তামাক ও নিকোটিনের বাজারে পরিবর্তন ঘটছে দ্রুত। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে একের পর এক পণ্য আনছে কোম্পানিগুলো। এসব পণ্যের মোড়ক আকর্ষণীয়, স্বাদে বৈচিত্র্য, আর প্রচারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কৌশলী ব্যবহার। বিশেষ করে তরুণদের কাছে এগুলোকে আধুনিক, তুলনামূলক নিরাপদ কিংবা প্রচলিত ধূমপানের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু পণ্যের বাহ্যিক রূপ বদলালেই তার স্বাস্থ্যঝুঁকি দূর হয় না। বরং নতুন ধরনের পণ্য বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন বিপদ তৈরি হচ্ছে।
সমস্যা হলো, পণ্যের উদ্ভাবনের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইন ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সব সময় এগোতে পারে না। একটি পণ্যের ক্ষতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ যখন পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করে, তখন বাজারে হয়তো তার নতুন সংস্করণ চলে আসে। আবার বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতা কাজে লাগিয়ে কোম্পানিগুলো এমন পণ্য বাজারজাত করার চেষ্টা করে, যেগুলো সরাসরি নিষিদ্ধ শ্রেণিতে পড়ে না। ফলে জনস্বাস্থ্য রক্ষার আইন থাকলেও তার কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে পড়ে।
ভিয়েতনামের সামনে এখন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। দেশটির জাতীয় সংসদ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এই সংশোধন শুধু বর্তমানে বাজারে থাকা তামাক ও নিকোটিন পণ্যের ঝুঁকি মোকাবিলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ভবিষ্যতে কী ধরনের পণ্য আসতে পারে, সেগুলোকেও নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার মতো দূরদর্শী আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে।
ই-সিগারেট ও উত্তপ্ত তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ করে ভিয়েতনাম ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন সেই সিদ্ধান্তকে আইনের স্থায়ী ভিত্তি দেওয়ার পাশাপাশি নতুন পণ্যের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ করা জরুরি। কারণ তামাকশিল্পের অভিজ্ঞতা বলছে, নিয়ন্ত্রণ আরোপের পর তারা পণ্য ও বিপণনের কৌশল বদলে নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা করে। তাই একটি নির্দিষ্ট পণ্য নিষিদ্ধ করাই যথেষ্ট নয়; নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য যেন নতুন পণ্যের ক্ষেত্রেও কার্যকর থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
পণ্যের নাম বদলালেই ঝুঁকি বদলায় না
নিকোটিন পাউচ নতুন ধরনের পণ্যের একটি উদাহরণ। বিভিন্ন দেশে এই পণ্যের বাজার বাড়ছে। এতে নিকোটিন থাকে, যা অত্যন্ত আসক্তিকর। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মস্তিষ্কের বিকাশে নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। অথচ এসব পণ্য অনেক সময় এমনভাবে বাজারজাত করা হয়, যাতে তরুণদের কাছে সেগুলো আকর্ষণীয় মনে হয়।

এই প্রবণতা নতুন নয়। ই-সিগারেট বাজারে আসার সময়ও একই ধরনের বিপণন কৌশল দেখা গেছে। রঙিন নকশা, বিভিন্ন স্বাদ এবং আধুনিক জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পণ্যের ভাবমূর্তি তৈরি করে তরুণদের আগ্রহী করা হয়েছে। পরে এসব পণ্যের আসক্তি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তত দিনে অনেক বাজারে এগুলোর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়েছে।
এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। নতুন কোনো পণ্য বাজারে আসার পর তার ক্ষতি প্রমাণিত হওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকলে জনস্বাস্থ্য রক্ষার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। বরং পণ্যে নিকোটিনের উপস্থিতি, রাসায়নিক গঠন, ব্যবহারের ধরন এবং আসক্তি তৈরির সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে আগেভাগেই নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে বিদ্যমান বিধিনিষেধের সীমা পরীক্ষা করছে। যেমন, নিকোটিনবিহীন ই-সিগারেট নামে নতুন পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো নিকোটিনযুক্ত পণ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় না পড়লেও তাতে নিকোটিনের বিকল্প রাসায়নিক বা নিকোটিন অ্যানালগ থাকতে পারে। এসব উপাদানেরও আসক্তি তৈরি এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু