১০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি? নেপালের মরদেহ শনাক্ত সংকট: এখনো নিখোঁজ ২,৪২৬ জন; ৫১৭ বিদেশি নাগরিক রাজধানীতে গ্যাস সংকট তীব্র, ৪০-৫০ টাকার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা রংপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা, নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধারে অভিযান ঢাকার যানজট কমাতে ৪ মাসের সময়সীমা, করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার যাবে গাবতলীতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই মানুন ৫টি সহজ অভ্যাস নিজ দলের কর্মীর সঙ্গে বিরোধ, মারধরের পর যুবদল নেতার মৃত্যু একই দিনে মনপুরার ৩ শিশু নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, লড়াই হবে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বন্যায় নিখোঁজ বন্ধু, ভেসে গেল গ্ল্যান্সির পরিচিত গ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ইরানের ১২০ সাংস্কৃতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

ইরানে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির অন্তত ১২০টি জাদুঘর, ঐতিহাসিক ভবন ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্মকর্তারা। এই হামলার ফলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ

তেহরান সিটি কাউন্সিলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিষয়ক কমিটির প্রধান আহমদ আলাভি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন প্রদেশে একাধিক ঐতিহাসিক স্থাপনায় সরাসরি হামলা হয়েছে। তিনি বলেন, অন্তত ১২০টি জাদুঘর, ঐতিহাসিক ভবন ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে এবং এতে গুরুতর কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

যেসব স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে গোলেস্তান প্রাসাদ, সাদাবাদ প্রাসাদ, মার্বেল প্রাসাদ এবং তেইমুরতাশ হাউস, যা যুদ্ধ জাদুঘর নামেও পরিচিত। এসব স্থাপনা ইরানের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।

সংঘাতের প্রেক্ষাপট

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় এবং অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করে। এই চলমান সংঘাত শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঐতিহ্য রক্ষায় শঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে ইরানের বহু প্রাচীন ও মূল্যবান স্থাপনা চিরতরে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি?

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ইরানের ১২০ সাংস্কৃতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

০৬:০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

ইরানে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির অন্তত ১২০টি জাদুঘর, ঐতিহাসিক ভবন ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্মকর্তারা। এই হামলার ফলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ

তেহরান সিটি কাউন্সিলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিষয়ক কমিটির প্রধান আহমদ আলাভি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন প্রদেশে একাধিক ঐতিহাসিক স্থাপনায় সরাসরি হামলা হয়েছে। তিনি বলেন, অন্তত ১২০টি জাদুঘর, ঐতিহাসিক ভবন ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে এবং এতে গুরুতর কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

যেসব স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে গোলেস্তান প্রাসাদ, সাদাবাদ প্রাসাদ, মার্বেল প্রাসাদ এবং তেইমুরতাশ হাউস, যা যুদ্ধ জাদুঘর নামেও পরিচিত। এসব স্থাপনা ইরানের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।

সংঘাতের প্রেক্ষাপট

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় এবং অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করে। এই চলমান সংঘাত শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঐতিহ্য রক্ষায় শঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে ইরানের বহু প্রাচীন ও মূল্যবান স্থাপনা চিরতরে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।