০৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
নারী কণ্ঠের শক্তি হয়ে উঠেছেন ড্রু আফুয়ালো, অনলাইনে ঘৃণার জবাব দিচ্ছেন সাহসে অলিভিয়া ওয়াইল্ডের নতুন সিনেমা: ভাঙা সম্পর্কের কষ্ট থেকে তৈরি হৃদয়ছোঁয়া হাসির গল্প প্রতিদিন বিস্ময়ের ছোট মুহূর্তই কমাতে পারে মানসিক চাপ, বাড়াতে পারে সুখ সার্ডিনিয়ার নীল অঞ্চলের চার দিনের সুস্থতা ভ্রমণে যা শিখলেন পর্যটক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে মানুষের শরীর ও অনুভূতির নতুন লড়াই মিয়ামিতে গ্রেপ্তার অ্যান্ড্রু টেট ও ভাই, যুক্তরাজ্যে প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া শুরু ডেলানি রোর ব্যঙ্গাত্মক ভিডিওতে হলিউডের নারীর চিত্রায়নের নতুন আলোচনা যে মূল্যবান অর্জনগুলো দেরিতে আসে, সেগুলোর জন্যই অপেক্ষা করা জরুরি মওরা হিগিন্সের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে, এবার নতুন চ্যালেঞ্জে নামছেন তিনি কায়রোর বিশাল মনোরেল প্রকল্পে স্বপ্নের গতি, কিন্তু যাত্রীর সংকট

সুইডেনে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক লড়াই, জনমত কোন দিকে যাবে?

সুইডেনের অভিবাসন নীতি নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে থাকা ডানপন্থী শক্তি আরও জনপ্রিয় হবে, নাকি উদার ও বহুমুখী সমাজের ধারণা আবার শক্তিশালী হবে।

২০২২ সালের নির্বাচনের পর ডানপন্থী সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দল সরকারকে সমর্থন দিয়ে নীতিনির্ধারণে বড় প্রভাব তৈরি করে। তবে এবার দলটি সরাসরি সরকারে অংশ নেওয়ার লক্ষ্য জানিয়েছে।

অভিবাসন কমলেও বিতর্ক বাড়ছে

সুইডেনে গত কয়েক বছরে অভিবাসনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কঠোর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আশ্রয় নীতির কারণে নতুন অভিবাসীর সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। সরকার এখন শুধু নতুন আগমন ঠেকানোর বদলে দেশটিতে থাকা কিছু অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরানোর নীতিতে জোর দিচ্ছে।

Sweden squashed migration. The populist right wants to go further

সরকারের পক্ষ থেকে এমন কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে যারা সমাজে ভালোভাবে যুক্ত হতে পারেননি বা কাজের সঙ্গে যুক্ত নন, তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। ডানপন্থী দলটি এই ধরনের পদক্ষেপ আরও বাড়ানোর দাবি করছে।

কঠোর নীতির পক্ষে ও বিপক্ষে মত

অনেক ভোটার কঠোর অভিবাসন নীতিকে সমর্থন করলেও দেশটির রাজনীতিতে বিষয়টির গুরুত্ব আগের তুলনায় কমেছে। অভিবাসন ও একীভূতকরণ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ কমে যাওয়ায় ডানপন্থী দলের প্রধান রাজনৈতিক ইস্যুও কিছুটা দুর্বল হয়েছে।

অন্যদিকে, মধ্যপন্থী ও বামপন্থী দলগুলো মনে করছে, সুইডেনের পরিচয় একটি উদার ও আন্তর্জাতিক সমাজ হিসেবে বজায় রাখা জরুরি। তারা ডানপন্থী জোটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে ভোটারদের সমর্থন ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে।

Sweden election: Your quick and easy guide to Sunday's vote | Euronews

নির্বাচনে বড় পরীক্ষা

আগামী নির্বাচন সুইডেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অভিবাসন কমে যাওয়ার পরও জনগণ কঠোর নীতিকে সমর্থন করবে কি না, সেটিই হবে বড় প্রশ্ন।

