০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
কেন পর্যাপ্ত ঘুমের পরও অনেকেই সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করেন গুচির দেহমোহে বাজি, নব্বই দশকের ঝলক ফেরাতে ডেমনার সাহসী প্রদর্শনী জাপানের ধনীদের দিকে ঝুঁকছে কেকেআর ও ব্ল্যাকস্টোন, মার্কিন বেসরকারি সম্পদ বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই নতুন কৌশল মুন দুবাই কি সত্যিই বাস্তব হচ্ছে? ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন প্রতিষ্ঠাতারা সাউথ চায়না সি আচরণবিধি ২০২৬-এর মধ্যে সম্ভব নয়: বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা আগের ধস কাটিয়ে শুরুতেই ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই ও সিএসই সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেস ক্লাব সভাপতির ওপর হামলা, আটক ২ সিরাজগঞ্জে সেচ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৯ রাজশাহীতে গণপিটুনিতে নিহত এক, আহত ৭ ইরানের ক্ষমতা হস্তান্তরে বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধের বিস্তার রোধ করতে হবে

কেন পর্যাপ্ত ঘুমের পরও অনেকেই সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করেন

পর্যাপ্ত সময় ঘুমানোর পরও অনেক মানুষ সারাদিন ক্লান্ত অনুভব করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর কারণ শুধু কত ঘণ্টা ঘুমানো হয়েছে, সেটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শরীর, মস্তিষ্ক ও জীবনযাপনের নানা বিষয় একসঙ্গে কাজ করে এই দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির অনুভূতি তৈরি করে।

বিশ্বজুড়ে ক্লান্তির প্রবণতা

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি এখন বৈশ্বিক সমস্যা। ২০২৩ সালের এক বিশ্লেষণে জানা যায়, প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন টানা ছয় মাস পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো শারীরিক রোগ ছাড়াই অবসাদ অনুভব করেছেন। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের জরিপে ৪৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক জানান, সপ্তাহে কয়েক দিন তারা তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকেন। ২০২২ সালে যুক্তরাজ্যে পরিচালিত এক জরিপে প্রতি আটজনের একজন বলেছেন, তারা সবসময় ক্লান্ত বোধ করেন। পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি ক্লান্তির কথা জানান।

ক্লান্তি ও তন্দ্রার পার্থক্য

চিকিৎসকদের মতে, রোগীরা সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগ করেন তার একটি হলো ক্লান্তি। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা এ সমস্যাকে “টিএটিটি” বা ‘সারাক্ষণ ক্লান্ত’ বলে উল্লেখ করে। তবে বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে বলেন, তন্দ্রা আর ক্লান্তি এক নয়। তন্দ্রা মানে ঘুমিয়ে পড়ার প্রবণতা, আর ক্লান্তি একটি বিস্তৃত অবস্থা, যা শরীর, মন ও আবেগ—সবকিছুকে প্রভাবিত করতে পারে।

শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি

ক্লান্তি কখনও শারীরিক হতে পারে, যেমন ব্যায়ামের পর পেশির অবসাদ। আবার এটি মানসিক ও আবেগজনিতও হতে পারে। এ ধরনের ক্লান্তিতে মনোযোগ কমে যায়, কাজের আগ্রহ হ্রাস পায়, মাথা ঝাপসা লাগে এবং খিটখিটে ভাব দেখা দেয়। আধুনিক মস্তিষ্ক-চিত্রায়ন ও পরীক্ষাগার প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বিজ্ঞানীরা এখন ধীরে ধীরে বুঝতে পারছেন, ক্লান্তি কীভাবে মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে।

রোগের সঙ্গে সম্পর্ক

কিছু গুরুতর অসুস্থতা যেমন ক্যানসার, বিষণ্নতা, দীর্ঘমেয়াদি কোভিড ও মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের সঙ্গে ক্লান্তির সম্পর্ক রয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে বড় কোনো রোগ ছাড়াই মানুষ ক্লান্তি অনুভব করেন। তাই প্রথমেই রক্তপরীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য শারীরিক কারণ খুঁজে দেখা হয়।

থাইরয়েডের সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কিংবা আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি শনাক্ত করতে এসব পরীক্ষা করা হয়। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘাটতি হলে শক্তি কমে যেতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্তিবোধ কেন হয়?

