০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজনীতিতে ধর্মীয় সংগঠনের হস্তক্ষেপ কি সত্যিই অপরাধ? পরিবার নিয়ে শরতের উৎসবে জমবে সিঙ্গাপুরে লণ্ঠনযাত্রা, হানফু সাজ ও চাঁদ দেখার আয়োজন এক অ্যাপেই বাস, ফেরি, সাইকেল ভাড়া—ভ্রমণ ও যাতায়াতে নতুন সুবিধা গ্র্যাবের লিপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: রুশ কূটনীতিককে তলব ব্রিটেনের ন্যাটোর প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরছেন ইউক্রেনীয় নেতারা, দেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন আরও বহু সেনাকে ভূগোলের নিরাপত্তাবলয় ভেঙে পড়ছে, যুক্তরাষ্ট্র কি নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত? ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের কাছে নৌকা উদ্ধার, ৮০ জনের বেশি অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? এক যুগ পর বন্ধ হচ্ছে ‘চিকেন শপ ডেট’, নতুন অভিযানে যেতে চান অ্যামেলিয়া ডিমোল্ডেনবার্গ ২০২৮-কে ঘিরেই কি পূর্ব এশিয়ার বড় সংকটের প্রস্তুতি?

কুকুর-বিড়ালের মনের ভাষা বুঝবেন যেভাবে, আচরণেই মিলবে আবেগের সংকেত

কুকুর ও বিড়াল কথা বলতে পারে না, কিন্তু তাদের শরীরের ভঙ্গি, চোখের দৃষ্টি, লেজের নড়াচড়া এবং আচরণের মাধ্যমে তারা নিয়মিত নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করে। কখনো তারা আনন্দিত, কখনো ভয় বা উদ্বেগে থাকে, আবার কখনো শারীরিক অসুস্থতার কারণেও আচরণ বদলে যেতে পারে। এসব সংকেত বুঝতে পারলে পোষা প্রাণীর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং সমস্যাও দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব।

আনন্দে ও স্বস্তিতে থাকা কুকুরের লক্ষণ

সুখী ও স্বস্তিতে থাকা কুকুরের শরীর সাধারণত ঢিলেঢালা থাকে। শুধু লেজ নয়, শরীরের পেছনের অংশও আনন্দে নড়াচড়া করতে পারে। চোখ থাকে কোমল ও স্বাভাবিক, মুখ সামান্য খোলা থাকতে পারে এবং খেলতে চাইলে সামনের দুই পা মাটির দিকে বাড়িয়ে পেছনের অংশ ওপরে তুলে বিশেষ ভঙ্গি করে।

কানের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক ও স্বস্তির কুকুরের কান সাধারণত পেছনে শক্ত করে টেনে রাখা থাকে না। সে মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আগ্রহী থাকে, নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেয়, স্বাভাবিকভাবে খাবার খায় এবং প্রতিদিনের স্বাভাবিক অভ্যাস বজায় রাখে।

উদ্বিগ্ন বা চাপের মধ্যে থাকা কুকুর

কুকুরের উদ্বেগ বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। অতিরিক্ত ঘেউ ঘেউ করা, কাঁদার মতো শব্দ করা, অকারণে হাঁপানো, কাঁপা বা কান পেছনে টেনে নেওয়া এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

People Who Talk to Their Pets Like They Understand Every Word Usually  Display These 9 Traits

কখনো চোখের সাদা অংশ বেশি দেখা যেতে পারে। ক্লান্ত না হয়েও বারবার ঠোঁট চাটা বা হাই তোলাও মানসিক চাপের ইঙ্গিত হতে পারে। আসবাবপত্র কামড়ানো, অস্থিরভাবে ঘোরাফেরা করা, এক জায়গায় স্থির হতে না পারা কিংবা মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে থাকাও উদ্বেগের লক্ষণ।

কিছু কুকুর একা রেখে গেলে বেশি অস্থির হয়ে পড়ে। তখন অতিরিক্ত ডাকাডাকি, জিনিসপত্র নষ্ট করা কিংবা ঘরের ভেতর মলমূত্র ত্যাগ করার মতো আচরণ দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সমস্যা নিয়মিত হলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