ইউরোপের অনেক দেশের ডানপন্থী দল এই নির্বাচনের দিকে নজর রাখছে। কারণ সুইডেনের ফলাফল দেখাবে, অভিবাসন সংকট কমে যাওয়ার পরও জনপ্রিয়তাবাদী রাজনীতি কতটা শক্তিশালী থাকতে পারে।

সুইডেনের ভোটাররা এবার শুধু অভিবাসন নয়, দেশের সামাজিক মূল্যবোধ, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ নিয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নারী কণ্ঠের শক্তি হয়ে উঠেছেন ড্রু আফুয়ালো, অনলাইনে ঘৃণার জবাব দিচ্ছেন সাহসে

সুইডেনে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক লড়াই, জনমত কোন দিকে যাবে?

১১:২০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

সুইডেনের অভিবাসন নীতি নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে থাকা ডানপন্থী শক্তি আরও জনপ্রিয় হবে, নাকি উদার ও বহুমুখী সমাজের ধারণা আবার শক্তিশালী হবে।

২০২২ সালের নির্বাচনের পর ডানপন্থী সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দল সরকারকে সমর্থন দিয়ে নীতিনির্ধারণে বড় প্রভাব তৈরি করে। তবে এবার দলটি সরাসরি সরকারে অংশ নেওয়ার লক্ষ্য জানিয়েছে।

অভিবাসন কমলেও বিতর্ক বাড়ছে

সুইডেনে গত কয়েক বছরে অভিবাসনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কঠোর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আশ্রয় নীতির কারণে নতুন অভিবাসীর সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। সরকার এখন শুধু নতুন আগমন ঠেকানোর বদলে দেশটিতে থাকা কিছু অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরানোর নীতিতে জোর দিচ্ছে।

Sweden squashed migration. The populist right wants to go further

সরকারের পক্ষ থেকে এমন কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে যারা সমাজে ভালোভাবে যুক্ত হতে পারেননি বা কাজের সঙ্গে যুক্ত নন, তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। ডানপন্থী দলটি এই ধরনের পদক্ষেপ আরও বাড়ানোর দাবি করছে।

কঠোর নীতির পক্ষে ও বিপক্ষে মত

অনেক ভোটার কঠোর অভিবাসন নীতিকে সমর্থন করলেও দেশটির রাজনীতিতে বিষয়টির গুরুত্ব আগের তুলনায় কমেছে। অভিবাসন ও একীভূতকরণ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ কমে যাওয়ায় ডানপন্থী দলের প্রধান রাজনৈতিক ইস্যুও কিছুটা দুর্বল হয়েছে।

অন্যদিকে, মধ্যপন্থী ও বামপন্থী দলগুলো মনে করছে, সুইডেনের পরিচয় একটি উদার ও আন্তর্জাতিক সমাজ হিসেবে বজায় রাখা জরুরি। তারা ডানপন্থী জোটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে ভোটারদের সমর্থন ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে।

Sweden election: Your quick and easy guide to Sunday's vote | Euronews

নির্বাচনে বড় পরীক্ষা

আগামী নির্বাচন সুইডেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অভিবাসন কমে যাওয়ার পরও জনগণ কঠোর নীতিকে সমর্থন করবে কি না, সেটিই হবে বড় প্রশ্ন।

ইউরোপের অনেক দেশের ডানপন্থী দল এই নির্বাচনের দিকে নজর রাখছে। কারণ সুইডেনের ফলাফল দেখাবে, অভিবাসন সংকট কমে যাওয়ার পরও জনপ্রিয়তাবাদী রাজনীতি কতটা শক্তিশালী থাকতে পারে।

সুইডেনের ভোটাররা এবার শুধু অভিবাসন নয়, দেশের সামাজিক মূল্যবোধ, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ নিয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন।