২০২৬ সালের হজ মৌসুমকে সামনে রেখে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ভিসা বিতরণ শুরু করছে সৌদি আরব। আগেভাগেই পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কয়েক মাস ধরে আবাসন, পরিবহন ও প্রয়োজনীয় সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। ফলে আগত হাজিদের জন্য নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ হজ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী হজ কার্যালয়গুলোর সমন্বিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় সময়সূচি প্রকাশ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে প্রথম দফার হাজিদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
আগাম পরিকল্পনায় গতি
২০২৫ সালের জুন মাসেই ২০২৬ সালের হজ প্রস্তুতির প্রাথমিক নথি বিভিন্ন দেশের হজ কার্যালয়ে পাঠানো হয়। ডিজিটাল নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিবিরসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আগে থেকেই পাওয়ায় পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত সময় মিলেছে বলে জানা গেছে।
আবাসন ও সেবার চুক্তি সম্পন্ন
মক্কা ও মদিনায় আবাসন, পরিবহন এবং পবিত্র স্থানগুলোর মূল সেবাব্যবস্থা সংক্রান্ত সব চুক্তি জানুয়ারিতেই শেষ হয়েছে। আগামী মার্চে হাজিদের আগমনের পূর্বতথ্য জমা নেওয়া হবে, আর চলতি রোববার থেকেই শুরু হবে ভিসা বিতরণ কার্যক্রম।
নিবন্ধন ও শিবির বরাদ্দ
এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার হাজি নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে ত্রিশ হাজার হাজি নিজ নিজ দেশ থেকেই সরাসরি প্যাকেজ বুক করেছেন। আন্তর্জাতিক হাজিদের জন্য প্রায় চারশ পঁচাশি শিবির বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং তিয়াত্তরটি হজ কার্যালয় তাদের চুক্তিগত দায়িত্ব পূরণ করেছে।
সময়সূচি মানার নির্দেশনা
হজ কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, আগাম পরিকল্পনাই নিরাপদ ও সুষ্ঠু হজ আয়োজনের প্রধান শর্ত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















