ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তো এক বিরল কূটনৈতিক অভিযানে দুটি পরস্পরবিরোধী পরাশক্তির সাথে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৈঠক করেছেন। সোমবার মস্কোতে পুতিনের সাথে পাঁচ ঘণ্টার বৈঠকের পর মঙ্গলবার তিনি প্যারিসে ম্যাক্রোঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
পুতিনের সাথে কী আলোচনা হলো
ক্রেমলিনে পুতিনের সাথে বৈঠকে জ্বালানি, খনিজ সম্পদ এবং জাতীয় শিল্পের উন্নয়নে কৌশলগত অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ম্যাক্রোঁর সাথে কেন সাক্ষাৎ
ম্যাক্রোঁর সাথে বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে “কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধি” নিয়ে আলোচনার কথা জানানো হয়েছে। এটি ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক “মুক্ত ও সক্রিয়” পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন, যেখানে দেশটি কোনো জোটে না জড়িয়ে সব পক্ষের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে।

বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বর
ইরান যুদ্ধ ও ইউক্রেন সংকটের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার এই ভারসাম্যনীতি অনেক উন্নয়নশীল দেশের জন্য অনুকরণীয়। বাংলাদেশও অনুরূপ নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করার চেষ্টা করছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















