১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি ব্রাইটন অধিনায়ক মেইসি সিমন্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নর্ডিক ওয়াকিং: হাঁটলেই মিলবে শরীরের প্রায় সব পেশির ব্যায়াম থাইল্যান্ডে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের অসদাচরণে তীব্র ক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইল ইতালির দূতাবাস ৯ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা প্যারিসে তিন নারীকে ছুরিকাঘাত, ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন’ দাবি; তবু সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স প্রবীণদের ভুলে যাচ্ছে সমাজ, বাড়ছে স্মৃতিভ্রংশের ভয়াবহ বোঝা খাবার নিয়ে ‘খেলা’! মৃত মাছকে আঘাত করে টুকরো টুকরো করছে ঘাতক তিমি ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিতর্কে আবারও আলোচনায় রেনে রিচার্ডস পাসওয়ার্ড না জেনেও এআইকে দিয়ে লগইন, বাড়ছে সুবিধার সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকি

ত্রিপলি থেকে দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইটে দেশে ফিরলো ৩০৯ বাংলাদেশি

লিবিয়ার তত্ত্বাবধানে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ত্রিপলি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী ৩০৯ জন বাংলাদেশিকে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত নাগরিকরা বিশেষ ফ্লাইটে শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন ও ফ্লাইটের বিস্তারিত

বাংলাদেশ দূতাবাস ত্রিপলিতে অবস্থানরত নিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় ৩০৯ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এটি লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় পরিচালিত দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইট—প্রথম দফায় ৯ অক্টোবরও একই সংখ্যক (৩০৯) নাগরিককে দেশে ফেরানো হয়েছিল।


দূতাবাসের ভূমিকা ও বিদায়সূচি

ত্রিপলিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যাবাসিতরা পূর্বে দূতাবাসে স্বেচ্ছায় ফেরার জন্য আবেদন করেছিলেন; পরবর্তীতে দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহসহ সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে।


রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

রাষ্ট্রদূত বলেন, দূতাবাস লিবিয়ায় অবস্থানরত নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি অনিয়মিত পথে বিদেশ যাত্রার ঝুঁকি ও ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং দালালচক্রের বিরুদ্ধে দেশে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সবাইকে উৎসাহিত করেন। দূতাবাস এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি জানান।


ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অনুরোধ

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিক দেশের সম্পদ—অতএব ভবিষ্যতে কেউ অবৈধ পথে বিদেশে যাবে না; বরং বৈধ উপায়ে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করে দেশের সম্মান ও উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। দূতাবাস লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে।


পরবর্তী প্রত্যাবাসন

দূতাবাস জানায়, একই পদ্ধতিতে মিসরাতা ও ত্রিপলি থেকে নিবন্ধিতদের মধ্যে অবশিষ্ট আরও তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে আগামী ৩০ অক্টোবর দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য লিবিয়া সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন, লিবিয়া, বাংলাদেশ দূতাবাস, চার্টার ফ্লাইট, মানবপাচার প্রতিরোধ

জনপ্রিয় সংবাদ

 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি

ত্রিপলি থেকে দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইটে দেশে ফিরলো ৩০৯ বাংলাদেশি

০৫:২১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

লিবিয়ার তত্ত্বাবধানে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ত্রিপলি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী ৩০৯ জন বাংলাদেশিকে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত নাগরিকরা বিশেষ ফ্লাইটে শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন ও ফ্লাইটের বিস্তারিত

বাংলাদেশ দূতাবাস ত্রিপলিতে অবস্থানরত নিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় ৩০৯ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এটি লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় পরিচালিত দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইট—প্রথম দফায় ৯ অক্টোবরও একই সংখ্যক (৩০৯) নাগরিককে দেশে ফেরানো হয়েছিল।


দূতাবাসের ভূমিকা ও বিদায়সূচি

ত্রিপলিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যাবাসিতরা পূর্বে দূতাবাসে স্বেচ্ছায় ফেরার জন্য আবেদন করেছিলেন; পরবর্তীতে দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহসহ সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে।


রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

রাষ্ট্রদূত বলেন, দূতাবাস লিবিয়ায় অবস্থানরত নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি অনিয়মিত পথে বিদেশ যাত্রার ঝুঁকি ও ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং দালালচক্রের বিরুদ্ধে দেশে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সবাইকে উৎসাহিত করেন। দূতাবাস এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি জানান।


ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অনুরোধ

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিক দেশের সম্পদ—অতএব ভবিষ্যতে কেউ অবৈধ পথে বিদেশে যাবে না; বরং বৈধ উপায়ে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করে দেশের সম্মান ও উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। দূতাবাস লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে।


পরবর্তী প্রত্যাবাসন

দূতাবাস জানায়, একই পদ্ধতিতে মিসরাতা ও ত্রিপলি থেকে নিবন্ধিতদের মধ্যে অবশিষ্ট আরও তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে আগামী ৩০ অক্টোবর দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য লিবিয়া সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন, লিবিয়া, বাংলাদেশ দূতাবাস, চার্টার ফ্লাইট, মানবপাচার প্রতিরোধ