০৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
ওষুধ গবেষণায় নতুন দিগন্ত, প্রাণী পরীক্ষা কমিয়ে মানবভিত্তিক প্রযুক্তির পথে ভারত ক্রিস্টি সারাহের নতুন অধ্যায়, বিচ্ছেদের পরও সন্তানদের ঘিরেই জীবন প্রাণী ছাড়া ওষুধ পরীক্ষায় নতুন যুগের সূচনা, বদলে যাচ্ছে ওষুধ গবেষণার ভবিষ্যৎ বিলাসবহুল ভ্রমণের নতুন ঠিকানা: সমুদ্রের বুকে স্টাইলিশ পালতোলা ইয়টে থাকার অভিজ্ঞতা চুল ধোয়ার নতুন কৌশলে বাড়তে পারে ভলিউম, কমতে পারে ভারী ভাব নারী কণ্ঠের শক্তি হয়ে উঠেছেন ড্রু আফুয়ালো, অনলাইনে ঘৃণার জবাব দিচ্ছেন সাহসে অলিভিয়া ওয়াইল্ডের নতুন সিনেমা: ভাঙা সম্পর্কের কষ্ট থেকে তৈরি হৃদয়ছোঁয়া হাসির গল্প প্রতিদিন বিস্ময়ের ছোট মুহূর্তই কমাতে পারে মানসিক চাপ, বাড়াতে পারে সুখ সার্ডিনিয়ার নীল অঞ্চলের চার দিনের সুস্থতা ভ্রমণে যা শিখলেন পর্যটক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে মানুষের শরীর ও অনুভূতির নতুন লড়াই

নিরাপদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন পরিকল্পনা দিলেন ডেমিস হাসাবিস, নিয়ন্ত্রণে আসছে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে এর নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণে একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছেন ডেমিস হাসাবিস। , প্রযুক্তির শক্তিশালী মডেলগুলো প্রকাশের আগে তাদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা।

নিরাপদ প্রযুক্তির জন্য নতুন নিয়ন্ত্রণ কাঠামো

ডেমিস হাসাবিস মনে করেন, শুধু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। আবার সাধারণ সরকারি সংস্থার ধীরগতির ব্যবস্থাও এই দ্রুত পরিবর্তনশীল খাতের জন্য কার্যকর নাও হতে পারে। তাই তিনি এমন একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থার ধারণা দিয়েছেন, যা সরকারি সমর্থন ও প্রযুক্তি খাতের দক্ষতা—দুই দিককে একসঙ্গে কাজে লাগাবে।

তার প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন এই সংস্থা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল পরীক্ষা করবে, ঝুঁকি বিশ্লেষণ করবে এবং নিরাপত্তার নির্দিষ্ট মানদণ্ড তৈরি করবে। শুরুতে স্বেচ্ছামূলকভাবে কাজ শুরু হলেও ভবিষ্যতে এটি বাধ্যতামূলক নিয়মে পরিণত হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

Demis Hassabis has a plan to harness AI safely | Technology News (HT Tech)

উন্নত মডেলের জন্য আলাদা নজরদারি

ডেমিস হাসাবিসের পরিকল্পনায় সবচেয়ে শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল তৈরি করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোন মডেলকে সবচেয়ে উন্নত হিসেবে বিবেচনা করা হবে, তা নির্ধারণে নির্দিষ্ট পরীক্ষার ফলাফল ও সক্ষমতার মানদণ্ড ব্যবহার করা হবে।

তিনি মনে করেন, শুধু মডেল তৈরিতে ব্যবহৃত কম্পিউটার শক্তির পরিমাণ দিয়ে ঝুঁকি নির্ধারণ করা যথেষ্ট নয়। বরং একটি মডেল কতটা নিরাপদ, ব্যবহারকারীর নির্দেশনা কতটা সঠিকভাবে অনুসরণ করে এবং সম্ভাব্য ক্ষতিকর কাজে কতটা প্রতিরোধী—এসব বিষয়ও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বিশ্বব্যাপী সমন্বয়ের প্রয়োজন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বপ্ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়লেও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডেমিস হাসাবিসের মতে, শুরুতে একটি দেশ নেতৃত্ব দিলে অন্য দেশগুলোও ধীরে ধীরে একই ব্যবস্থায় যুক্ত হতে পারে।

