০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
ইশান খট্টরের আবেগী স্বীকারোক্তি, অস্কারের মঞ্চে না পৌঁছালেও ‘হোমবাউন্ড’ চিরকাল হৃদয়ের কাছেই বিরল রোগে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ওষুধ: ব্রিটেনের সাহসী সিদ্ধান্তে খুলছে নতুন চিকিৎসার দিগন্ত জাপানে আগাম ভোটের বড় বাজি, তাকাইচির ক্ষমতা পরীক্ষার দিনক্ষণ সিরিয়ার কুর্দিদের পতন: উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় স্বায়ত্তশাসনের শেষ অধ্যায় কিশোরগঞ্জে গরুবাহী পিকআপ উল্টে নিহত ১, আহত অন্তত ১২ যশোরে বিয়ের বাস খাদে, আহত অন্তত ১২ জন গাজীপুরে শ্রমিক–পুলিশ সংঘর্ষ, অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ‘আমার প্রিয় ফিল্ড মার্শাল কেমন আছেন?’— দাভোসে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজকে জিজ্ঞেস করলেন ট্রাম্প আমাকে ক্ষেপালে আপনার হাফপ্যান্ট খুলে যাবে, কারণ আমরা শেখ হাসিনার হাফপ্যান্ট খুলে দিয়েছিলাম: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আইসিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ

ট্যাংকলরি মালিকদের ৪ ঘণ্টার ধর্মঘট খুলনায়; চলবে এক সপ্তাহ

খুলনা জেলা ট্যাংকলরি মালিক সমিতির উদ্যোগে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি সহ ছয় দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার চার ঘণ্টার ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। এই কর্মসূচি এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন একইভাবে চলবে বলে জানানো হয়েছে।

ধর্মঘটের সময়সূচি

ধর্মঘট শুরু হয় সকাল ৮টায় এবং শেষ হয় দুপুর ১২টায়।

সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি এবং ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মীর মোকসেদ আলী জানান, প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন চার ঘণ্টা করে ধর্মঘট চলবে।

দ্বিতীয় সপ্তাহে ধর্মঘটের সময় বাড়িয়ে দুপুর ২টা পর্যন্ত করা হবে।

ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘটে ট্যাংকলরি মালিকরা

দাবি আদায় না হলে ৫ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করা হবে।

জ্বালানি তোলায় স্থবিরতা

ধর্মঘট চলাকালীন খালিশপুরের কাশিপুর এলাকায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে জ্বালানি তোলা বন্ধ রাখা হয়।

ট্যাংকলরিগুলো ডিপো গেটের সামনে থামিয়ে রাখা হয়।

এ ছাড়া বিএল কলেজ রোড, বিআইডিসি রোড এবং কাশিপুর ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে লরিগুলো সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।
এর ফলে খুলনাসহ আশপাশের ১৬টি জেলায় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।

মূল দাবিগুলো

ট্যাংকলরি মালিক ও শ্রমিকদের ছয় দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

ট্যাংকলরি শ্রমিকদের ধর্মঘট, ১৬ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ

• পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি
• ভ্যাট আদায় সেবা গ্রহণকারী পক্ষের ওপর নিশ্চিত করে সরকারি গেজেট প্রকাশ
• সব ট্যাংকলরির জন্য আন্তজেলা রুট পারমিট প্রদান
• সড়কে চলার উপযোগী যানবাহনের ‘ফিটনেস’ অনুমোদন নিশ্চিত করা
• ট্যাংকলরির অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ৩৫ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি
• ১৯৯০ সাল পর্যন্ত নির্মিত বা নিবন্ধিত ট্যাংকলরিগুলোকে বৈধভাবে চলাচলের অনুমতি দেওয়া

এই ধর্মঘটের কারণে জ্বালানি সরবরাহে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা পরবর্তী দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইশান খট্টরের আবেগী স্বীকারোক্তি, অস্কারের মঞ্চে না পৌঁছালেও ‘হোমবাউন্ড’ চিরকাল হৃদয়ের কাছেই

ট্যাংকলরি মালিকদের ৪ ঘণ্টার ধর্মঘট খুলনায়; চলবে এক সপ্তাহ

০৭:৫২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

খুলনা জেলা ট্যাংকলরি মালিক সমিতির উদ্যোগে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি সহ ছয় দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার চার ঘণ্টার ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। এই কর্মসূচি এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন একইভাবে চলবে বলে জানানো হয়েছে।

ধর্মঘটের সময়সূচি

ধর্মঘট শুরু হয় সকাল ৮টায় এবং শেষ হয় দুপুর ১২টায়।

সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি এবং ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মীর মোকসেদ আলী জানান, প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন চার ঘণ্টা করে ধর্মঘট চলবে।

দ্বিতীয় সপ্তাহে ধর্মঘটের সময় বাড়িয়ে দুপুর ২টা পর্যন্ত করা হবে।

ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘটে ট্যাংকলরি মালিকরা

দাবি আদায় না হলে ৫ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করা হবে।

জ্বালানি তোলায় স্থবিরতা

ধর্মঘট চলাকালীন খালিশপুরের কাশিপুর এলাকায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে জ্বালানি তোলা বন্ধ রাখা হয়।

ট্যাংকলরিগুলো ডিপো গেটের সামনে থামিয়ে রাখা হয়।

এ ছাড়া বিএল কলেজ রোড, বিআইডিসি রোড এবং কাশিপুর ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে লরিগুলো সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।
এর ফলে খুলনাসহ আশপাশের ১৬টি জেলায় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।

মূল দাবিগুলো

ট্যাংকলরি মালিক ও শ্রমিকদের ছয় দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

ট্যাংকলরি শ্রমিকদের ধর্মঘট, ১৬ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ

• পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি
• ভ্যাট আদায় সেবা গ্রহণকারী পক্ষের ওপর নিশ্চিত করে সরকারি গেজেট প্রকাশ
• সব ট্যাংকলরির জন্য আন্তজেলা রুট পারমিট প্রদান
• সড়কে চলার উপযোগী যানবাহনের ‘ফিটনেস’ অনুমোদন নিশ্চিত করা
• ট্যাংকলরির অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ৩৫ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি
• ১৯৯০ সাল পর্যন্ত নির্মিত বা নিবন্ধিত ট্যাংকলরিগুলোকে বৈধভাবে চলাচলের অনুমতি দেওয়া

এই ধর্মঘটের কারণে জ্বালানি সরবরাহে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা পরবর্তী দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।