
সেনা অভিযান ও উত্থাপিত সহিংসতা
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম সোমবার সকালের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে জানিয়েছেন। জালিস্কোর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ২,০০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে এল মেনচোর নিরাপত্তারক্ষীরা আগুন খোলায় সংঘর্ষ হয়। তিনি হেলিকপ্টারে করে মেক্সিকো সিটিতে আনা হলে মারা যান। অভিযানকালে রকেট লাঞ্চার, মর্টার শেলসহ বিপুল অস্ত্রাবলি উদ্ধার করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক ও পর্যটন প্রভাব
কার্টেল নেতার মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় রবিবার বিমানবন্দর বন্ধ, ফ্লাইট বাতিল ও পর্যটন কেন্দ্রে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। জালিস্কোতে পর্যটকরা আতঙ্কিত অবস্থায় ঘরছাড়া হয়েছেন। ফেমসা ও পেমেক্সসহ বড় কোম্পানিগুলির কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা পুনরায় স্বাভাবিক হয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী অশান্তি পর্যটন, ইলেকট্রনিক্স ও কৃষিপণ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ও ভবিষ্যৎ শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যচক্র সহায়তায় অভিযান পরিকল্পিত হলেও মেক্সিকান বাহিনী মূল নেতৃত্বে ছিল। প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম স্পষ্ট করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল না। তবে কার্টেল পুনর্গঠন বা প্রতিশোধের আশঙ্কায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্ক।
এল মেনচোর মৃত্যু সিজিএনজের জন্য বড় ধাক্কা হলেও দেশব্যাপী সহিংসতা ও হত্যা-নির্যাতনের ধারার সঙ্গে লড়াই অব্যাহত থাকতে পারে। স্থানীয় নাগরিকরা আশ্বাস চেয়েছেন সরকারের কাছ থেকে নিরাপত্তার জন্য।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















