১১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি জ্বালানির দাম বেড়েছে, এবার  বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম? ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির শেয়ারে উত্থান, টানা চার দিন কমল অপরিশোধিত তেলের দাম মেরি ক্যাসাট: ইমপ্রেশনিজমের পর যে অধ্যায়ে তৈরি হয় তাঁর সেরা শিল্পকর্ম বাণিজ্যের নতুন পথ, জলবায়ুর পুরোনো বিপদ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসায় নতুন বাস্তবতা: আর্থিক সক্ষমতার পরীক্ষায় অনিশ্চিত গ্রিন কার্ড পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন

ঝিনাইদহে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ করে বিক্রির অভিযোগ, দম্পতি গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ করে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

অপহরণের ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশুটির নাম ঈসারুল্লাহ ওরফে রিয়াদ। বয়স মাত্র বারো বছর। সে শীতলী রোকেয়া খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। গত তেইশ জানুয়ারি সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শীতলী মাঠ এলাকা থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, তাকে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ও মামলা

এ ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির দাদা শামসুল রহমান। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, মন্দারতলা গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সুমন ও তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুন তার নাতিকে অপহরণ করে বিক্রি করেন। মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ পেলে সুমন শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিনকে মারধর করেন।

শিশু অপহরণ করে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করতো চক্রটি

স্থানীয়দের অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা রাবিউল ইসলাম জানান, সুমন দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে এলাকায় আলোচনা ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শিশুটিকে ভোলায় নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, মামলা দায়েরের পর গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরিবারের আহাজারি, উদ্ধারের দাবি

অপহৃত শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলেকে হারিয়ে তিনি দিশেহারা। তিনি দ্রুত তার সন্তানের নিরাপদ উদ্ধার দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং শিশুটি কবে, কীভাবে উদ্ধার হবে সে দিকেই সবার দৃষ্টি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি

ঝিনাইদহে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ করে বিক্রির অভিযোগ, দম্পতি গ্রেপ্তার

১১:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ করে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

অপহরণের ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশুটির নাম ঈসারুল্লাহ ওরফে রিয়াদ। বয়স মাত্র বারো বছর। সে শীতলী রোকেয়া খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। গত তেইশ জানুয়ারি সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শীতলী মাঠ এলাকা থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, তাকে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ও মামলা

এ ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির দাদা শামসুল রহমান। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, মন্দারতলা গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সুমন ও তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুন তার নাতিকে অপহরণ করে বিক্রি করেন। মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ পেলে সুমন শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিনকে মারধর করেন।

শিশু অপহরণ করে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করতো চক্রটি

স্থানীয়দের অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা রাবিউল ইসলাম জানান, সুমন দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে এলাকায় আলোচনা ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শিশুটিকে ভোলায় নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, মামলা দায়েরের পর গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরিবারের আহাজারি, উদ্ধারের দাবি

অপহৃত শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলেকে হারিয়ে তিনি দিশেহারা। তিনি দ্রুত তার সন্তানের নিরাপদ উদ্ধার দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং শিশুটি কবে, কীভাবে উদ্ধার হবে সে দিকেই সবার দৃষ্টি।