০৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ট্রাম্পের প্রতি ইউরোপের বদলে যাওয়া মনোভাব, ভেঙে পড়ছে পুরোনো নির্ভরতা ইরান যুদ্ধ: সাম্রাজ্য পতনের ইঙ্গিত নয়, বরং পুরোনো নীতির পুনরাবৃত্তি চীনে যাচ্ছে ডিসিসিআই প্রতিনিধিদল, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদারে নতুন উদ্যোগ গোয়েন্দা কনানের বিস্ময়কর সাফল্য: ছোট্ট গোয়েন্দা থেকে বিশ্বজোড়া বক্স অফিস জাদু বই ‘রেভোলুসি’ ফিরে এল নিজভূমিতে: তরুণ প্রজন্ম, স্মৃতি ও বান্দুংয়ের চেতনা নিয়ে ডেভিড ভ্যান রেইব্রুক মার্কিন অবরোধ, উত্তেজনা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা: ইরানকে ঘিরে নতুন সংঘাতের বিস্তার সীমা পুনর্নির্ধারণ, জাতিগত গণনা ও সংরক্ষণ বিল ঘিরে বিরোধীদের আপত্তি; ১৫ এপ্রিলের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভোট দিয়েছি, তবু ‘সন্দেহভাজন’ ভোটার কেন? ২৫০ আসনে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস রাহুলের প্রত্যাবর্তন, প্রিয়াঙ্কাও পথে—পশ্চিমবঙ্গ ভোটে কংগ্রেসের নতুন জোর

আবাসন বাজার স্থবির, ধাক্কায় টিকে থাকতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্রের ফার্নিচার ব্যবসা

যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন বাজারের স্থবিরতা বড় আঘাত হেনেছে ফার্নিচার খাতে। নতুন বাড়ি কেনাবেচা কমে যাওয়ায় কমেছে আসবাবপত্রের চাহিদা, যার ফলে একের পর এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা দেউলিয়া হচ্ছে।

বিক্রি কমে ধস নামছে ব্যবসায়

উচ্চ সুদের হার ও বাড়ির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই নতুন বাড়ি কিনতে পারছেন না। ফলে নতুন ঘর সাজানোর প্রয়োজনও কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ফার্নিচার ব্যবসায়।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফার্নিচার বিক্রি প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। চলতি বছরের শুরুতেও বিক্রি ছিল নিম্নমুখী, যা ব্যবসায়ীদের জন্য উদ্বেগজনক সংকেত।

একের পর এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ

বাজারের এই মন্দার কারণে বহু প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক ব্যবসা সার্কেল ফার্নিচার হঠাৎ করেই তাদের সব শাখা বন্ধ করে সম্পদ বিক্রি শুরু করেছে।

এছাড়া বড় বড় চেইনও এই ধাক্কা সামলাতে পারেনি। শত শত শোরুম বন্ধ করে দিয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ছোট ব্যবসাগুলো আরও বেশি চাপে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে হাঁটছে।

বাড়তি চাপ: মূল্যস্ফীতি ও শুল্ক

মুদ্রাস্ফীতি ও নতুন শুল্ক আরোপ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। আমদানিকৃত ফার্নিচারের ওপর শুল্ক বাড়ানোয় উৎপাদন খরচ বেড়েছে, যা বাজারে দামের ওপর প্রভাব ফেলছে।

অন্যদিকে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও দৈনন্দিন খরচ বাড়ায় ক্রেতারা বড় ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পিছিয়ে যাচ্ছেন। ফলে ফার্নিচারের মতো ব্যয়বহুল পণ্যের চাহিদা আরও কমে যাচ্ছে।

America's furniture stores struggle amid frozen housing market

বড় কোম্পানি টিকে থাকলেও ছোটরা সংকটে

বড় খুচরা বিক্রেতারা সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করে এবং নতুন কৌশল নিয়ে বাজারে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। তবে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলোর জন্য পরিস্থিতি অনেক বেশি কঠিন।

ফলে বাজারে একটি বিভাজন তৈরি হয়েছে—যেখানে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার দখলের লড়াইয়ে নামছে, আর ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকার সংগ্রামে ব্যস্ত।

সামনে কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবাসন বাজারে গতি না ফিরলে ফার্নিচার খাতের এই সংকট দ্রুত কাটার সম্ভাবনা কম। তবে কিছু বড় প্রতিষ্ঠান আশাবাদী, ধীরে ধীরে ক্রেতারা আবার বাজারে ফিরবেন।

এই পরিস্থিতিতে ফার্নিচার শিল্প এখন একটি কঠিন সময় পার করছে, যেখানে টিকে থাকা ও পুনরুদ্ধার—দুটিই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফার্নিচার বাজার সংকট

