০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাগানে টেরেস বানাতে গিয়ে মিলল ডেনমার্কের সবচেয়ে বড় ভাইকিং যুগের রুপার ভাণ্ডার থমাস গেইনসবোরোর তুলিতে ফ্যাশনের চিরন্তন গল্প বিড়ালের অ্যালার্জি: কোন কোন কারণে হয়, লক্ষণ কী এবং কী করবেন সিঙ্গাপুরের অরচার্ড রোডে নাচ ও মার্শাল আর্ট দেখাল মানবাকৃতির রোবট, চলছে টিকটক শপের ৯.৯ প্রচারণা গ্লোবাল সাউথের পরিবহন সংযোগ: অবকাঠামোর চেয়ে বড় যে রাজনৈতিক পরীক্ষা সৌদি আরবের শিল্পজগত বদলে দিতে ইতিহাস, তরুণ শিল্পী ও আন্তর্জাতিক বিনিময়ে জোর বিছানায় পড়ে থাকা থেকে ‘বাড্ডি’, মৃত্যুর মুখ থেকে উঠে মায়েদের ও প্রবীণদের ব্যায়ামের প্রেরণা ১০৮টি অবিশ্বাস্য কাস্টম পিসি: এক্সবক্স থেকে ড্রাগন, স্পেসশিপ থেকে কাঠের ডেস্ক অ্যারিজোনায় সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে নতুন গতি, তাইওয়ানের সঙ্গে ‘স্পার্ক’ গবেষণা কেন্দ্র চালু যুদ্ধের অন্ধকারে হারানো চার্চিলের ছবি, নাৎসি সহযোগীর হাতে পৌঁছানোর রহস্য

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের কাছে নৌকা উদ্ধার, ৮০ জনের বেশি অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

আটলান্টিক মহাসাগরে ২৭ দিন ধরে ভেসে থাকা একটি নৌকা থেকে ৪৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নৌকাটিতে থাকা ৮০ জনের বেশি অভিবাসী মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার করা নৌকাটিতে একটি শিশুসহ পাঁচজনের মরদেহও পাওয়া যায়।

স্পেনের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী দল বুধবার গ্রান কানারিয়ার আরগুইনেগিন উপকূলীয় শহর থেকে প্রায় ৬৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে নৌকাটির সন্ধান পায়। নৌকাটি পশ্চিম আফ্রিকার গাম্বিয়া থেকে আগস্টের শুরুতে যাত্রা করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। মানবাধিকারকর্মী হেলেনা মালেনো গারসন জানিয়েছেন, নৌকাটিতে শুরুতে ১২৭ জন ছিলেন এবং তাদের মধ্যে ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তবে নৌকাটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি স্পেনের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ।

উত্তাল সাগরে মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি

উদ্ধারকারী দল নৌকায় পাঁচটি মরদেহ দেখতে পেলেও সাগরের প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে সেগুলো উদ্ধার করতে পারেনি। ওই এলাকায় ঘণ্টায় প্রায় ২০ নট গতির বাতাস এবং আড়াই মিটার উঁচু ঢেউ ছিল।More than 80 migrants feared dead after boat rescued off Canary Islands -  BBC News

উদ্ধার হওয়া ৪৪ জনই সাব-সাহারান আফ্রিকার পুরুষ। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। অন্যদের সমুদ্রপথে গ্রান কানারিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং বৃহস্পতিবার ভোরে তারা সেখানে পৌঁছান।

আটলান্টিক পাড়ি এখনো ভয়াবহ ঝুঁকির

পশ্চিম আফ্রিকা থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক পথটি বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী অভিবাসনপথ হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর হাজারো মানুষ স্পেনের ভূখণ্ডে পৌঁছানোর আশায় এই বিপজ্জনক পথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন।

দীর্ঘ সমুদ্রপথ, প্রবল স্রোত এবং উত্তাল ঢেউয়ের কারণে এ পথে নৌযাত্রা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক নৌকা মাঝসমুদ্রে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে কিংবা দিনের পর দিন নিখোঁজ থাকে।

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ সরকারের প্রধান ফার্নান্দো ক্লাভিহো ঘটনাটিতে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর ভাষায়, আটলান্টিক মহাসাগর যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে এবং দ্বীপপুঞ্জের মানুষ এ পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগানে টেরেস বানাতে গিয়ে মিলল ডেনমার্কের সবচেয়ে বড় ভাইকিং যুগের রুপার ভাণ্ডার

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের কাছে নৌকা উদ্ধার, ৮০ জনের বেশি অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

০৬:০১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আটলান্টিক মহাসাগরে ২৭ দিন ধরে ভেসে থাকা একটি নৌকা থেকে ৪৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নৌকাটিতে থাকা ৮০ জনের বেশি অভিবাসী মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার করা নৌকাটিতে একটি শিশুসহ পাঁচজনের মরদেহও পাওয়া যায়।

স্পেনের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী দল বুধবার গ্রান কানারিয়ার আরগুইনেগিন উপকূলীয় শহর থেকে প্রায় ৬৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে নৌকাটির সন্ধান পায়। নৌকাটি পশ্চিম আফ্রিকার গাম্বিয়া থেকে আগস্টের শুরুতে যাত্রা করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। মানবাধিকারকর্মী হেলেনা মালেনো গারসন জানিয়েছেন, নৌকাটিতে শুরুতে ১২৭ জন ছিলেন এবং তাদের মধ্যে ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তবে নৌকাটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি স্পেনের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ।

উত্তাল সাগরে মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি

উদ্ধারকারী দল নৌকায় পাঁচটি মরদেহ দেখতে পেলেও সাগরের প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে সেগুলো উদ্ধার করতে পারেনি। ওই এলাকায় ঘণ্টায় প্রায় ২০ নট গতির বাতাস এবং আড়াই মিটার উঁচু ঢেউ ছিল।More than 80 migrants feared dead after boat rescued off Canary Islands -  BBC News

উদ্ধার হওয়া ৪৪ জনই সাব-সাহারান আফ্রিকার পুরুষ। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। অন্যদের সমুদ্রপথে গ্রান কানারিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং বৃহস্পতিবার ভোরে তারা সেখানে পৌঁছান।

আটলান্টিক পাড়ি এখনো ভয়াবহ ঝুঁকির

পশ্চিম আফ্রিকা থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক পথটি বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী অভিবাসনপথ হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর হাজারো মানুষ স্পেনের ভূখণ্ডে পৌঁছানোর আশায় এই বিপজ্জনক পথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন।

দীর্ঘ সমুদ্রপথ, প্রবল স্রোত এবং উত্তাল ঢেউয়ের কারণে এ পথে নৌযাত্রা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক নৌকা মাঝসমুদ্রে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে কিংবা দিনের পর দিন নিখোঁজ থাকে।

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ সরকারের প্রধান ফার্নান্দো ক্লাভিহো ঘটনাটিতে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর ভাষায়, আটলান্টিক মহাসাগর যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে এবং দ্বীপপুঞ্জের মানুষ এ পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে না।