তবে বাস্তবে দেখা যায়, অধিকাংশ রোগীর পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক আসে। তখন জীবনযাপনের বিষয়গুলোই প্রধান কারণ হিসেবে ধরা পড়ে।

জীবনযাপন ও ঘুমের মান

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমের দৈর্ঘ্যের চেয়ে মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় বিছানায় কাটালেও যদি ঘুম বারবার ভেঙে যায় বা গভীর না হয়, তাহলে সকালে সতেজ লাগবে না। গভীর ঘুমের সময় মস্তিষ্ক একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করে। ঘুমের ব্যাঘাত হলে এই প্রক্রিয়া কমে যায়, ফলে ক্লান্তি বাড়তে পারে।

ঘুমের সময়সূচিও গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের স্বাভাবিক জৈবঘড়ির সঙ্গে মিল না থাকলে ঘুমের কার্যকারিতা কমে যায়। এ কারণেই পালা করে কাজ করা কর্মীদের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি দেখা যায়। অনিয়মিত ঘুমে রেম ঘুমের পরিমাণ কমে যায়, যা আবেগ নিয়ন্ত্রণ, স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য জরুরি।

চাপ, ঘুমের ব্যাধি ও অন্যান্য কারণ

মানসিক চাপ ক্লান্তির বড় কারণ। চাপের সময় শরীরে কর্টিসল নামের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা হৃদস্পন্দন ও দেহের তাপমাত্রা বাড়ায়। কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকলে সহজে ঘুম আসে না এবং ঘুম টিকেও না। ফলে মানুষ ক্লান্ত বোধ করলেও বিশ্রাম নিতে পারেন না।

ঘুমের ব্যাধিও অনেক সময় আড়ালে থাকা কারণ। জোরে নাক ডাকা বা ঘুমের সময় শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এতে সারা রাত ঘুম ব্যাহত হয়। সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমিয়েও সকালে চরম ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

এ ছাড়া শরীরে পানিশূন্যতা, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল গ্রহণও ক্লান্তি বাড়ায়। ক্যাফেইন দীর্ঘ সময় শরীরে থেকে ঘুমে প্রভাব ফেলে। অ্যালকোহল দ্রুত ঘুম আনলেও রাতের পরের অংশে ঘুম ভেঙে দেয়।

সমাধানের পথ

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, শক্তি ফিরে পেতে নিয়মিত ও সুষম জীবনযাপন জরুরি। সুষম খাদ্যাভ্যাস, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা—এসবই কার্যকর উপায়। শুনতে সহজ হলেও প্রতিদিন এগুলো মেনে চলাই সবচেয়ে কঠিন।

তবে দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি থাকলে বা অবস্থা খারাপ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে গুরুতর রোগ আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায় এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়া সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

কেন পর্যাপ্ত ঘুমের পরও অনেকেই সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করেন

কেন পর্যাপ্ত ঘুমের পরও অনেকেই সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করেন

০১:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

পর্যাপ্ত সময় ঘুমানোর পরও অনেক মানুষ সারাদিন ক্লান্ত অনুভব করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর কারণ শুধু কত ঘণ্টা ঘুমানো হয়েছে, সেটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শরীর, মস্তিষ্ক ও জীবনযাপনের নানা বিষয় একসঙ্গে কাজ করে এই দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির অনুভূতি তৈরি করে।

বিশ্বজুড়ে ক্লান্তির প্রবণতা

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি এখন বৈশ্বিক সমস্যা। ২০২৩ সালের এক বিশ্লেষণে জানা যায়, প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন টানা ছয় মাস পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো শারীরিক রোগ ছাড়াই অবসাদ অনুভব করেছেন। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের জরিপে ৪৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক জানান, সপ্তাহে কয়েক দিন তারা তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকেন। ২০২২ সালে যুক্তরাজ্যে পরিচালিত এক জরিপে প্রতি আটজনের একজন বলেছেন, তারা সবসময় ক্লান্ত বোধ করেন। পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি ক্লান্তির কথা জানান।

ক্লান্তি ও তন্দ্রার পার্থক্য

চিকিৎসকদের মতে, রোগীরা সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগ করেন তার একটি হলো ক্লান্তি। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা এ সমস্যাকে “টিএটিটি” বা ‘সারাক্ষণ ক্লান্ত’ বলে উল্লেখ করে। তবে বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে বলেন, তন্দ্রা আর ক্লান্তি এক নয়। তন্দ্রা মানে ঘুমিয়ে পড়ার প্রবণতা, আর ক্লান্তি একটি বিস্তৃত অবস্থা, যা শরীর, মন ও আবেগ—সবকিছুকে প্রভাবিত করতে পারে।

শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি

ক্লান্তি কখনও শারীরিক হতে পারে, যেমন ব্যায়ামের পর পেশির অবসাদ। আবার এটি মানসিক ও আবেগজনিতও হতে পারে। এ ধরনের ক্লান্তিতে মনোযোগ কমে যায়, কাজের আগ্রহ হ্রাস পায়, মাথা ঝাপসা লাগে এবং খিটখিটে ভাব দেখা দেয়। আধুনিক মস্তিষ্ক-চিত্রায়ন ও পরীক্ষাগার প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বিজ্ঞানীরা এখন ধীরে ধীরে বুঝতে পারছেন, ক্লান্তি কীভাবে মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে।

রোগের সঙ্গে সম্পর্ক

কিছু গুরুতর অসুস্থতা যেমন ক্যানসার, বিষণ্নতা, দীর্ঘমেয়াদি কোভিড ও মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের সঙ্গে ক্লান্তির সম্পর্ক রয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে বড় কোনো রোগ ছাড়াই মানুষ ক্লান্তি অনুভব করেন। তাই প্রথমেই রক্তপরীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য শারীরিক কারণ খুঁজে দেখা হয়।

থাইরয়েডের সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কিংবা আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি শনাক্ত করতে এসব পরীক্ষা করা হয়। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘাটতি হলে শক্তি কমে যেতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্তিবোধ কেন হয়?

তবে বাস্তবে দেখা যায়, অধিকাংশ রোগীর পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক আসে। তখন জীবনযাপনের বিষয়গুলোই প্রধান কারণ হিসেবে ধরা পড়ে।

জীবনযাপন ও ঘুমের মান

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমের দৈর্ঘ্যের চেয়ে মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় বিছানায় কাটালেও যদি ঘুম বারবার ভেঙে যায় বা গভীর না হয়, তাহলে সকালে সতেজ লাগবে না। গভীর ঘুমের সময় মস্তিষ্ক একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করে। ঘুমের ব্যাঘাত হলে এই প্রক্রিয়া কমে যায়, ফলে ক্লান্তি বাড়তে পারে।

ঘুমের সময়সূচিও গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের স্বাভাবিক জৈবঘড়ির সঙ্গে মিল না থাকলে ঘুমের কার্যকারিতা কমে যায়। এ কারণেই পালা করে কাজ করা কর্মীদের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি দেখা যায়। অনিয়মিত ঘুমে রেম ঘুমের পরিমাণ কমে যায়, যা আবেগ নিয়ন্ত্রণ, স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য জরুরি।

চাপ, ঘুমের ব্যাধি ও অন্যান্য কারণ

মানসিক চাপ ক্লান্তির বড় কারণ। চাপের সময় শরীরে কর্টিসল নামের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা হৃদস্পন্দন ও দেহের তাপমাত্রা বাড়ায়। কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকলে সহজে ঘুম আসে না এবং ঘুম টিকেও না। ফলে মানুষ ক্লান্ত বোধ করলেও বিশ্রাম নিতে পারেন না।

ঘুমের ব্যাধিও অনেক সময় আড়ালে থাকা কারণ। জোরে নাক ডাকা বা ঘুমের সময় শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এতে সারা রাত ঘুম ব্যাহত হয়। সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমিয়েও সকালে চরম ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

এ ছাড়া শরীরে পানিশূন্যতা, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল গ্রহণও ক্লান্তি বাড়ায়। ক্যাফেইন দীর্ঘ সময় শরীরে থেকে ঘুমে প্রভাব ফেলে। অ্যালকোহল দ্রুত ঘুম আনলেও রাতের পরের অংশে ঘুম ভেঙে দেয়।

সমাধানের পথ

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, শক্তি ফিরে পেতে নিয়মিত ও সুষম জীবনযাপন জরুরি। সুষম খাদ্যাভ্যাস, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা—এসবই কার্যকর উপায়। শুনতে সহজ হলেও প্রতিদিন এগুলো মেনে চলাই সবচেয়ে কঠিন।

তবে দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি থাকলে বা অবস্থা খারাপ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে গুরুতর রোগ আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায় এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়া সম্ভব।