আবাসন বাজার স্থবির হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে ফার্নিচার খাতে বিক্রি কমে গেছে, একের পর এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে।

আবাসন বাজারের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্নিচার খাতে বড় সংকট। কেন কমছে বিক্রি, কেন বন্ধ হচ্ছে দোকান—জানুন বিস্তারিত বিশ্লেষণে।

#ফার্নিচারবাজার #যুক্তরাষ্ট্র #অর্থনীতি #আবাসনবাজার #দেউলিয়াত্ব #ব্যবসা #GlobalEconomy #Retail #HousingMarket

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের প্রতি ইউরোপের বদলে যাওয়া মনোভাব, ভেঙে পড়ছে পুরোনো নির্ভরতা

আবাসন বাজার স্থবির, ধাক্কায় টিকে থাকতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্রের ফার্নিচার ব্যবসা

০৫:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন বাজারের স্থবিরতা বড় আঘাত হেনেছে ফার্নিচার খাতে। নতুন বাড়ি কেনাবেচা কমে যাওয়ায় কমেছে আসবাবপত্রের চাহিদা, যার ফলে একের পর এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা দেউলিয়া হচ্ছে।

বিক্রি কমে ধস নামছে ব্যবসায়

উচ্চ সুদের হার ও বাড়ির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই নতুন বাড়ি কিনতে পারছেন না। ফলে নতুন ঘর সাজানোর প্রয়োজনও কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ফার্নিচার ব্যবসায়।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফার্নিচার বিক্রি প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। চলতি বছরের শুরুতেও বিক্রি ছিল নিম্নমুখী, যা ব্যবসায়ীদের জন্য উদ্বেগজনক সংকেত।

একের পর এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ

বাজারের এই মন্দার কারণে বহু প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক ব্যবসা সার্কেল ফার্নিচার হঠাৎ করেই তাদের সব শাখা বন্ধ করে সম্পদ বিক্রি শুরু করেছে।

এছাড়া বড় বড় চেইনও এই ধাক্কা সামলাতে পারেনি। শত শত শোরুম বন্ধ করে দিয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ছোট ব্যবসাগুলো আরও বেশি চাপে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে হাঁটছে।

বাড়তি চাপ: মূল্যস্ফীতি ও শুল্ক

মুদ্রাস্ফীতি ও নতুন শুল্ক আরোপ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। আমদানিকৃত ফার্নিচারের ওপর শুল্ক বাড়ানোয় উৎপাদন খরচ বেড়েছে, যা বাজারে দামের ওপর প্রভাব ফেলছে।

অন্যদিকে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও দৈনন্দিন খরচ বাড়ায় ক্রেতারা বড় ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পিছিয়ে যাচ্ছেন। ফলে ফার্নিচারের মতো ব্যয়বহুল পণ্যের চাহিদা আরও কমে যাচ্ছে।

America's furniture stores struggle amid frozen housing market

বড় কোম্পানি টিকে থাকলেও ছোটরা সংকটে

বড় খুচরা বিক্রেতারা সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করে এবং নতুন কৌশল নিয়ে বাজারে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। তবে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলোর জন্য পরিস্থিতি অনেক বেশি কঠিন।

ফলে বাজারে একটি বিভাজন তৈরি হয়েছে—যেখানে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার দখলের লড়াইয়ে নামছে, আর ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকার সংগ্রামে ব্যস্ত।

সামনে কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবাসন বাজারে গতি না ফিরলে ফার্নিচার খাতের এই সংকট দ্রুত কাটার সম্ভাবনা কম। তবে কিছু বড় প্রতিষ্ঠান আশাবাদী, ধীরে ধীরে ক্রেতারা আবার বাজারে ফিরবেন।

এই পরিস্থিতিতে ফার্নিচার শিল্প এখন একটি কঠিন সময় পার করছে, যেখানে টিকে থাকা ও পুনরুদ্ধার—দুটিই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফার্নিচার বাজার সংকট

আবাসন বাজার স্থবির হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে ফার্নিচার খাতে বিক্রি কমে গেছে, একের পর এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে।

আবাসন বাজারের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্নিচার খাতে বড় সংকট। কেন কমছে বিক্রি, কেন বন্ধ হচ্ছে দোকান—জানুন বিস্তারিত বিশ্লেষণে।

#ফার্নিচারবাজার #যুক্তরাষ্ট্র #অর্থনীতি #আবাসনবাজার #দেউলিয়াত্ব #ব্যবসা #GlobalEconomy #Retail #HousingMarket