০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে ট্রাম্পের মানচিত্রে ‘মার্কিন’ আইসল্যান্ড, ক্ষুব্ধ রেইকিয়াভিক তলব করল মার্কিন রাষ্ট্রদূত এনভিডিয়া–হাগিং ফেস চুক্তিতে বদলে যেতে পারে প্রতিষ্ঠানের এআই কৌশল মেয়ের জন্মের স্মৃতি ধরে রাখতে টেলর সুইফটের প্রিয় গয়না-শিল্পীর অনন্য আংটি ১০–৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিল, আপত্তি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মিসরের সামনে যোগ দেওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন কাঁচা সবুজ টমেটো সংরক্ষণ করুন শীতের জন্য, সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর আমেরিকার ২৫০ বছরে নেব্রাস্কা: ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংগ্রহের গল্প

হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ

হরমুজ প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। সাময়িক সমঝোতার পরও দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

জ্বালানি পরিবহন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এখন নতুন অনিশ্চয়তার মুখে। যুক্তরাষ্ট্র চায় এই পথ পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকুক, অন্যদিকে ইরান নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে রেখে অবস্থান শক্ত করছে।

সমঝোতার পরও কেন বাড়ছে সংঘাত

সাম্প্রতিক সমঝোতায় ধারণা করা হয়েছিল, যুদ্ধ পরিস্থিতি কমবে এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে। কিন্তু এর পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে আবার হামলা শুরু হয়।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়, আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। যদিও দুই পক্ষই এখন পর্যন্ত বড় ধরনের সর্বাত্মক যুদ্ধে যেতে চাইছে না, তবুও চলমান উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

হরমুজ প্রণালী কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। প্রণালীতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলে জাহাজ মালিকরা ঝুঁকি নিতে চান না। এর ফলে তেল পরিবহন কমে যায় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হয়।

US or Iran — Who needs a new truce deal more?

বর্তমানে জাহাজ চলাচল আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বিকল্প পথ ও অতিরিক্ত সতর্কতার দিকে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, ইরানের অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, চাপ বাড়ালে ইরান হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিকভাবে চালু করতে বাধ্য হবে। তবে সামরিক হামলা চালিয়ে এই নৌপথ পুরোপুরি খুলে দেওয়া সহজ নয়।

ইরানের কাছেও প্রণালী বন্ধ রাখা দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক নয়। কারণ জ্বালানি রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশটির ওপর আরও চাপ তৈরি হবে।

সমাধানের পথ এখনো অনিশ্চিত

দুই পক্ষের কাছেই সামরিক পথের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় আকারের অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ, আর ইরানের জন্য দীর্ঘদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখা অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শেষ পর্যন্ত আলোচনার পথেই সমাধান খুঁজতে হবে। কারণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে শুধু একটি দেশের নয়, পুরো বিশ্বের জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে

হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ

০৫:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

হরমুজ প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। সাময়িক সমঝোতার পরও দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

জ্বালানি পরিবহন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এখন নতুন অনিশ্চয়তার মুখে। যুক্তরাষ্ট্র চায় এই পথ পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকুক, অন্যদিকে ইরান নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে রেখে অবস্থান শক্ত করছে।

সমঝোতার পরও কেন বাড়ছে সংঘাত

সাম্প্রতিক সমঝোতায় ধারণা করা হয়েছিল, যুদ্ধ পরিস্থিতি কমবে এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে। কিন্তু এর পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে আবার হামলা শুরু হয়।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়, আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। যদিও দুই পক্ষই এখন পর্যন্ত বড় ধরনের সর্বাত্মক যুদ্ধে যেতে চাইছে না, তবুও চলমান উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

হরমুজ প্রণালী কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। প্রণালীতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলে জাহাজ মালিকরা ঝুঁকি নিতে চান না। এর ফলে তেল পরিবহন কমে যায় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হয়।

US or Iran — Who needs a new truce deal more?

বর্তমানে জাহাজ চলাচল আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বিকল্প পথ ও অতিরিক্ত সতর্কতার দিকে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, ইরানের অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, চাপ বাড়ালে ইরান হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিকভাবে চালু করতে বাধ্য হবে। তবে সামরিক হামলা চালিয়ে এই নৌপথ পুরোপুরি খুলে দেওয়া সহজ নয়।

ইরানের কাছেও প্রণালী বন্ধ রাখা দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক নয়। কারণ জ্বালানি রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশটির ওপর আরও চাপ তৈরি হবে।

সমাধানের পথ এখনো অনিশ্চিত

দুই পক্ষের কাছেই সামরিক পথের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় আকারের অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ, আর ইরানের জন্য দীর্ঘদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখা অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শেষ পর্যন্ত আলোচনার পথেই সমাধান খুঁজতে হবে। কারণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে শুধু একটি দেশের নয়, পুরো বিশ্বের জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বে।