পাকিস্তান ভারতীয় বিমান চলাচলের ওপর বন্ধাদেশ আরও এক মাস বাড়িয়েছে। নতুন নোটাম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ পর্যন্ত ভারতীয় নিবন্ধিত সামরিক ও বেসামরিক সব বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে না। এপ্রিল ২০২৫ থেকে এই বিধিনিষেধ জারি রয়েছে এবং এখন প্রায় ১০ মাস অতিক্রম করছে।
![]()
আকাশসীমা বন্ধের পেছনের কারণ
পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে ইন্দুস জলচুক্তি স্থগিত করার পর, যা নতুন দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে এসেছে। বিশেষ করে ভারতীয় দখলকৃত জম্মু-কাশ্মীরে পাহালগাম আক্রমণের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পাকিস্তান এই বন্ধাদেশের পর ভারতের বিমান চলাচল বন্ধ রাখায় ভারতে এয়ারলাইনের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, তবে পাকিস্তানের বিমান শিল্প প্রায় অক্ষত রয়েছে।
বিপরীতে ভারতও পাকিস্তানকে সাড়া দেয়
পাকিস্তানের এ পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় ভারত ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ করে। এরপর ৬-৭ মে, ২০২৫ ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে অপ্রত্যাশিত হামলা চালানো হয়। উত্তরে পাকিস্তান “অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস” নামে বৃহৎ প্রতিশোধী সামরিক অভিযান পরিচালনা করে এবং একাধিক ভারতীয় সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করে। এই সংঘর্ষে সাতটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়, যার মধ্যে তিনটি রাফালে রয়েছে, পাশাপাশি অনেক ড্রোনও ভূপাতিত হয়। প্রায় ৮৭ ঘণ্টার লড়াই শেষে ১০ মে মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
পূর্ববর্তী উদাহরণ
এটি পাকিস্তানের প্রথমবারের মতো এমন সিদ্ধান্ত নয়। ১৯৯৯ সালের কার্গিল সংঘাত এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা সঙ্কটের সময়ও পাকিস্তান ভারতীয় বিমান চলাচল সীমিত করেছিল। সেই সময়েও ভারতীয় বিমান শিল্প পাকিস্তানের তুলনায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















