০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পাকিস্তান ভারতীয় বিমান চলাচল আরও এক মাসের জন্য বন্ধ রাখল পাকিস্তানে খাদ্য সংকট: ৭.৫ মিলিয়ন মানুষ অনিশ্চিত খাদ্য নিরাপত্তায় পাকিস্তান প্রস্তুত: কাবুল শান্তি নিশ্চয়তা না দিলে আবার আক্রমণ হতে পারে তেলের দামে ওঠানামা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় প্রতিবন্ধকতা ব্রিটেনে এপস্টেইনের বিমান ব্যবহার: মহিলা পাচারের সন্দেহে পুলিশ তল্লাশি ইরানে শোকসভা থেকে নতুন প্রটেস্ট, ইতিহাসের ১৯৭৯-এর প্রতিবাদের ছায়া ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনা নতুন করে শক্তিশালী করছে আন্তর্জাতিক চাপের মাঝেই কুড়িগ্রাম নদী ভাঙন ও চাকরির সংকট: নতুন সরকারের কাছে আশার অপেক্ষা একটি গবেষণা রকেট যেভাবে পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে ফেলেছিল প্রায় ইনস্টাগ্রাম কি শিশুদের টার্গেট করে? জাকারবার্গের আদালত সাক্ষ্য বিতর্কিত

পাবনায় লেবুর কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি, সাধারণ মানুষ দিশেহারা

পাবনা জেলা জুড়ে রমজান শুরুতেই নিত্যপণ্যের বাজারে দেখা দিয়েছে অস্বাভাবিক অস্থিরতা। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া রোজার আগেই ইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ লেবুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পাবনার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ করেছে।

রমজানকে কেন্দ্র করে লেবুর মূল্যবৃদ্ধি

বেড়া পৌর বাজার, নাকালিয়া বাজার ও সিঅ্যান্ডবি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে মানভেদে এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজি হিসেবে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান আসার কয়েকদিন আগে দাম ছিল সহনীয়, কিন্তু রোজা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গঠন করে রাতারাতি দাম বাড়িয়েছে।

অস্থির বাজার, লেবুর কেজি ২০০ টাকা - Bangla Affairs

ক্রেতাদের ভোগান্তি ও উদ্বেগ

নজরুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা জানান, রোজা রাখার পর ইফতারে লেবুর শরবত খাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু কেজি ২০০ টাকায় লেবু কিনতে পারা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, “বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম বাড়াচ্ছে।” আরেক ক্রেতা যোগ করেন, শুধু লেবু নয়, শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।

প্রশাসনের তদারকি ও নাগরিকদের দাবি

স্থানীয়রা বলছেন, রমজানকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে।

Consumers Association urges withdrawal of VAT hike decision | The Daily Star

কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পাবনা জেলা সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম বলেন, জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারের উচিত বাজার অভিযান করে লেবুসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমানো। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, লেবুর দামসহ অন্যান্য পণ্যের বাজারে নিবিড় তদারকি চালানো হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ভারতীয় বিমান চলাচল আরও এক মাসের জন্য বন্ধ রাখল

পাবনায় লেবুর কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি, সাধারণ মানুষ দিশেহারা

০৪:০২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনা জেলা জুড়ে রমজান শুরুতেই নিত্যপণ্যের বাজারে দেখা দিয়েছে অস্বাভাবিক অস্থিরতা। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া রোজার আগেই ইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ লেবুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পাবনার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ করেছে।

রমজানকে কেন্দ্র করে লেবুর মূল্যবৃদ্ধি

বেড়া পৌর বাজার, নাকালিয়া বাজার ও সিঅ্যান্ডবি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে মানভেদে এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজি হিসেবে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান আসার কয়েকদিন আগে দাম ছিল সহনীয়, কিন্তু রোজা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গঠন করে রাতারাতি দাম বাড়িয়েছে।

অস্থির বাজার, লেবুর কেজি ২০০ টাকা - Bangla Affairs

ক্রেতাদের ভোগান্তি ও উদ্বেগ

নজরুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা জানান, রোজা রাখার পর ইফতারে লেবুর শরবত খাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু কেজি ২০০ টাকায় লেবু কিনতে পারা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, “বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম বাড়াচ্ছে।” আরেক ক্রেতা যোগ করেন, শুধু লেবু নয়, শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।

প্রশাসনের তদারকি ও নাগরিকদের দাবি

স্থানীয়রা বলছেন, রমজানকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে।

Consumers Association urges withdrawal of VAT hike decision | The Daily Star

কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পাবনা জেলা সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম বলেন, জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারের উচিত বাজার অভিযান করে লেবুসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমানো। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, লেবুর দামসহ অন্যান্য পণ্যের বাজারে নিবিড় তদারকি চালানো হচ্ছে।