ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, তাদের একাধিক স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলায় ‘উল্লেখযোগ্য বস্তুগত ক্ষতি’ হয়েছে। কুয়েতের দুটি বিদ্যুৎ ও পানি বিশোধন কেন্দ্রও ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। বাহরাইনের গালফ পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজও ইরানি ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। আবুধাবির বোরুজ পেট্রোকেমিক্যাল প্লান্টে তিনটি আগুন লেগেছে।

বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য উদ্বেগ বাড়ছে
উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী কর্মী রয়েছেন। এসব দেশের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ আসে এই দেশগুলো থেকে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এসব দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে, যা সরাসরি প্রবাসী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি সতর্কতা জারির পর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি নিরাপদ ঘোষণা করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীদের ভিসা জটিলতায় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















