০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
ইশান খট্টরের আবেগী স্বীকারোক্তি, অস্কারের মঞ্চে না পৌঁছালেও ‘হোমবাউন্ড’ চিরকাল হৃদয়ের কাছেই বিরল রোগে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ওষুধ: ব্রিটেনের সাহসী সিদ্ধান্তে খুলছে নতুন চিকিৎসার দিগন্ত জাপানে আগাম ভোটের বড় বাজি, তাকাইচির ক্ষমতা পরীক্ষার দিনক্ষণ সিরিয়ার কুর্দিদের পতন: উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় স্বায়ত্তশাসনের শেষ অধ্যায় কিশোরগঞ্জে গরুবাহী পিকআপ উল্টে নিহত ১, আহত অন্তত ১২ যশোরে বিয়ের বাস খাদে, আহত অন্তত ১২ জন গাজীপুরে শ্রমিক–পুলিশ সংঘর্ষ, অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ‘আমার প্রিয় ফিল্ড মার্শাল কেমন আছেন?’— দাভোসে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজকে জিজ্ঞেস করলেন ট্রাম্প আমাকে ক্ষেপালে আপনার হাফপ্যান্ট খুলে যাবে, কারণ আমরা শেখ হাসিনার হাফপ্যান্ট খুলে দিয়েছিলাম: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আইসিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ

উত্তরায় গলা কাটা মরদেহ: অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে কিশোরকে হত্যা

ঘটনার সারসংক্ষেপ
রাজধানীর উত্তরা থেকে সোমবার বিকেলে অজ্ঞাত এক কিশোরের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মাত্র ৩০ ঘণ্টার মধ্যেই এই জটিল হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়। গ্রেফতার করা হয়েছে চারজনকে, উদ্ধার করা হয়েছে ব্যবহৃত ছুরি, বিশেষভাবে তৈরি নাইলনের রশি ও ভিকটিমের অটোরিকশা।


গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা
সামিদুল হক মনা (৪২)
রবিউল ইসলাম রানা (২০)
হজরত আলি (৪৫)
নয়ন মিয়া (৩০)


মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা
ডিএমপি-র উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মুহিদুল ইসলাম জানান,
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের ৭ নম্বর ব্রিজের কাছে একটি ফাঁকা জমির ছনে পড়ে থাকা অবস্থায় কিশোরের (বয়স প্রায় ১৬) গলা কাটা মরদেহ পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করলে তুরাগ থানা পুলিশ গিয়ে সুরতহাল তৈরি করে মরদেহটি সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।


নিখোঁজ ডায়েরি থেকে পরিচয় শনাক্ত
তদন্তে জানা যায়, নিহত কিশোরের নাম শান্ত।
তিনি রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রিকশা চালাতে বের হয়েছিলেন এবং আর বাড়ি ফেরেননি।
শান্তের মা কাফরুল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন।
পরে নিহতের মামা শহিদুল ইসলাম মরদেহটি শনাক্ত করেন।


হত্যার রহস্য উদঘাটন
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ প্রথমে কাফরুল এলাকা থেকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সামিদুল হক মনাকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে সে বিস্তারিত বর্ণনা দিলে অন্য তিনজনকেও গ্রেফতার করা হয়।


হত্যার কারণ ও নৃশংস কৌশল
পুলিশ জানায়, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শান্তকে প্রথমে ৭ নম্বর ব্রিজের কাছে ডেকে আনা হয়।
সেখান থেকে কৌশলে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে—
• রবিউল ইসলাম রানা নাইলনের রশি দিয়ে শান্তর গলা চেপে ধরে
• সামিদুল হক মনা ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে

হত্যার পর তারা অটোরিকশা নিয়ে ভাসানটেক চলে যায় এবং পরে হজরত আলির সহায়তায় রিকশাটি নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নয়ন মিয়ার কাছে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।


আইনগত ব্যবস্থা
এ ঘটনায় তুরাগ থানায় হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
গ্রেফতার হওয়া সকল আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে পুলিশ।


#tags: অপরাধ তদন্ত হত্যাকাণ্ড উত্তরা অটোরিকশা ছিনতাই ঢাকায় অপরাধ

জনপ্রিয় সংবাদ

ইশান খট্টরের আবেগী স্বীকারোক্তি, অস্কারের মঞ্চে না পৌঁছালেও ‘হোমবাউন্ড’ চিরকাল হৃদয়ের কাছেই

উত্তরায় গলা কাটা মরদেহ: অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে কিশোরকে হত্যা

০৪:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

ঘটনার সারসংক্ষেপ
রাজধানীর উত্তরা থেকে সোমবার বিকেলে অজ্ঞাত এক কিশোরের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মাত্র ৩০ ঘণ্টার মধ্যেই এই জটিল হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়। গ্রেফতার করা হয়েছে চারজনকে, উদ্ধার করা হয়েছে ব্যবহৃত ছুরি, বিশেষভাবে তৈরি নাইলনের রশি ও ভিকটিমের অটোরিকশা।


গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা
সামিদুল হক মনা (৪২)
রবিউল ইসলাম রানা (২০)
হজরত আলি (৪৫)
নয়ন মিয়া (৩০)


মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা
ডিএমপি-র উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মুহিদুল ইসলাম জানান,
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের ৭ নম্বর ব্রিজের কাছে একটি ফাঁকা জমির ছনে পড়ে থাকা অবস্থায় কিশোরের (বয়স প্রায় ১৬) গলা কাটা মরদেহ পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করলে তুরাগ থানা পুলিশ গিয়ে সুরতহাল তৈরি করে মরদেহটি সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।


নিখোঁজ ডায়েরি থেকে পরিচয় শনাক্ত
তদন্তে জানা যায়, নিহত কিশোরের নাম শান্ত।
তিনি রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রিকশা চালাতে বের হয়েছিলেন এবং আর বাড়ি ফেরেননি।
শান্তের মা কাফরুল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন।
পরে নিহতের মামা শহিদুল ইসলাম মরদেহটি শনাক্ত করেন।


হত্যার রহস্য উদঘাটন
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ প্রথমে কাফরুল এলাকা থেকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সামিদুল হক মনাকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে সে বিস্তারিত বর্ণনা দিলে অন্য তিনজনকেও গ্রেফতার করা হয়।


হত্যার কারণ ও নৃশংস কৌশল
পুলিশ জানায়, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শান্তকে প্রথমে ৭ নম্বর ব্রিজের কাছে ডেকে আনা হয়।
সেখান থেকে কৌশলে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে—
• রবিউল ইসলাম রানা নাইলনের রশি দিয়ে শান্তর গলা চেপে ধরে
• সামিদুল হক মনা ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে

হত্যার পর তারা অটোরিকশা নিয়ে ভাসানটেক চলে যায় এবং পরে হজরত আলির সহায়তায় রিকশাটি নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নয়ন মিয়ার কাছে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।


আইনগত ব্যবস্থা
এ ঘটনায় তুরাগ থানায় হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
গ্রেফতার হওয়া সকল আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে পুলিশ।


#tags: অপরাধ তদন্ত হত্যাকাণ্ড উত্তরা অটোরিকশা ছিনতাই ঢাকায় অপরাধ