০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জাপানের পুরনো কিমোনোতে নতুন জীবন ওজন কমানোর ইনজেকশনে বাড়ছে শ্রেণি বৈষম্য, ধনীদের নাগালে ‘চিকন’ থাকার নতুন দৌড় ভারতীয় এআই বিপ্লব: স্বদেশী প্রযুক্তি নিয়ে ‘ডিপসিক মোমেন্ট’ খুঁজছে ভারত আলকারাজের অবিশ্বাস্য ঘুরে দাঁড়ানো, মেন্সিকের ঝড়ে সিঁনার বিদায় দুবাইয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, ফাইনালে জেসিকা পেগুলা উষ্ণমণ্ডলীয় বন বর্ষাপাতের মাধ্যমে বিলিয়ন ডলার পানি সরবরাহ করে ভিক্টোরিয়া হিথ সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতি ২০২৫: অয়েল ছাড়া খাতের শক্তিশালী বৃদ্ধিতে জিডিপি ৫.১% বাড়লো নারীদের আর্থিক ক্ষমতায়নে নামা’র তৃতীয় ‘ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি প্রোগ্রাম’ সম্পন্ন ইউএই-এর খাদ্য সহায়তা কেনিয়ার খরা আক্রান্ত অঞ্চলে পৌঁছালো রাজপরিবারের উত্তরাধিকারের লাইন থেকে অ্যান্ড্রু বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের হাতে

ওজন কমানোর ইনজেকশনে বাড়ছে শ্রেণি বৈষম্য, ধনীদের নাগালে ‘চিকন’ থাকার নতুন দৌড়

ওজন কমানোর আধুনিক ইনজেকশন এখন শুধু চিকিৎসা নয়, সামাজিক বৈষম্যের নতুন সূচক হয়ে উঠছে—এমনটাই বলছে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ। যাদের আর্থিক সামর্থ্য বেশি, তারা দ্রুত এই চিকিৎসা পাচ্ছেন; অন্যদিকে কম আয়ের মানুষ দীর্ঘ অপেক্ষায় থেকেও পিছিয়ে পড়ছেন। ফলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভেতরেই তৈরি হচ্ছে নতুন শ্রেণি বিভাজন।

দীর্ঘ অপেক্ষায় রোগীরা

৪৬ বছর বয়সী কেলি টড চার বছর আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবার দ্বারস্থ হন। কিন্তু তিনি দ্রুত বুঝতে পারেন, প্রয়োজনীয় ইনজেকশন পেতে কয়েক মাস নয়, লেগে যেতে পারে বহু বছর। শেষ পর্যন্ত তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রতি মাসে ১৮৯ থেকে ২৯৯ পাউন্ড খরচ করতে শুরু করেন।

পরবর্তীতে উচ্চ বিএমআই ও একাধিক জটিলতা থাকা রোগীদের জন্য নতুন ওষুধ চালু হলেও নয় মাস পরও তিনি সেই ওষুধ হাতে পাননি। তার ভাষায়, প্রথমবার চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কার্যত চার বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছেন তিনি। অনির্দিষ্ট অপেক্ষায় থাকা বাস্তবসম্মত মনে না হওয়ায় ব্যক্তিগত খরচেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়েছে।

মধ্যবিত্ত নারীদের ঝোঁক বেশি

নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন কমানোর ইনজেকশন সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করছেন ত্রিশ ও চল্লিশের কোঠার মধ্যবিত্ত নারীরা। বেসরকারি প্রেসক্রিপশন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এসব ওষুধের প্রায় ৭৯ শতাংশই নারীদের জন্য নেওয়া হয়েছে এবং তারা প্রতি মাসে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করছেন।

অন্যদিকে সবচেয়ে বঞ্চিত এলাকাগুলোর মানুষ এই ইনজেকশন নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম। তারা সাধারণত চিকিৎসা শুরু করার সময় বেশি ওজন নিয়ে শুরু করেন। এতে স্বাস্থ্যগত বৈষম্য আরও প্রকট হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

‘হস্তক্ষেপজনিত বৈষম্য’ নিয়ে সতর্কতা

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কেট পিকেট এই প্রবণতাকে ‘হস্তক্ষেপজনিত বৈষম্য’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, নতুন কোনো স্বাস্থ্য উদ্যোগ চালু হলে প্রথমে তা গ্রহণ করেন মধ্যবিত্ত ও ধনী মানুষরা। কারণ তাদের কাছে তথ্য বোঝার সুযোগ, সময় ও সক্ষমতা বেশি থাকে। এতে সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত হলেও বৈষম্য বেড়ে যায়।

