০৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে? যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা সৌদি আরবকে পরমাণু জ্বালানি সমৃদ্ধকরণে ছাড়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশ্ন—‘আমাদের নয় কেন?’

ঝিনাইদহে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ করে বিক্রির অভিযোগ, দম্পতি গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ করে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

অপহরণের ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশুটির নাম ঈসারুল্লাহ ওরফে রিয়াদ। বয়স মাত্র বারো বছর। সে শীতলী রোকেয়া খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। গত তেইশ জানুয়ারি সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শীতলী মাঠ এলাকা থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, তাকে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ও মামলা

এ ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির দাদা শামসুল রহমান। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, মন্দারতলা গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সুমন ও তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুন তার নাতিকে অপহরণ করে বিক্রি করেন। মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ পেলে সুমন শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিনকে মারধর করেন।

শিশু অপহরণ করে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করতো চক্রটি

স্থানীয়দের অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা রাবিউল ইসলাম জানান, সুমন দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে এলাকায় আলোচনা ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শিশুটিকে ভোলায় নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, মামলা দায়েরের পর গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরিবারের আহাজারি, উদ্ধারের দাবি

অপহৃত শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলেকে হারিয়ে তিনি দিশেহারা। তিনি দ্রুত তার সন্তানের নিরাপদ উদ্ধার দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং শিশুটি কবে, কীভাবে উদ্ধার হবে সে দিকেই সবার দৃষ্টি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে?

ঝিনাইদহে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ করে বিক্রির অভিযোগ, দম্পতি গ্রেপ্তার

১১:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ করে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

অপহরণের ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশুটির নাম ঈসারুল্লাহ ওরফে রিয়াদ। বয়স মাত্র বারো বছর। সে শীতলী রোকেয়া খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। গত তেইশ জানুয়ারি সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শীতলী মাঠ এলাকা থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, তাকে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ও মামলা

এ ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির দাদা শামসুল রহমান। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, মন্দারতলা গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সুমন ও তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুন তার নাতিকে অপহরণ করে বিক্রি করেন। মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ পেলে সুমন শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিনকে মারধর করেন।

শিশু অপহরণ করে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করতো চক্রটি

স্থানীয়দের অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা রাবিউল ইসলাম জানান, সুমন দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে এলাকায় আলোচনা ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শিশুটিকে ভোলায় নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, মামলা দায়েরের পর গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরিবারের আহাজারি, উদ্ধারের দাবি

অপহৃত শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলেকে হারিয়ে তিনি দিশেহারা। তিনি দ্রুত তার সন্তানের নিরাপদ উদ্ধার দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং শিশুটি কবে, কীভাবে উদ্ধার হবে সে দিকেই সবার দৃষ্টি।