণপদলং বর্গমূলফলম্॥”

ঘনমূল

বর্গমূলের মত ঘনমূলের সম্পর্কে আলোচনা ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে প্রচুর দেখতে পাওয়া যায়। তবে এ সম্পর্কে পদ্ধতিগত ভাবে প্রথম আলোচনা করেন প্রথম আর্যভট। এরপর শ্রীধরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট, ব্রহ্মগুপ্ত, ভাস্করাচার্য প্রমুখেরা ব্যাপক আলোচনা করেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতী গ্রন্থে বলেছেন-

“আ্যং ঘনস্থান যথাঘনে যে পুনস্তখান্ত্যদ্যনতোবিশোধ্যম্। ঘনং পৃথকস্থৎ পদমস্তা কৃত্যা ত্রিগ্ন্যা তদাখ্যং বিভজেৎ ফলন্ত। পঙক্তপংন্যদেৎ তৎকৃতিমন্ত্যনিম্নীং ত্রিগ্নীং ত্যজেৎ তৎ প্রথমাৎ ফলক্ষ্য। তদাখ্যাদ্যনমূলমেবং পঙক্তির্ভবেদেব মতঃ পুনশ্চ।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)