সীমিত সরবরাহে বাড়ছে চাপ

নীতিনির্ধারকরা আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট মানের বেশি বিএমআই ও ওজনজনিত সমস্যায় ভোগা লাখো মানুষ এই ওষুধ পাবেন। কিন্তু চাহিদা ও সরবরাহের সীমাবদ্ধতায় পরিকল্পনা বদলে দেওয়া হয়। আগামী তিন বছরে তুলনামূলক কমসংখ্যক রোগীকে এই সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফলে যোগ্য হলেও অনেকেই সরাসরি ওষুধ পাচ্ছেন না। তাদের সামনে একমাত্র বিকল্প হিসেবে থাকছে ব্যক্তিগতভাবে টাকা খরচ করে চিকিৎসা নেওয়া, যেখানে মাসিক ব্যয় দাঁড়ায় ১৪৪ থেকে ৩২৪ পাউন্ড পর্যন্ত।

Mounjaro Study Reveals Shocking Eye Health Benefit

‘লটারির মতো’ চিকিৎসা পাওয়া

কেলি টড বলেন, ব্যক্তিগতভাবে ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত ছিল স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনে, সুবিধার জন্য নয়। কিন্তু সবাই যে নিজের খরচে চিকিৎসা নিতে পারবেন, তা নয়। তার মতে, যোগ্যতা থাকলেই যে ওষুধ মিলবে—এমন নিশ্চয়তা নেই; বিষয়টি অনেকটা লটারির মতো।

তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে তাকে জীবনযাত্রায় বড় ধরনের সমন্বয় করতে হয়েছে এবং অন্য খাতে খরচ কমাতে হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থায় ওষুধ পাওয়া গেলে আর্থিক চাপ অনেকটাই কমত।

বৈষম্য আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা

স্বাস্থ্য নীতিবিদ শার্লট রেফসম মনে করেন, বর্তমান পদ্ধতিতে ওজন কমানোর এই ওষুধ চালু থাকলে স্বাস্থ্য বৈষম্য আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিতে পারে। তার ভাষায়, যাদের পকেট ভারী তারা উন্নত স্বাস্থ্য কিনে নিতে পারছেন, অন্যরা পিছিয়ে পড়ছেন—যা সমতার মূল নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সৌন্দর্য বনাম চিকিৎসা বিতর্ক

বিশেষজ্ঞদের আরেকটি উদ্বেগ হলো, এই ইনজেকশনের প্রসার সমাজকে আবার সেই ধারণায় ফিরিয়ে নিতে পারে যেখানে রোগা শরীরকে ধন-সম্পদ ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। শরীর ইতিবাচকতার যে আন্দোলন গত বছরগুলোতে শক্তিশালী হয়েছিল, সেটি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসাগত প্রয়োজন ছাড়াও নান্দনিক কারণে মানুষ এই ওষুধ নিচ্ছেন বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। এতে ভবিষ্যতে শ্রেণিভিত্তিক শারীরিক পার্থক্য আরও স্থায়ী হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকরা।

আয়ু ও লিঙ্গ বৈষম্যের নতুন ঝুঁকি

কিছু বিশেষজ্ঞ তুলনামূলক আশাবাদী হলেও তারা সতর্ক করছেন—ওজন কমানোর এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে আয়ু ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য বাড়াতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু সৌন্দর্য বা স্থূলতা নয়, বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্ন হিসেবেও সামনে আসছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পুরনো কিমোনোতে নতুন জীবন

ওজন কমানোর ইনজেকশনে বাড়ছে শ্রেণি বৈষম্য, ধনীদের নাগালে ‘চিকন’ থাকার নতুন দৌড়

০৫:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ওজন কমানোর আধুনিক ইনজেকশন এখন শুধু চিকিৎসা নয়, সামাজিক বৈষম্যের নতুন সূচক হয়ে উঠছে—এমনটাই বলছে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ। যাদের আর্থিক সামর্থ্য বেশি, তারা দ্রুত এই চিকিৎসা পাচ্ছেন; অন্যদিকে কম আয়ের মানুষ দীর্ঘ অপেক্ষায় থেকেও পিছিয়ে পড়ছেন। ফলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভেতরেই তৈরি হচ্ছে নতুন শ্রেণি বিভাজন।

দীর্ঘ অপেক্ষায় রোগীরা

৪৬ বছর বয়সী কেলি টড চার বছর আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবার দ্বারস্থ হন। কিন্তু তিনি দ্রুত বুঝতে পারেন, প্রয়োজনীয় ইনজেকশন পেতে কয়েক মাস নয়, লেগে যেতে পারে বহু বছর। শেষ পর্যন্ত তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রতি মাসে ১৮৯ থেকে ২৯৯ পাউন্ড খরচ করতে শুরু করেন।

পরবর্তীতে উচ্চ বিএমআই ও একাধিক জটিলতা থাকা রোগীদের জন্য নতুন ওষুধ চালু হলেও নয় মাস পরও তিনি সেই ওষুধ হাতে পাননি। তার ভাষায়, প্রথমবার চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কার্যত চার বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছেন তিনি। অনির্দিষ্ট অপেক্ষায় থাকা বাস্তবসম্মত মনে না হওয়ায় ব্যক্তিগত খরচেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়েছে।

মধ্যবিত্ত নারীদের ঝোঁক বেশি

নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন কমানোর ইনজেকশন সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করছেন ত্রিশ ও চল্লিশের কোঠার মধ্যবিত্ত নারীরা। বেসরকারি প্রেসক্রিপশন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এসব ওষুধের প্রায় ৭৯ শতাংশই নারীদের জন্য নেওয়া হয়েছে এবং তারা প্রতি মাসে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করছেন।

অন্যদিকে সবচেয়ে বঞ্চিত এলাকাগুলোর মানুষ এই ইনজেকশন নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম। তারা সাধারণত চিকিৎসা শুরু করার সময় বেশি ওজন নিয়ে শুরু করেন। এতে স্বাস্থ্যগত বৈষম্য আরও প্রকট হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

‘হস্তক্ষেপজনিত বৈষম্য’ নিয়ে সতর্কতা

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কেট পিকেট এই প্রবণতাকে ‘হস্তক্ষেপজনিত বৈষম্য’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, নতুন কোনো স্বাস্থ্য উদ্যোগ চালু হলে প্রথমে তা গ্রহণ করেন মধ্যবিত্ত ও ধনী মানুষরা। কারণ তাদের কাছে তথ্য বোঝার সুযোগ, সময় ও সক্ষমতা বেশি থাকে। এতে সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত হলেও বৈষম্য বেড়ে যায়।

সীমিত সরবরাহে বাড়ছে চাপ

নীতিনির্ধারকরা আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট মানের বেশি বিএমআই ও ওজনজনিত সমস্যায় ভোগা লাখো মানুষ এই ওষুধ পাবেন। কিন্তু চাহিদা ও সরবরাহের সীমাবদ্ধতায় পরিকল্পনা বদলে দেওয়া হয়। আগামী তিন বছরে তুলনামূলক কমসংখ্যক রোগীকে এই সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফলে যোগ্য হলেও অনেকেই সরাসরি ওষুধ পাচ্ছেন না। তাদের সামনে একমাত্র বিকল্প হিসেবে থাকছে ব্যক্তিগতভাবে টাকা খরচ করে চিকিৎসা নেওয়া, যেখানে মাসিক ব্যয় দাঁড়ায় ১৪৪ থেকে ৩২৪ পাউন্ড পর্যন্ত।

Mounjaro Study Reveals Shocking Eye Health Benefit

‘লটারির মতো’ চিকিৎসা পাওয়া

কেলি টড বলেন, ব্যক্তিগতভাবে ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত ছিল স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনে, সুবিধার জন্য নয়। কিন্তু সবাই যে নিজের খরচে চিকিৎসা নিতে পারবেন, তা নয়। তার মতে, যোগ্যতা থাকলেই যে ওষুধ মিলবে—এমন নিশ্চয়তা নেই; বিষয়টি অনেকটা লটারির মতো।

তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে তাকে জীবনযাত্রায় বড় ধরনের সমন্বয় করতে হয়েছে এবং অন্য খাতে খরচ কমাতে হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থায় ওষুধ পাওয়া গেলে আর্থিক চাপ অনেকটাই কমত।

বৈষম্য আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা

স্বাস্থ্য নীতিবিদ শার্লট রেফসম মনে করেন, বর্তমান পদ্ধতিতে ওজন কমানোর এই ওষুধ চালু থাকলে স্বাস্থ্য বৈষম্য আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিতে পারে। তার ভাষায়, যাদের পকেট ভারী তারা উন্নত স্বাস্থ্য কিনে নিতে পারছেন, অন্যরা পিছিয়ে পড়ছেন—যা সমতার মূল নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সৌন্দর্য বনাম চিকিৎসা বিতর্ক

বিশেষজ্ঞদের আরেকটি উদ্বেগ হলো, এই ইনজেকশনের প্রসার সমাজকে আবার সেই ধারণায় ফিরিয়ে নিতে পারে যেখানে রোগা শরীরকে ধন-সম্পদ ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। শরীর ইতিবাচকতার যে আন্দোলন গত বছরগুলোতে শক্তিশালী হয়েছিল, সেটি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসাগত প্রয়োজন ছাড়াও নান্দনিক কারণে মানুষ এই ওষুধ নিচ্ছেন বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। এতে ভবিষ্যতে শ্রেণিভিত্তিক শারীরিক পার্থক্য আরও স্থায়ী হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকরা।

আয়ু ও লিঙ্গ বৈষম্যের নতুন ঝুঁকি

কিছু বিশেষজ্ঞ তুলনামূলক আশাবাদী হলেও তারা সতর্ক করছেন—ওজন কমানোর এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে আয়ু ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য বাড়াতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু সৌন্দর্য বা স্থূলতা নয়, বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্ন হিসেবেও সামনে আসছে।