লিড: ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সে জি৭ মিত্রদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে বৈঠকের আগে ন্যাটো দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
ইরান ইস্যুতে জি৭ বৈঠক
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ বৈঠকে প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। এই বৈঠকে মার্কো রুবিও অংশ নিয়ে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
ট্রাম্পের ন্যাটো সমালোচনা
বৈঠকের আগেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো দেশগুলোর প্রতি তীব্র সমালোচনা করেন। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় সহযোগিতা না করায় তিনি ন্যাটো সদস্যদের দায়ী করেন। তার এই মন্তব্য জোটের ভেতরে মতবিরোধ আরও স্পষ্ট করে তোলে এবং কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ায়।
মিত্রদের মধ্যে বিভাজন
জি৭ বৈঠকে অংশ নেওয়া দেশগুলোর মধ্যে ইরানকে ঘিরে কৌশলগত অবস্থানে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়। কেউ কঠোর অবস্থানের পক্ষে থাকলেও, কেউ কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন। এই বিভাজন ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নির্ধারণে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রভাব
ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলছে। জ্বালানি বাজার, বাণিজ্য পথ এবং সামরিক ভারসাম্যের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা
এ পরিস্থিতিতে জি৭ দেশগুলো একদিকে যেমন ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে চায়, অন্যদিকে সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগও জোরদার করার চেষ্টা করছে। মার্কো রুবিওর অংশগ্রহণ সেই প্রচেষ্টারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















