০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জেসি জ্যাকসনের মৃত্যু: নাগরিক অধিকার আন্দোলনের বজ্রকণ্ঠের অবসান রমজানে ৯০ হাজার কোরআন বিতরণ ঘোষণা, ধর্মচেতনা ও পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে উদ্যোগ রমজান উদযাপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশাল উদ্যোগ: ৬৬ নতুন মসজিদ, ২০ জন পণ্ডিত ও ১২,৫০০ গাছের চারা ইরানে নিহতদের ৪০ দিনের স্মরণে সরকারিভাবে দমনতন্ত্র, জনআন্দোলনে উত্তেজনা নেতানিয়াহুর নীতি নিয়ে তীব্র বিতর্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ কি ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসা বিতর্কে দক্ষিণ এশিয়ানদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের উত্থান রোজার দিনে গলার ভেতরে পানি ঢুকলে কি রোজা ভাঙে? ঢাকার রমজানের প্রথম দিনে আনন্দ ও আধ্যাত্মিকতা জাপানের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা শক্তিশালী করতে ‘দীর্ঘপরিসর অস্ত্র’ নিয়ে দেশজুড়ে আগ্রহ বাড়ছে হিরো আলম গ্রেফতার: প্রতারণা ও ধর্ষণ মামলায় জেল হেফাজতে

হিরো আলম গ্রেফতার: প্রতারণা ও ধর্ষণ মামলায় জেল হেফাজতে

বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, খ্যাতনামা হিরো আলমকে একটি ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে নারীকে প্রতারণার মাধ্যমে অভিনেত্রী বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার অভিযোগে দায়ী করা হয়েছে।

গ্রেফতারের বিস্তারিত

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হিরো আলমকে ধরা পড়ার তথ্য পেয়ে একটি পুলিশ দল ঢাকা-রংপুর মঝিরা বন্দরের এলাকায় পিকেট বসিয়ে তার ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত সুপারিনটেন্ডেন্ট মোস্তফা মনজুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরবর্তী আইন কার্যক্রম

গ্রেফতারের পর হিরো আলমকে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির করা হয়। ট্রাইব্যুনাল তাকে জেল হেফাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

পেছনের ঘটনা

২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বগুড়া আদালত হিরো আলমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। এই নির্দেশ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আনোয়ারুল হক দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ

মামলার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসামি আশরাফুল আলম পরিচিতি ও অভিনয়ের সুযোগ দেখিয়ে মিথিলা রাহমানকে প্রতারণা করে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তাকে অভিনেত্রী বানানোর প্রতিশ্রুতি এবং বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে আকৃষ্ট করা হয়। এরপর তাকে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং গর্ভপাতের জন্য বাধ্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের অধীনে ২১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে এই মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগগুলোর কিছু অংশ বিশ্বাসযোগ্য পাওয়া গেছে, যা আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

মূল ঘটনা

হিরো আলমের বিরুদ্ধে নারীকে প্রতারণার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ও ধর্ষণের মামলা দায়ের এবং তার গ্রেফতার ও জেল হেফাজতের ঘটনা স্থানীয় ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রকাশিত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেসি জ্যাকসনের মৃত্যু: নাগরিক অধিকার আন্দোলনের বজ্রকণ্ঠের অবসান

হিরো আলম গ্রেফতার: প্রতারণা ও ধর্ষণ মামলায় জেল হেফাজতে

০৬:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, খ্যাতনামা হিরো আলমকে একটি ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে নারীকে প্রতারণার মাধ্যমে অভিনেত্রী বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার অভিযোগে দায়ী করা হয়েছে।

গ্রেফতারের বিস্তারিত

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হিরো আলমকে ধরা পড়ার তথ্য পেয়ে একটি পুলিশ দল ঢাকা-রংপুর মঝিরা বন্দরের এলাকায় পিকেট বসিয়ে তার ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত সুপারিনটেন্ডেন্ট মোস্তফা মনজুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরবর্তী আইন কার্যক্রম

গ্রেফতারের পর হিরো আলমকে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির করা হয়। ট্রাইব্যুনাল তাকে জেল হেফাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

পেছনের ঘটনা

২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বগুড়া আদালত হিরো আলমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। এই নির্দেশ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আনোয়ারুল হক দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ

মামলার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসামি আশরাফুল আলম পরিচিতি ও অভিনয়ের সুযোগ দেখিয়ে মিথিলা রাহমানকে প্রতারণা করে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তাকে অভিনেত্রী বানানোর প্রতিশ্রুতি এবং বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে আকৃষ্ট করা হয়। এরপর তাকে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং গর্ভপাতের জন্য বাধ্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের অধীনে ২১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে এই মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগগুলোর কিছু অংশ বিশ্বাসযোগ্য পাওয়া গেছে, যা আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

মূল ঘটনা

হিরো আলমের বিরুদ্ধে নারীকে প্রতারণার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ও ধর্ষণের মামলা দায়ের এবং তার গ্রেফতার ও জেল হেফাজতের ঘটনা স্থানীয় ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রকাশিত হয়েছে।