মোড়কে কী লেখা আছে, তা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। নিকোটিন নেই—এমন দাবি করলেই পণ্যটি ঝুঁকিমুক্ত হয়ে যায় না। আইনে এমন সংজ্ঞা ও বিধান থাকা প্রয়োজন, যাতে নিকোটিনের বিকল্প উপাদান ব্যবহার করে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ না থাকে। ভিয়েতনামের জাতীয় সংসদের ১৭৩/২০২৪/এনকিউ-কিউএইচ১৫ নম্বর প্রস্তাবে সব ধরনের ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংশোধিত আইনে সেই অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিকোটিনবিহীন ই-সিগারেটকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা জরুরি।
আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক নীতি হওয়া উচিত—প্রতিবার নতুন পণ্য বাজারে এলেই সংসদকে আইন পরিবর্তন করতে হবে, এমন পরিস্থিতি তৈরি করা যাবে না। বরং আইনে এমন বিস্তৃত ও স্পষ্ট সংজ্ঞা থাকতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে উদ্ভাবিত পণ্যও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার নীতির আওতায় আসে। এতে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর কাজ সহজ হবে এবং আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে নতুন পণ্য বাজারজাত করার সুযোগ কমবে।
বিজ্ঞাপনের দৃশ্যমানতা কমানো জরুরি
তামাক নিয়ন্ত্রণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পণ্যের প্রতি মানুষের আকর্ষণ কমানো। বিশেষ করে শিশু ও তরুণদের কাছে তামাকজাত পণ্যকে স্বাভাবিক বা সহজলভ্য হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ সীমিত করতে হবে।
ভিয়েতনামে তামাকের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা চালু করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। কিন্তু এক দশকের বেশি সময় পার হওয়ার পর একই ছবি ও সতর্কবার্তার প্রভাব আগের মতো কার্যকর না-ও থাকতে পারে। সময়ের সঙ্গে মানুষের পরিচিতি তৈরি হয়, ফলে সতর্কবার্তা দেখেও অনেকে তা উপেক্ষা করতে শেখে। এ কারণে সতর্কবার্তার আকার বড় করা এবং নতুন ছবি ব্যবহার করা প্রয়োজন। এতে তামাকের ক্ষতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে, ধূমপান ছাড়তে উৎসাহ তৈরি হবে এবং নতুন ব্যবহারকারী হওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।
বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত পণ্য সাজিয়ে রাখার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। দোকানে কাউন্টারের পেছনে বা ক্রেতার চোখের সামনে সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শন অনেকের কাছে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক আচরণ মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এটি একধরনের প্রচার। প্রতিদিনের কেনাকাটার পরিবেশে এসব পণ্যের উপস্থিতি ধূমপানকে সাধারণ অভ্যাস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।
বিশেষ করে শিশু-কিশোরেরা যখন দোকানে গিয়ে নিয়মিত এসব পণ্য দেখতে পায়, তখন তাদের কাছে তামাকের উপস্থিতি অস্বাভাবিক মনে হয় না। সাবেক ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান পণ্যের প্রদর্শন পুনরায় ধূমপান শুরু করার প্রলোভন তৈরি করতে পারে। তাই বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শন সীমিত করা বা বন্ধ করা বিপণনের প্রভাব কমানোর কার্যকর উপায় হতে পারে।
পরোক্ষ ধূমপান থেকেও সুরক্ষা চাই

তামাক নিয়ন্ত্রণের আলোচনায় সরাসরি ধূমপায়ীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি গুরুত্ব পেলেও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার মানুষের সুরক্ষাও সমান জরুরি। তামাকের ধোঁয়ার নিরাপদ মাত্রা বলে কিছু নেই। ধূমপান না করেও কর্মক্ষেত্র, রেস্তোরাঁ, গণপরিসর কিংবা পরিবারের ভেতরে অন্যের ধূমপানের কারণে মানুষ ক্ষতিকর ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসতে পারে।
কোনো কর্মীকে তাঁর কর্মস্থলের কারণে কিংবা কোনো শিশুকে পরিবারের পরিবেশের কারণে তামাকের ধোঁয়া সহ্য করতে হবে—এমন পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা তাই ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্য ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্ন।
ধূমপানমুক্ত স্থানের পরিধি বাড়ানো হলে তামাকের ধোঁয়ার সংস্পর্শ কমবে। এতে তামাকজনিত রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়ও কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্র ও জনসমাগমস্থল সবার জন্য স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠবে। এ কারণে সংশোধিত আইনে ধূমপানমুক্ত পরিবেশের সুরক্ষা আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করা প্রয়োজন।
