০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
হুথি নেতার চোখে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি, তেহরানের জন্য ‘বড় বিজয়’ ডিএসই-সিএসইতে সপ্তাহের শেষ লেনদেনে বড় দরপতন, সূচকে তীব্র পতন চাষাড়ায় সশস্ত্র দুই পক্ষের গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ দুই শিক্ষার্থী তুরাগের বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে আনতে পাঁচ ইউনিটের চেষ্টা লেবানন ঘিরে যুদ্ধবিরতির টানাপোড়েন ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় কমছে বিশ্ব অর্থনীতির গতি: আইএমএফের সতর্কবার্তা বগুড়ায় ‘মাগুরা স্টাইলে’ ভোটের অভিযোগ, ফল দেখেই শেষ সিদ্ধান্ত তেলের লাইনে চালকদের দিনভর দুর্ভোগ আসামে এক দফার ভোটে ব্যাপক সাড়া, সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৮৫.১৩ শতাংশ ভোটের অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী

অসম বনাম কেরল: তরুণ ভোটার, ভাষার বৈচিত্র্য আর রাজনীতির ভিন্ন স্রোত

আজ নতুন বিধানসভা গঠনের জন্য ভোট দিচ্ছে অসম ও কেরল। দুই রাজ্যেই ভোট হচ্ছে, কিন্তু ভোটারদের গঠন, ভাষাগত বাস্তবতা, ভোটদানের প্রবণতা এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ধরনে রয়েছে বড় পার্থক্য। একদিকে অসমে মূল লড়াই বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। অন্যদিকে কেরলে দীর্ঘদিনের মতোই মুখোমুখি বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।

নির্বাচনের আগে এই দুই রাজ্যের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। ভোটের দিনে কয়েকটি সূচক স্পষ্ট করে দেখাচ্ছে, কীভাবে অসম ও কেরল একে অপরের থেকে আলাদা।

কম বয়সী ভোটারে এগিয়ে অসম

ভোটারদের বয়সভিত্তিক বিস্তারিত সরকারি তথ্য সহজলভ্য নয়। জনশুমারির তথ্যও বেশ পুরোনো। তবু সরকারি জনসংখ্যা পূর্বাভাস থেকে ভোটার বয়সের একটা ধারণা পাওয়া যায়। সেই হিসেবে অসমের ভোটারসমাজ কেরলের তুলনায় অনেক বেশি তরুণ।

অসমে ভোটদানের বয়সে থাকা মানুষের প্রায় ৩১ শতাংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে। কেরলে এই হার ২২ শতাংশ। আবার ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী ভোটারদের ক্ষেত্রে চিত্রটি উল্টো। কেরলে এই বয়সী মানুষের হার ২৪ শতাংশ, যেখানে অসমে তা ১৪ শতাংশ।

অর্থাৎ, অসমে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি অনেক বেশি, আর কেরলে অপেক্ষাকৃত বয়স্ক ভোটারের অংশ বড়। এই পার্থক্য নির্বাচনী প্রচার, ইস্যু এবং দলগুলোর কৌশলেও প্রভাব ফেলতে পারে।

HTNumberTheory | Younger, polarised: How Assam differs from Kerala | Number  Theory All of Assam and Kerala will vote to elect a new assembly today. In  Assam, the primary contest is between

 

ভোটদানে গত এক দশকে বদলে গেছে অসম

১৯৯১ সাল থেকে অসম ও কেরল প্রায় একই নির্বাচনী চক্রে ভোট দিয়ে আসছে। ২০১১ সাল পর্যন্ত দুই রাজ্যের ভোটদানের হারও মোটামুটি কাছাকাছি ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালের পর থেকে অসমে একটি বড় পরিবর্তন দেখা যায়।

অসমে ভোটদানের হার বেড়ে ২০১৬ এবং ২০২১—দুই নির্বাচনেই ৮০ শতাংশের ওপরে উঠে যায়। কেরলেও ভোটদানের হার ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী, তবে অসমে সাম্প্রতিক এই উত্থান বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো।