আনন্দিত ও স্বস্তিতে থাকা বিড়াল

বিড়ালের আবেগ বোঝা অনেক সময় কুকুরের তুলনায় কঠিন। তবে স্বস্তিতে থাকা বিড়ালের কিছু স্পষ্ট সংকেত রয়েছে।

ধীরে ধীরে চোখের পাতা ফেলা বিড়ালের বিশ্বাস ও নিরাপত্তাবোধের প্রকাশ হতে পারে। গরগর শব্দ করা সাধারণত তৃপ্তির লক্ষণ। নরম জায়গায় সামনের পা দিয়ে বারবার চাপ দেওয়াও স্বাভাবিক আরামদায়ক আচরণ।

লেজ উঁচু করে রাখা এবং ডগায় সামান্য বাঁক থাকা বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাবের ইঙ্গিত হতে পারে। বিড়াল মাথা বা শরীর মানুষের গায়ে ঘষলে সেটিও ঘনিষ্ঠতা ও নিজের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করার প্রকাশ। বিশ্রামের সময় শরীর যদি স্বাভাবিক ও শিথিল থাকে, সেটিও স্বস্তির লক্ষণ।

ভয় বা মানসিক চাপে থাকা বিড়াল

বিড়াল অনেক সময় নিজের অস্বস্তি লুকিয়ে রাখে। তাই আচরণের ছোট পরিবর্তনও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি লুকিয়ে থাকা, কান মাথার সঙ্গে চেপে রাখা, লেজ ফুলিয়ে ফেলা কিংবা পিঠ বাঁকিয়ে রাখা ভয় বা চাপের লক্ষণ হতে পারে। হিসহিস শব্দ করা, গরগর করে সতর্ক করা কিংবা থাবা দিয়ে আঘাত করার চেষ্টাও অস্বস্তির প্রকাশ।

অতিরিক্ত শরীর পরিষ্কার করা অথবা স্বাভাবিকের তুলনায় কম পরিষ্কার করাও লক্ষ্য করার মতো পরিবর্তন। মলমূত্র ত্যাগের অভ্যাস বদলে যাওয়া, খাবারে অনীহা এবং বিশেষ করে রাতে অতিরিক্ত ডাকাডাকিও মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

বাড়ির পরিবেশে পরিবর্তন, নতুন কোনো প্রাণীর আগমন কিংবা একই জায়গায় থাকা একাধিক বিড়ালের মধ্যে উত্তেজনাও এ ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।

Pet Adoption 101: Cat-to-Dog Introductions

কুকুর ও বিড়াল উভয়ের ক্ষেত্রেই যে পরিবর্তনগুলো গুরুত্বপূর্ণ

কুকুর বা বিড়ালের আচরণ হঠাৎ বদলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। আগে যে কাজগুলো উপভোগ করত, সেগুলো থেকে দূরে সরে যাওয়া, মানুষ বা অন্য প্রাণীর প্রতি হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা, ঘুমের ধরন বদলে যাওয়া, শক্তি বা কর্মচাঞ্চল্যে পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত ডাকাডাকি—সবই সতর্ক হওয়ার মতো লক্ষণ।

তবে আচরণের পরিবর্তন সবসময় শুধু মানসিক সমস্যার কারণে হয় না। কোনো শারীরিক অসুস্থতা বা ব্যথাও ভয়, উদ্বেগ কিংবা অস্বাভাবিক আচরণের মতো প্রকাশ পেতে পারে।

কখন পশুচিকিৎসকের কাছে যাবেন

কুকুর বা বিড়ালের আচরণে হঠাৎ অথবা দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন দেখা দিলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। বিশেষ করে খাবারে অনীহা, অস্বাভাবিক আগ্রাসন, অতিরিক্ত লুকিয়ে থাকা বা আচরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের সঙ্গে অন্য শারীরিক লক্ষণ থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

পশুচিকিৎসক প্রয়োজন হলে শারীরিক সমস্যার সম্ভাবনা যাচাই করতে পারেন এবং আচরণগত সমস্যার জন্য প্রশিক্ষক বা প্রাণীর আচরণ বিশেষজ্ঞের সহায়তার পরামর্শ দিতে পারেন।