কার্যকর প্রয়োগ ছাড়া আইন কাগজেই থাকবে
তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আইন প্রণয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, কিন্তু সেটিই শেষ কথা নয়। আইনের বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে সবচেয়ে কঠোর বিধানও কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না। এ ক্ষেত্রে তামাকজাত পণ্য বিক্রির জন্য খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
লাইসেন্সের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ জানতে পারবে কারা তামাকজাত পণ্য বিক্রি করছে, কোথায় বিক্রি হচ্ছে এবং বিক্রেতারা আইন মেনে চলছে কি না। কোনো প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিক্রির ওপর নজরদারি করাও সহজ হবে। তাই লাইসেন্স ব্যবস্থা দুর্বল করা নয়, বরং আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করা প্রয়োজন।
এর পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানো, নিয়মিত বাজার তদারকি, জনসচেতনতা তৈরি এবং ধূমপান ছাড়তে আগ্রহীদের সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। শুধু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেই মানুষের আসক্তি দূর হয় না। যারা নিকোটিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন, তাঁদের জন্য চিকিৎসা ও পরামর্শসেবা সহজলভ্য করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে বিধিনিষেধের কার্যকারিতা নিয়ে কোনো সংশয় না থাকে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, তামাক নিয়ন্ত্রণের নীতিগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলেই সবচেয়ে বেশি সুফল পাওয়া যায়। আইন থাকলেও যদি বাজারে নিষিদ্ধ পণ্য সহজে পাওয়া যায়, বিক্রয়কেন্দ্রে প্রচার চলতে থাকে কিংবা ধূমপানমুক্ত এলাকার নিয়ম কার্যকর না হয়, তাহলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য অর্জন কঠিন।

ভবিষ্যতের ঝুঁকি আসার আগেই প্রস্তুতি
ভিয়েতনাম ই-সিগারেট ও উত্তপ্ত তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ করে যে নেতৃত্ব দেখিয়েছে, আইন সংশোধনের মাধ্যমে তা আরও শক্তিশালী করার সুযোগ এখন সামনে। এই সুযোগকে কেবল বিদ্যমান বিধানকে নতুন আইনে যুক্ত করার কাজে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। বরং ভবিষ্যতের বাজার ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করতে হবে।
এ জন্য নতুন নিকোটিন পণ্যের আগাম নিয়ন্ত্রণ, আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ, তামাকের বিপণন ও দৃশ্যমানতা হ্রাস, ধূমপানমুক্ত পরিবেশ সম্প্রসারণ এবং কার্যকর প্রয়োগ—সবকিছুকে একই নীতিগত কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। এর পাশাপাশি তরুণদের লক্ষ্য করে পরিচালিত বিপণন কৌশল শনাক্ত ও মোকাবিলায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
তামাক ও নিকোটিন কোম্পানিগুলোর পণ্য উদ্ভাবনের ক্ষমতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই কোনো ক্ষতিকর পণ্য নিরাপদ হয়ে যায় না। উদ্ভাবনের নামে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিধান পাশ কাটানোর সুযোগও দেওয়া যায় না। বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে আইনকে মানিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের; আর সেই দায়িত্ব পালনে দেরি হলে তার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে পারে তরুণ প্রজন্ম।
জনস্বাস্থ্য নীতির সাফল্য শুধু বর্তমানে কত মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া যাচ্ছে, তা দিয়ে বিচার করা যায় না। ভবিষ্যতে যে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, তা আগেভাগে ঠেকানোর সক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ভিয়েতনামের জাতীয় সংসদের সামনে এখন সেই পরীক্ষাই। নতুন প্রজন্মের নিকোটিন পণ্য বাজারে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে সেগুলো আসার আগেই কার্যকর আইনি সুরক্ষা তৈরি করা অনেক বেশি যুক্তিসংগত। তরুণদের স্বাস্থ্য রক্ষায় এটাই সবচেয়ে কার্যকর পথ।
ড. অ্যাঞ্জেলা প্র্যাট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভিয়েতনাম প্রতিনিধি।












