০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা এসকর্ট কার্যক্রম স্থগিত শি: বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের বিআরআই সহযোগিতায় প্রস্তুত চীন গুদগুদিতে হাসে মানুষ ও বনমানুষ, মিলল হাসির বিবর্তনের ছন্দময় সূত্র ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড জনজীবন, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা বাগেরহাটে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার: দুই মাসে হাসপাতালে ২০০-এর বেশি রোগী, রেড জোন ঘোষণা শেষ মুহূর্তের গোলে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাল তুরস্ক, তবু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মার্কিনিরাই ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি নতুন এশিয়ার ভ্রমণ মানচিত্র: বালির গল্পে দেখা যাচ্ছে আঞ্চলিক অর্থনীতির নতুন শক্তি বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ

তেলের লাইনে চালকদের দিনভর দুর্ভোগ

রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না অনেক চালক। কেউ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরছেন, কেউ আবার গাড়ি বা মোটরসাইকেল ফেলে নড়তেও পারছেন না।

তেজগাঁওয়ের একটি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে। তাদের অভিযোগ, তেলবাহী লরি না আসায় সরবরাহ বন্ধ থাকলেও লাইনে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। অনেকেই না জেনেই দীর্ঘ লাইনের শেষে দাঁড়িয়ে পড়ছেন।

দেশে ফেরার অপেক্ষায় স্থলবন্দরে শত শত মানুষ

ব্যক্তিগত গাড়ির চালকরা বলছেন, মালিকের গাড়ি রেখে খাবার খেতে বা অন্য কাজে যাওয়া ঝুঁকির। অন্যদিকে মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ আরও বেশি, কারণ খোলা আকাশের নিচে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই অফিস বা পড়াশোনা থেকে ছুটি নিয়েও শেষ পর্যন্ত তেল পাননি।

চালকদের ভাষায়, এই সংকট শুধু জ্বালানির নয়, সময়, কাজ আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকেও অচল করে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা এসকর্ট কার্যক্রম স্থগিত

তেলের লাইনে চালকদের দিনভর দুর্ভোগ

০৮:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না অনেক চালক। কেউ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরছেন, কেউ আবার গাড়ি বা মোটরসাইকেল ফেলে নড়তেও পারছেন না।

তেজগাঁওয়ের একটি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে। তাদের অভিযোগ, তেলবাহী লরি না আসায় সরবরাহ বন্ধ থাকলেও লাইনে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। অনেকেই না জেনেই দীর্ঘ লাইনের শেষে দাঁড়িয়ে পড়ছেন।

দেশে ফেরার অপেক্ষায় স্থলবন্দরে শত শত মানুষ

ব্যক্তিগত গাড়ির চালকরা বলছেন, মালিকের গাড়ি রেখে খাবার খেতে বা অন্য কাজে যাওয়া ঝুঁকির। অন্যদিকে মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ আরও বেশি, কারণ খোলা আকাশের নিচে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই অফিস বা পড়াশোনা থেকে ছুটি নিয়েও শেষ পর্যন্ত তেল পাননি।

চালকদের ভাষায়, এই সংকট শুধু জ্বালানির নয়, সময়, কাজ আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকেও অচল করে দিচ্ছে।