০৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার সামাজিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে: বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা গ্যান্ডারবাল কেন্দ্রীয় কাশ্মীরে সন্ত্রাসী নিহত, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে চিকিৎসক দম্পতিকে UAPA-তে মামলা “ভোটাধিকার চিরস্থায়ীভাবে বিলোপ করা যায় না” পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদপ্রাপ্তদের প্রসঙ্গে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট যুদ্ধের প্রভাবে এলপিজি ও বিমান ভ্রমণের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি শেনানডোহ তেলের ক্ষেত্রের জন্য বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দৌড়, মার্কিন উপসাগরীয় প্রযুক্তিগত তেলে বিপুল আগ্রহ তেলের দাম আকাশছোঁয়া, মার্কিন–ইরান সংঘাতের তীব্র প্রভাব বিশ্ববাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ল, শেয়ারবাজারে অস্থিরতার ছায়া নেমেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে: আসিফ মাহমুদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী-ছাত্রদের হেলমেট পরিধান, ছাদ ভেঙে পড়ার আতঙ্ক লক্ষ্মীপুরে স্কুলের ছাদ ধসে তিন শিক্ষার্থী আহত

পাবনায় বিএনপি অফিসে গুলিবর্ষণ ও ককটেল হামলা সারাক্ষণ রিপোর্ট

ঘটনার সারসংক্ষেপ

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় বিএনপির পার্টি অফিসে ২১ নভেম্বর দিবাগত রাতে ককটেল বিস্ফোরণ, গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলায় অফিসের বিভিন্ন জিনিসপত্র নষ্ট হলেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছবি অক্ষত থাকে—যা স্থানীয়ভাবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে।


হামলার বিবরণ

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে—

  • রাত ১টার দিকে ৪–৫টি মোটরসাইকেলে ১৫–২০ জন যুবক এসে হামলা চালায়।
  • প্রথমে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
  • এরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়।
  • হামলাকারীরা অফিসে ঢুকে চেয়ার, টেবিল, ফ্যান, টিভিসহ বেশ কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।
  • সবকিছুর মধ্যে খালেদা জিয়ার ছবি অক্ষত থাকায় নতুন প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং নাকি বাহিরের হামলা?

স্থানীয় বিএনপির একটি বড় অংশ দাবি করেছে—

  • এটি দলের ভেতরের গ্রুপিংয়ের ফল
  • তাদের যুক্তি, বাহিরের কেউ হলে খালেদা জিয়ার ছবি নষ্ট করাই প্রথম লক্ষ্য হতো।
  • তাই হামলাটি বিএনপির দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব থেকেই ঘটেছে বলে তারা মনে করেন।

বিএনপির মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব

ফরিদপুর উপজেলা বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে দুটি গ্রুপের মধ্যে টানাপোড়েন রয়েছে—

  • জহুরুল ইসলাম বকুল–আব্দুল হাকিম গ্রুপ
  • জিয়াউর রহমান জিয়া গ্রুপ

কমিটি গঠন, সভা-সমাবেশ, কর্মসূচি পালন—সবকিছু নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়দের ধারণা, এই হামলা সেই চলমান দ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ।


বকুলের দাবি: এটি বাহিরের হামলা

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অভিযোগ অস্বীকার করে জহুরুল ইসলাম বকুল বলেন—

  • এটি পলাতক হাসিনার সমর্থক ও সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলা
  • তারা গুলি ছুড়েছে, ককটেল ফাটিয়েছে এবং অফিস ভাঙচুর করেছে।
  • খালেদা জিয়ার ছবি অক্ষত থাকা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন এবং বলেন—
    “এটা ভেতরের ব্যাপার নয়, এটা বাইরের লোকের কাজ।”

পুলিশের বক্তব্য

ফরিদপুর থানার ওসি সাকিউল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান—

  • ককটেল বিস্ফোরণ নিশ্চিত
  • গুলিবর্ষণের বিষয়টি এখনও যাচাই চলছে।
  • সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
  • এখনো কোনো মামলা হয়নি।
  • তদন্ত শেষে হামলাটি অভ্যন্তরীণ নাকি বহিরাগতদের কাজ, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

#tags: #পাবনা #বিএনপি #রাজনীতি #ককটেলহামলা #গুলিবর্ষণ #দলীয়দ্বন্দ্ব

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার সামাজিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে: বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা

পাবনায় বিএনপি অফিসে গুলিবর্ষণ ও ককটেল হামলা সারাক্ষণ রিপোর্ট

১১:০০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

ঘটনার সারসংক্ষেপ

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় বিএনপির পার্টি অফিসে ২১ নভেম্বর দিবাগত রাতে ককটেল বিস্ফোরণ, গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলায় অফিসের বিভিন্ন জিনিসপত্র নষ্ট হলেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছবি অক্ষত থাকে—যা স্থানীয়ভাবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে।


হামলার বিবরণ

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে—

  • রাত ১টার দিকে ৪–৫টি মোটরসাইকেলে ১৫–২০ জন যুবক এসে হামলা চালায়।
  • প্রথমে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
  • এরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়।
  • হামলাকারীরা অফিসে ঢুকে চেয়ার, টেবিল, ফ্যান, টিভিসহ বেশ কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।
  • সবকিছুর মধ্যে খালেদা জিয়ার ছবি অক্ষত থাকায় নতুন প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং নাকি বাহিরের হামলা?

স্থানীয় বিএনপির একটি বড় অংশ দাবি করেছে—

  • এটি দলের ভেতরের গ্রুপিংয়ের ফল
  • তাদের যুক্তি, বাহিরের কেউ হলে খালেদা জিয়ার ছবি নষ্ট করাই প্রথম লক্ষ্য হতো।
  • তাই হামলাটি বিএনপির দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব থেকেই ঘটেছে বলে তারা মনে করেন।

বিএনপির মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব

ফরিদপুর উপজেলা বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে দুটি গ্রুপের মধ্যে টানাপোড়েন রয়েছে—

  • জহুরুল ইসলাম বকুল–আব্দুল হাকিম গ্রুপ
  • জিয়াউর রহমান জিয়া গ্রুপ

কমিটি গঠন, সভা-সমাবেশ, কর্মসূচি পালন—সবকিছু নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়দের ধারণা, এই হামলা সেই চলমান দ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ।


বকুলের দাবি: এটি বাহিরের হামলা

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অভিযোগ অস্বীকার করে জহুরুল ইসলাম বকুল বলেন—

  • এটি পলাতক হাসিনার সমর্থক ও সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলা
  • তারা গুলি ছুড়েছে, ককটেল ফাটিয়েছে এবং অফিস ভাঙচুর করেছে।
  • খালেদা জিয়ার ছবি অক্ষত থাকা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন এবং বলেন—
    “এটা ভেতরের ব্যাপার নয়, এটা বাইরের লোকের কাজ।”

পুলিশের বক্তব্য

ফরিদপুর থানার ওসি সাকিউল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান—

  • ককটেল বিস্ফোরণ নিশ্চিত
  • গুলিবর্ষণের বিষয়টি এখনও যাচাই চলছে।
  • সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
  • এখনো কোনো মামলা হয়নি।
  • তদন্ত শেষে হামলাটি অভ্যন্তরীণ নাকি বহিরাগতদের কাজ, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

#tags: #পাবনা #বিএনপি #রাজনীতি #ককটেলহামলা #গুলিবর্ষণ #দলীয়দ্বন্দ্ব