পোষা প্রাণীর শরীরী ভাষা বুঝতে শেখা শুধু তার আনন্দ বা ভয় বোঝার উপায় নয়; এটি তার প্রয়োজন, অস্বস্তি ও সম্ভাব্য অসুস্থতা দ্রুত বুঝে ওঠারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তারা কথা বলতে না পারলেও তাদের আচরণ অনেক কিছুই বলে দেয়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতিতে ধর্মীয় সংগঠনের হস্তক্ষেপ কি সত্যিই অপরাধ?

কুকুর-বিড়ালের মনের ভাষা বুঝবেন যেভাবে, আচরণেই মিলবে আবেগের সংকেত

০৩:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুকুর ও বিড়াল কথা বলতে পারে না, কিন্তু তাদের শরীরের ভঙ্গি, চোখের দৃষ্টি, লেজের নড়াচড়া এবং আচরণের মাধ্যমে তারা নিয়মিত নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করে। কখনো তারা আনন্দিত, কখনো ভয় বা উদ্বেগে থাকে, আবার কখনো শারীরিক অসুস্থতার কারণেও আচরণ বদলে যেতে পারে। এসব সংকেত বুঝতে পারলে পোষা প্রাণীর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং সমস্যাও দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব।

আনন্দে ও স্বস্তিতে থাকা কুকুরের লক্ষণ

সুখী ও স্বস্তিতে থাকা কুকুরের শরীর সাধারণত ঢিলেঢালা থাকে। শুধু লেজ নয়, শরীরের পেছনের অংশও আনন্দে নড়াচড়া করতে পারে। চোখ থাকে কোমল ও স্বাভাবিক, মুখ সামান্য খোলা থাকতে পারে এবং খেলতে চাইলে সামনের দুই পা মাটির দিকে বাড়িয়ে পেছনের অংশ ওপরে তুলে বিশেষ ভঙ্গি করে।

কানের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক ও স্বস্তির কুকুরের কান সাধারণত পেছনে শক্ত করে টেনে রাখা থাকে না। সে মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আগ্রহী থাকে, নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেয়, স্বাভাবিকভাবে খাবার খায় এবং প্রতিদিনের স্বাভাবিক অভ্যাস বজায় রাখে।

উদ্বিগ্ন বা চাপের মধ্যে থাকা কুকুর

কুকুরের উদ্বেগ বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। অতিরিক্ত ঘেউ ঘেউ করা, কাঁদার মতো শব্দ করা, অকারণে হাঁপানো, কাঁপা বা কান পেছনে টেনে নেওয়া এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

People Who Talk to Their Pets Like They Understand Every Word Usually  Display These 9 Traits

কখনো চোখের সাদা অংশ বেশি দেখা যেতে পারে। ক্লান্ত না হয়েও বারবার ঠোঁট চাটা বা হাই তোলাও মানসিক চাপের ইঙ্গিত হতে পারে। আসবাবপত্র কামড়ানো, অস্থিরভাবে ঘোরাফেরা করা, এক জায়গায় স্থির হতে না পারা কিংবা মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে থাকাও উদ্বেগের লক্ষণ।

কিছু কুকুর একা রেখে গেলে বেশি অস্থির হয়ে পড়ে। তখন অতিরিক্ত ডাকাডাকি, জিনিসপত্র নষ্ট করা কিংবা ঘরের ভেতর মলমূত্র ত্যাগ করার মতো আচরণ দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সমস্যা নিয়মিত হলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

আনন্দিত ও স্বস্তিতে থাকা বিড়াল

বিড়ালের আবেগ বোঝা অনেক সময় কুকুরের তুলনায় কঠিন। তবে স্বস্তিতে থাকা বিড়ালের কিছু স্পষ্ট সংকেত রয়েছে।

