১১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
নিষেধাজ্ঞার যুগে ইরানের তেল সিনারের বিদায়ে ফরাসি ওপেনে বড় অঘটন, প্রচণ্ড গরমে হার মানলেন বিশ্ব এক নম্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হলো শতাধিক গরুর চামড়া, বিপাকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ট্রাম্প-ইরান চুক্তি অনিশ্চিত, সিদ্ধান্তহীন বৈঠক সিলেটে হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮ ভারতে ১৭ মাস কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৩৬ বাংলাদেশি যুবক ঝিনাইদহে মোটরসাইকেলের হর্ন নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের ভারত সফর, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন প্রত্যাশা গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ কোরবানির ঈদ ঘিরে সীমান্তে কড়া নজরদারি, চামড়া পাচার ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক বিজিবি

নদীতে ফেলে দেওয়া হলো শতাধিক গরুর চামড়া, বিপাকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়া কিনে বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছেন স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং ক্রেতার অভাবে শেষ পর্যন্ত শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন দুই ব্যবসায়ী।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে উপজেলার মোমারিজপুর গ্রামের কাটাখালি নদীতে এসব চামড়া ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ক্রেতাহীন চামড়ার বোঝা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করে বিক্রির আশায় ব্যবসা শুরু করেছিলেন মোমারিজপুর গ্রামের খুরশিদ আলম ও দিদারুল আলম। তবে চামড়া সংগ্রহের পর তারা কোনো পাইকারি ক্রেতা বা বেপারির কাছে সেগুলো বিক্রি করতে পারেননি।

চামড়ার বাজারে চাহিদা ও দাম কমে যাওয়ায় সংগ্রহ করা চামড়াগুলো দীর্ঘ সময় ধরে অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে ছিল। ফলে সংরক্ষণ ও পরিবহনের খরচ বাড়তে থাকায় তারা আরও বিপাকে পড়েন।

শেষ পর্যন্ত নদীতে ফেলে দেওয়া

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে চামড়াগুলো বিক্রির কোনো সুযোগ না দেখে ব্যবসায়ীরা সেগুলো ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার দুপুরে কাটাখালি নদীতে শতাধিক গরুর চামড়া ফেলে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের মতে, কোরবানির মৌসুমে চামড়া ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অনেক ক্ষুদ্র ও মৌসুমী ব্যবসায়ী প্রতিবছরই বাজারের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। তবে এভাবে বিপুল পরিমাণ চামড়া নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা বিরল।

ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

চামড়া বিক্রি করতে না পারায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তারা আশা করেছিলেন সংগ্রহ করা চামড়া বিক্রি করে কিছু লাভ করতে পারবেন। কিন্তু বাজারে ক্রেতার অভাব এবং কম দামের কারণে সেই আশা পূরণ হয়নি।

স্থানীয়ভাবে এ ঘটনা চামড়া খাতের বিদ্যমান সংকটকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের জন্য বাজার ব্যবস্থাপনা ও ক্রেতা সংকট বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নদীতে ফেলে দেওয়া শতাধিক গরুর চামড়া নিয়ে ফেনীর দাগনভূঞা এলাকায় এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, উপযুক্ত বাজার ও ক্রেতা না থাকায় তারা বাধ্য হয়েই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ফেনীতে চামড়া সংকট

ফেনীর দাগনভূঞায় ক্রেতার অভাবে শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী।

ফেনীতে চামড়া বাজারে চরম সংকট। ক্রেতার অভাবে দাগনভূঞায় শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী। বিস্তারিত পড়ুন।

ফেনীর চামড়া সংকট

ফেনীতে চামড়া ব্যবসার সংকট নতুন করে আলোচনায়। দাগনভূঞায় বিক্রি না হওয়ায় শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী। পুরো খবর পড়ুন।

#ফেনী #দাগনভূঞা #চামড়া #চামড়াব্যবসা #কোরবানি #গরুরচামড়া #বাংলাদেশ #স্থানীয়খবর #সারাক্ষণ_রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

নিষেধাজ্ঞার যুগে ইরানের তেল

নদীতে ফেলে দেওয়া হলো শতাধিক গরুর চামড়া, বিপাকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা

১০:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়া কিনে বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছেন স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং ক্রেতার অভাবে শেষ পর্যন্ত শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন দুই ব্যবসায়ী।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে উপজেলার মোমারিজপুর গ্রামের কাটাখালি নদীতে এসব চামড়া ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ক্রেতাহীন চামড়ার বোঝা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করে বিক্রির আশায় ব্যবসা শুরু করেছিলেন মোমারিজপুর গ্রামের খুরশিদ আলম ও দিদারুল আলম। তবে চামড়া সংগ্রহের পর তারা কোনো পাইকারি ক্রেতা বা বেপারির কাছে সেগুলো বিক্রি করতে পারেননি।

চামড়ার বাজারে চাহিদা ও দাম কমে যাওয়ায় সংগ্রহ করা চামড়াগুলো দীর্ঘ সময় ধরে অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে ছিল। ফলে সংরক্ষণ ও পরিবহনের খরচ বাড়তে থাকায় তারা আরও বিপাকে পড়েন।

শেষ পর্যন্ত নদীতে ফেলে দেওয়া

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে চামড়াগুলো বিক্রির কোনো সুযোগ না দেখে ব্যবসায়ীরা সেগুলো ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার দুপুরে কাটাখালি নদীতে শতাধিক গরুর চামড়া ফেলে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের মতে, কোরবানির মৌসুমে চামড়া ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অনেক ক্ষুদ্র ও মৌসুমী ব্যবসায়ী প্রতিবছরই বাজারের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। তবে এভাবে বিপুল পরিমাণ চামড়া নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা বিরল।

ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

চামড়া বিক্রি করতে না পারায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তারা আশা করেছিলেন সংগ্রহ করা চামড়া বিক্রি করে কিছু লাভ করতে পারবেন। কিন্তু বাজারে ক্রেতার অভাব এবং কম দামের কারণে সেই আশা পূরণ হয়নি।

স্থানীয়ভাবে এ ঘটনা চামড়া খাতের বিদ্যমান সংকটকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের জন্য বাজার ব্যবস্থাপনা ও ক্রেতা সংকট বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নদীতে ফেলে দেওয়া শতাধিক গরুর চামড়া নিয়ে ফেনীর দাগনভূঞা এলাকায় এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, উপযুক্ত বাজার ও ক্রেতা না থাকায় তারা বাধ্য হয়েই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ফেনীতে চামড়া সংকট

ফেনীর দাগনভূঞায় ক্রেতার অভাবে শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী।

ফেনীতে চামড়া বাজারে চরম সংকট। ক্রেতার অভাবে দাগনভূঞায় শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী। বিস্তারিত পড়ুন।

ফেনীর চামড়া সংকট

ফেনীতে চামড়া ব্যবসার সংকট নতুন করে আলোচনায়। দাগনভূঞায় বিক্রি না হওয়ায় শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী। পুরো খবর পড়ুন।

#ফেনী #দাগনভূঞা #চামড়া #চামড়াব্যবসা #কোরবানি #গরুরচামড়া #বাংলাদেশ #স্থানীয়খবর #সারাক্ষণ_রিপোর্ট