এবারের নির্বাচনে ভোটের হার হঠাৎ পরিসংখ্যানগতভাবে অনেক লাফ দেবে, এমন সম্ভাবনা কম বলেই ইঙ্গিত মিলছে। কারণ, বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ায় দুই রাজ্যেই ভোটার তালিকা থেকে বড় ধরনের নাম বাদ পড়েনি। ফলে ভোটের শতাংশে অস্বাভাবিক উল্লম্ফনের সুযোগও তুলনামূলক কম।

ভাষার বৈচিত্র্যে দুই প্রান্তে দুই রাজ্য

ধর্মীয় বৈচিত্র্যের কথা প্রায়ই আলোচনায় আসে, কিন্তু ভাষাগত বৈচিত্র্যের দিক থেকে অসম ও কেরল যে প্রায় দুই বিপরীত প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, তা অনেক সময় যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না।

অসমে বড় একটি অংশ বাংলা ভাষায় কথা বলে, যার হার প্রায় ২৯ শতাংশ। একই সঙ্গে অসমিয়া ভাষাভাষী মানুষের হার ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এর বাইরে আরও বহু আদিবাসী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী আছে, যাদের নিজস্ব মাতৃভাষা রয়েছে। ফলে অসম একটি বহুভাষিক সমাজের প্রতিচ্ছবি।

কেরলে চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে ৯৭ শতাংশ মানুষ মালয়ালম ভাষায় কথা বলে। মাতৃভাষার বিচারে কেরল দেশের সবচেয়ে বেশি সমজাতীয় রাজ্যগুলোর একটি। অর্থাৎ ভাষাগত একরূপতা কেরলের সমাজকে অনেক বেশি সংহত করেছে, যেখানে অসমের সমাজ ভাষাগতভাবে অনেক বেশি বহুমাত্রিক।

HTNumberTheory | Younger, polarised: How Assam differs from Kerala | Number  Theory All of Assam and Kerala will vote to elect a new assembly today. In  Assam, the primary contest is between

 

রাজনৈতিক মেরুকরণে বদলেছে অসম

কেরলের রাজনীতি বহুদিন ধরেই মূলত দুই জোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে আবর্তিত। বামফ্রন্ট বনাম কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট—এই দ্বিমুখী প্রতিযোগিতা সেখানে দীর্ঘদিনের বাস্তবতা।

কিন্তু অসমে বিজেপি বনাম কংগ্রেসের সরাসরি লড়াই তুলনামূলক নতুন। গত এক দশকে সেখানে রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্টভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরনেও।

এই পরিবর্তন বোঝাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো নির্বাচনী অংশগ্রহণকারীর কার্যকর সংখ্যা। সহজ ভাষায়, কোনো আসনে ভোট কতটা বিভিন্ন প্রার্থীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে, তা বোঝাতে এই হিসাব ব্যবহার করা হয়। এই মান যত বেশি, তত বোঝায় ভোটের সমর্থন বেশি খণ্ডিত। আর মান কমে গেলে বোঝা যায়, প্রতিযোগিতা সীমিত হয়ে দুই বা অল্প কয়েকটি শক্তির দিকে ঝুঁকছে।

অসমে এই সূচকের মধ্যমান সাম্প্রতিক সময়ে কমেছে এবং ২০২১ সালের নির্বাচনে তা কেরলেরও নিচে নেমে যায়। অর্থাৎ, সেখানে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি কেন্দ্রীভূত এবং দুই মেরুর দিকে সরে গেছে।

Younger, polarised: How Assam differs from Kerala | Number Theory |  Hindustan Times

দুই রাজ্য, দুই রাজনৈতিক বাস্তবতা

একই দিনে ভোট হলেও অসম ও কেরলের রাজনৈতিক বাস্তবতা এক নয়। অসমে তরুণ ভোটার বেশি, ভাষাগত বৈচিত্র্য গভীর, আর রাজনীতি ক্রমেই বেশি মেরুকৃত। কেরলে ভোটারদের বয়স তুলনামূলক বেশি, ভাষাগত একরূপতা প্রবল, এবং রাজনীতির দ্বিমুখী কাঠামো দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা।

