চীন সম্প্রতি ২০টি জাপানি কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠানকে তার রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং আরও ২০টিকে নজরদারি তালিকায় স্থান দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি টোকিওর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক বিরোধকে জাপানের বৃহত্তম কিছু কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে আরও বিস্তৃত করেছে।
রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে নিষেধাজ্ঞা
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোন চীনা রপ্তানিকারক দ্বি-উপযোগী পণ্য (যা সামরিক ও বেসামরিক দুই কাজে ব্যবহারযোগ্য) পাঠাতে পারবে না। পাশাপাশি, যদি পণ্যগুলি চীনে তৈরি হয়, তাহলে সব বিদেশি রপ্তানিকারকও তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠাতে পারবে না।

তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও তাদের ভূমিকা
নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ২০টি প্রতিষ্ঠান মধ্যে রয়েছে মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, কাওয়াসাকি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আইএইচআই-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো, পাশাপাশি জাপানের ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জাহাজ, বিমান, রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিস্তৃত সামরিক সরঞ্জামের গবেষণা, উন্নয়ন এবং উৎপাদনে জড়িত।
নজরদারি তালিকায় নতুন সংযোজন
একই সময়ে আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানকে নজরদারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বি-উপযোগী পণ্যের বাণিজ্যে আরও কঠোর পর্যালোচনার মুখোমুখি হবে। এই সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে গাড়ি প্রস্তুতকারক সুবারু, যার মহাকাশ বিভাগ প্রতিরক্ষা উৎপাদনের জন্য চুক্তিবদ্ধ, এবং সুমিতোমো হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও পাবলিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স টোকিও।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যে রপ্তানি জাপানের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে “অবদান রাখতে পারে”, তা অনুমোদিত হবে না।
দ্বি-উপযোগী পণ্যের গুরুত্ব
দ্বি-উপযোগী পণ্য সাধারণত মূলত বেসামরিক উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়, তবে এগুলো গুরুত্বপূর্ণভাবে অস্ত্র এবং সামরিক ব্যবস্থা উন্নয়ন বা উৎপাদনে অবদান রাখতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