তার এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে প্রযুক্তি খাতের সব পক্ষের সমর্থন পাওয়া সহজ হবে না বলেও তিনি স্বীকার করেছেন। কারণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করার পাশাপাশি তা কার্যকরভাবে পরিচালনা করাও বড় চ্যালেঞ্জ।

দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান

ডেমিস হাসাবিস সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় দেরি করার সুযোগ কমে আসছে। ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হওয়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের সঙ্গে নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়টি এখন বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারকদের প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ওষুধ গবেষণায় নতুন দিগন্ত, প্রাণী পরীক্ষা কমিয়ে মানবভিত্তিক প্রযুক্তির পথে ভারত

নিরাপদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন পরিকল্পনা দিলেন ডেমিস হাসাবিস, নিয়ন্ত্রণে আসছে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ

১২:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে এর নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণে একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছেন ডেমিস হাসাবিস। , প্রযুক্তির শক্তিশালী মডেলগুলো প্রকাশের আগে তাদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা।

নিরাপদ প্রযুক্তির জন্য নতুন নিয়ন্ত্রণ কাঠামো

ডেমিস হাসাবিস মনে করেন, শুধু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। আবার সাধারণ সরকারি সংস্থার ধীরগতির ব্যবস্থাও এই দ্রুত পরিবর্তনশীল খাতের জন্য কার্যকর নাও হতে পারে। তাই তিনি এমন একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থার ধারণা দিয়েছেন, যা সরকারি সমর্থন ও প্রযুক্তি খাতের দক্ষতা—দুই দিককে একসঙ্গে কাজে লাগাবে।

তার প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন এই সংস্থা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল পরীক্ষা করবে, ঝুঁকি বিশ্লেষণ করবে এবং নিরাপত্তার নির্দিষ্ট মানদণ্ড তৈরি করবে। শুরুতে স্বেচ্ছামূলকভাবে কাজ শুরু হলেও ভবিষ্যতে এটি বাধ্যতামূলক নিয়মে পরিণত হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

Demis Hassabis has a plan to harness AI safely | Technology News (HT Tech)

উন্নত মডেলের জন্য আলাদা নজরদারি

ডেমিস হাসাবিসের পরিকল্পনায় সবচেয়ে শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল তৈরি করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোন মডেলকে সবচেয়ে উন্নত হিসেবে বিবেচনা করা হবে, তা নির্ধারণে নির্দিষ্ট পরীক্ষার ফলাফল ও সক্ষমতার মানদণ্ড ব্যবহার করা হবে।

তিনি মনে করেন, শুধু মডেল তৈরিতে ব্যবহৃত কম্পিউটার শক্তির পরিমাণ দিয়ে ঝুঁকি নির্ধারণ করা যথেষ্ট নয়। বরং একটি মডেল কতটা নিরাপদ, ব্যবহারকারীর নির্দেশনা কতটা সঠিকভাবে অনুসরণ করে এবং সম্ভাব্য ক্ষতিকর কাজে কতটা প্রতিরোধী—এসব বিষয়ও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বিশ্বব্যাপী সমন্বয়ের প্রয়োজন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বপ্ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়লেও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডেমিস হাসাবিসের মতে, শুরুতে একটি দেশ নেতৃত্ব দিলে অন্য দেশগুলোও ধীরে ধীরে একই ব্যবস্থায় যুক্ত হতে পারে।

তার এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে প্রযুক্তি খাতের সব পক্ষের সমর্থন পাওয়া সহজ হবে না বলেও তিনি স্বীকার করেছেন। কারণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করার পাশাপাশি তা কার্যকরভাবে পরিচালনা করাও বড় চ্যালেঞ্জ।

দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান

ডেমিস হাসাবিস সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় দেরি করার সুযোগ কমে আসছে। ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হওয়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের সঙ্গে নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়টি এখন বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারকদের প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।