ফলে এই দুই রাজ্যের নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং ভারতীয় গণতন্ত্রের ভেতরে থাকা ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক স্রোতেরও প্রতিফলন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হুথি নেতার চোখে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি, তেহরানের জন্য ‘বড় বিজয়’

অসম বনাম কেরল: তরুণ ভোটার, ভাষার বৈচিত্র্য আর রাজনীতির ভিন্ন স্রোত

০৭:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আজ নতুন বিধানসভা গঠনের জন্য ভোট দিচ্ছে অসম ও কেরল। দুই রাজ্যেই ভোট হচ্ছে, কিন্তু ভোটারদের গঠন, ভাষাগত বাস্তবতা, ভোটদানের প্রবণতা এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ধরনে রয়েছে বড় পার্থক্য। একদিকে অসমে মূল লড়াই বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। অন্যদিকে কেরলে দীর্ঘদিনের মতোই মুখোমুখি বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।

নির্বাচনের আগে এই দুই রাজ্যের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। ভোটের দিনে কয়েকটি সূচক স্পষ্ট করে দেখাচ্ছে, কীভাবে অসম ও কেরল একে অপরের থেকে আলাদা।

কম বয়সী ভোটারে এগিয়ে অসম

ভোটারদের বয়সভিত্তিক বিস্তারিত সরকারি তথ্য সহজলভ্য নয়। জনশুমারির তথ্যও বেশ পুরোনো। তবু সরকারি জনসংখ্যা পূর্বাভাস থেকে ভোটার বয়সের একটা ধারণা পাওয়া যায়। সেই হিসেবে অসমের ভোটারসমাজ কেরলের তুলনায় অনেক বেশি তরুণ।

অসমে ভোটদানের বয়সে থাকা মানুষের প্রায় ৩১ শতাংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে। কেরলে এই হার ২২ শতাংশ। আবার ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী ভোটারদের ক্ষেত্রে চিত্রটি উল্টো। কেরলে এই বয়সী মানুষের হার ২৪ শতাংশ, যেখানে অসমে তা ১৪ শতাংশ।

অর্থাৎ, অসমে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি অনেক বেশি, আর কেরলে অপেক্ষাকৃত বয়স্ক ভোটারের অংশ বড়। এই পার্থক্য নির্বাচনী প্রচার, ইস্যু এবং দলগুলোর কৌশলেও প্রভাব ফেলতে পারে।

HTNumberTheory | Younger, polarised: How Assam differs from Kerala | Number  Theory All of Assam and Kerala will vote to elect a new assembly today. In  Assam, the primary contest is between

 

ভোটদানে গত এক দশকে বদলে গেছে অসম

১৯৯১ সাল থেকে অসম ও কেরল প্রায় একই নির্বাচনী চক্রে ভোট দিয়ে আসছে। ২০১১ সাল পর্যন্ত দুই রাজ্যের ভোটদানের হারও মোটামুটি কাছাকাছি ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালের পর থেকে অসমে একটি বড় পরিবর্তন দেখা যায়।

অসমে ভোটদানের হার বেড়ে ২০১৬ এবং ২০২১—দুই নির্বাচনেই ৮০ শতাংশের ওপরে উঠে যায়। কেরলেও ভোটদানের হার ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী, তবে অসমে সাম্প্রতিক এই উত্থান বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো।

এবারের নির্বাচনে ভোটের হার হঠাৎ পরিসংখ্যানগতভাবে অনেক লাফ দেবে, এমন সম্ভাবনা কম বলেই ইঙ্গিত মিলছে। কারণ, বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ায় দুই রাজ্যেই ভোটার তালিকা থেকে বড় ধরনের নাম বাদ পড়েনি। ফলে ভোটের শতাংশে অস্বাভাবিক উল্লম্ফনের সুযোগও তুলনামূলক কম।

ভাষার বৈচিত্র্যে দুই প্রান্তে দুই রাজ্য

ধর্মীয় বৈচিত্র্যের কথা প্রায়ই আলোচনায় আসে, কিন্তু ভাষাগত বৈচিত্র্যের দিক থেকে অসম ও কেরল যে প্রায় দুই বিপরীত প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, তা অনেক সময় যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না।

অসমে বড় একটি অংশ বাংলা ভাষায় কথা বলে, যার হার প্রায় ২৯ শতাংশ। একই সঙ্গে অসমিয়া ভাষাভাষী মানুষের হার ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এর বাইরে আরও বহু আদিবাসী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী আছে, যাদের নিজস্ব মাতৃভাষা রয়েছে। ফলে অসম একটি বহুভাষিক সমাজের প্রতিচ্ছবি।

কেরলে চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে ৯৭ শতাংশ মানুষ মালয়ালম ভাষায় কথা বলে। মাতৃভাষার বিচারে কেরল দেশের সবচেয়ে বেশি সমজাতীয় রাজ্যগুলোর একটি। অর্থাৎ ভাষাগত একরূপতা কেরলের সমাজকে অনেক বেশি সংহত করেছে, যেখানে অসমের সমাজ ভাষাগতভাবে অনেক বেশি বহুমাত্রিক।

HTNumberTheory | Younger, polarised: How Assam differs from Kerala | Number  Theory All of Assam and Kerala will vote to elect a new assembly today. In  Assam, the primary contest is between

 

রাজনৈতিক মেরুকরণে বদলেছে অসম

কেরলের রাজনীতি বহুদিন ধরেই মূলত দুই জোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে আবর্তিত। বামফ্রন্ট বনাম কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট—এই দ্বিমুখী প্রতিযোগিতা সেখানে দীর্ঘদিনের বাস্তবতা।

কিন্তু অসমে বিজেপি বনাম কংগ্রেসের সরাসরি লড়াই তুলনামূলক নতুন। গত এক দশকে সেখানে রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্টভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরনেও।

এই পরিবর্তন বোঝাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো নির্বাচনী অংশগ্রহণকারীর কার্যকর সংখ্যা। সহজ ভাষায়, কোনো আসনে ভোট কতটা বিভিন্ন প্রার্থীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে, তা বোঝাতে এই হিসাব ব্যবহার করা হয়। এই মান যত বেশি, তত বোঝায় ভোটের সমর্থন বেশি খণ্ডিত। আর মান কমে গেলে বোঝা যায়, প্রতিযোগিতা সীমিত হয়ে দুই বা অল্প কয়েকটি শক্তির দিকে ঝুঁকছে।

অসমে এই সূচকের মধ্যমান সাম্প্রতিক সময়ে কমেছে এবং ২০২১ সালের নির্বাচনে তা কেরলেরও নিচে নেমে যায়। অর্থাৎ, সেখানে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি কেন্দ্রীভূত এবং দুই মেরুর দিকে সরে গেছে।

Younger, polarised: How Assam differs from Kerala | Number Theory |  Hindustan Times

দুই রাজ্য, দুই রাজনৈতিক বাস্তবতা

একই দিনে ভোট হলেও অসম ও কেরলের রাজনৈতিক বাস্তবতা এক নয়। অসমে তরুণ ভোটার বেশি, ভাষাগত বৈচিত্র্য গভীর, আর রাজনীতি ক্রমেই বেশি মেরুকৃত। কেরলে ভোটারদের বয়স তুলনামূলক বেশি, ভাষাগত একরূপতা প্রবল, এবং রাজনীতির দ্বিমুখী কাঠামো দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা।

ফলে এই দুই রাজ্যের নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং ভারতীয় গণতন্ত্রের ভেতরে থাকা ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক স্রোতেরও প্রতিফলন।