চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রথাগত ভাষা ডিগ্রির চেয়ে দেশভিত্তিক এবং আঞ্চলিক স্ট্রাটেজি পড়াশোনায় জোর দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি একটি বড় কৌশলগত পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে চীন পশ্চিমা ধারণার বাইরে একটি স্বতন্ত্র চিনা দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে চাইছে।
আঞ্চলিক বা দেশভিত্তিক গবেষণা ক্ষেত্রের মধ্যে রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, সামরিক বিষয়, ভৌগলিক অবস্থান, ভাষাতত্ত্ব এবং অন্যান্য দিক অন্তর্ভুক্ত থাকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই আন্তঃবিষয়ক ক্ষেত্রটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
২০১১ সালে মন্ত্রণালয় একটি “প্রশিক্ষণ কেন্দ্র” প্রকল্প চালু করার পর থেকে দেশে ১৮০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৪৫০টি আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রায় ২০,০০০ শিক্ষকমন্ডলী নিয়োজিত রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ১২টি প্রতিষ্ঠান নতুনভাবে এই প্রোগ্রাম চালুর প্রস্তাব করেছে, যা সেই বছরের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন নতুন মেজরের মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত।
চীনের সাম্প্রতিক পাঁচ বছরব্যাপী পরিকল্পনায় উল্লেখ রয়েছে, “আঞ্চলিক ও দেশভিত্তিক গবেষণা শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা।”
এই পরিবর্তনটি এমন সময় ঘটছে যখন ভাষা মেজরের সংখ্যা কমানো এবং পুনর্গঠন করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভাষার দক্ষতার চেয়ে এখন দেশ ও অঞ্চলের বিশেষজ্ঞ তৈরির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