ধীরে ধীরে চোখের পাতা ফেলা বিড়ালের বিশ্বাস ও নিরাপত্তাবোধের প্রকাশ হতে পারে। গরগর শব্দ করা সাধারণত তৃপ্তির লক্ষণ। নরম জায়গায় সামনের পা দিয়ে বারবার চাপ দেওয়াও স্বাভাবিক আরামদায়ক আচরণ।

লেজ উঁচু করে রাখা এবং ডগায় সামান্য বাঁক থাকা বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাবের ইঙ্গিত হতে পারে। বিড়াল মাথা বা শরীর মানুষের গায়ে ঘষলে সেটিও ঘনিষ্ঠতা ও নিজের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করার প্রকাশ। বিশ্রামের সময় শরীর যদি স্বাভাবিক ও শিথিল থাকে, সেটিও স্বস্তির লক্ষণ।

ভয় বা মানসিক চাপে থাকা বিড়াল

বিড়াল অনেক সময় নিজের অস্বস্তি লুকিয়ে রাখে। তাই আচরণের ছোট পরিবর্তনও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি লুকিয়ে থাকা, কান মাথার সঙ্গে চেপে রাখা, লেজ ফুলিয়ে ফেলা কিংবা পিঠ বাঁকিয়ে রাখা ভয় বা চাপের লক্ষণ হতে পারে। হিসহিস শব্দ করা, গরগর করে সতর্ক করা কিংবা থাবা দিয়ে আঘাত করার চেষ্টাও অস্বস্তির প্রকাশ।

অতিরিক্ত শরীর পরিষ্কার করা অথবা স্বাভাবিকের তুলনায় কম পরিষ্কার করাও লক্ষ্য করার মতো পরিবর্তন। মলমূত্র ত্যাগের অভ্যাস বদলে যাওয়া, খাবারে অনীহা এবং বিশেষ করে রাতে অতিরিক্ত ডাকাডাকিও মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

বাড়ির পরিবেশে পরিবর্তন, নতুন কোনো প্রাণীর আগমন কিংবা একই জায়গায় থাকা একাধিক বিড়ালের মধ্যে উত্তেজনাও এ ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।

Pet Adoption 101: Cat-to-Dog Introductions

কুকুর ও বিড়াল উভয়ের ক্ষেত্রেই যে পরিবর্তনগুলো গুরুত্বপূর্ণ

কুকুর বা বিড়ালের আচরণ হঠাৎ বদলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। আগে যে কাজগুলো উপভোগ করত, সেগুলো থেকে দূরে সরে যাওয়া, মানুষ বা অন্য প্রাণীর প্রতি হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা, ঘুমের ধরন বদলে যাওয়া, শক্তি বা কর্মচাঞ্চল্যে পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত ডাকাডাকি—সবই সতর্ক হওয়ার মতো লক্ষণ।

তবে আচরণের পরিবর্তন সবসময় শুধু মানসিক সমস্যার কারণে হয় না। কোনো শারীরিক অসুস্থতা বা ব্যথাও ভয়, উদ্বেগ কিংবা অস্বাভাবিক আচরণের মতো প্রকাশ পেতে পারে।

কখন পশুচিকিৎসকের কাছে যাবেন

কুকুর বা বিড়ালের আচরণে হঠাৎ অথবা দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন দেখা দিলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। বিশেষ করে খাবারে অনীহা, অস্বাভাবিক আগ্রাসন, অতিরিক্ত লুকিয়ে থাকা বা আচরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের সঙ্গে অন্য শারীরিক লক্ষণ থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

পশুচিকিৎসক প্রয়োজন হলে শারীরিক সমস্যার সম্ভাবনা যাচাই করতে পারেন এবং আচরণগত সমস্যার জন্য প্রশিক্ষক বা প্রাণীর আচরণ বিশেষজ্ঞের সহায়তার পরামর্শ দিতে পারেন।

পোষা প্রাণীর শরীরী ভাষা বুঝতে শেখা শুধু তার আনন্দ বা ভয় বোঝার উপায় নয়; এটি তার প্রয়োজন, অস্বস্তি ও সম্ভাব্য অসুস্থতা দ্রুত বুঝে ওঠারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তারা কথা বলতে না পারলেও তাদের আচরণ অনেক কিছুই বলে দেয়।