০৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
অস্তিত্বের কিনারায় কুতুবদিয়া: উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির বাইরে পড়ে থাকা এক দ্বীপের দীর্ঘ সংকট অলিভিয়া রদ্রিগোর ‘লাভার গার্ল’ লুকে নতুন ভ্যাম্পি মোড়, নিউইয়র্কে নজরকাড়া উপস্থিতি ইরানকে লক্ষ্য করে প্রথমবার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র মিডি স্কার্টে বসন্তের ঝড়, ২০২৬ ফ্যাশনে নতুন সংজ্ঞা দিল মাঝারি দৈর্ঘ্য একযোগে বদলি: অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপি পদে ১২ পুলিশ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব হাওরের পানিতে ডুবছে বর্গাচাষীর স্বপ্ন: ঋণ, চুক্তি আর জীবিকার ত্রিমুখী সংকট বন্যা ও ডিজেল সংকটে বোরো ধানে বড় ধাক্কা, ঝুঁকিতে লাখো মানুষ ফরিদপুরে নিখোঁজের ছয় দিন পর আইরিন আক্তার কবিতা নামে সাত বছর বয়সী এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ‘জঙ্গি তৎপরতা’ হঠাৎ কেন আলোচনায়? পাকিস্তানের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে আফগান গোলাবর্ষণে ৫ জন আহত, তাদের মধ্যে শিশু ও নারীও রয়েছে

গাজীপুরে কারখানার দূষিত পানি পানে অসুস্থ তিন শতাধিক শ্রমিক

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় দূষিত পানি পান করে তিন শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছে। হঠাৎ এত মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঙ্গলবার কারখানা একদিনের ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

ঘটনা প্রথম প্রকাশ পায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। শ্রমিকদের দাবি, সোমবার থেকেই অনেকে অসুস্থ হতে শুরু করলেও কর্তৃপক্ষ প্রথমদিকে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। মঙ্গলবার সকালে আরও বেশি শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়।

শ্রমিক ও স্থানীয়রা জানায়, কারখানার পানি পান করার পরই শ্রমিকদের মধ্যে ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা, বমি ভাব ও তীব্র পেট ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। অসুস্থদের মধ্যে অন্তত ৫০ জনকে দ্রুত মহাখালী আইসিডিডিআরবিতে ভর্তি করা হয়। বাকিদের সফিপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সফিপুর তানহা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাহিদ ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আসা সব শ্রমিকই খাদ্য বা পানিবাহিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। বেশিরভাগের ডায়রিয়া হয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের আইসিডিডিআরবিতে পাঠানো হয়েছে।

কারখানার শ্রমিক নাসিম ইকবাল ও শিমু আক্তার জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই শ্রমিকরা অসুস্থ হচ্ছিলেন। মাথা ব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ ছুটি দেয়নি। মঙ্গলবার সকালে কাজে ঢোকার পর আরও অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর বাধ্য হয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিক রহিমা আক্তার জানান, কারখানার পানি পান করার পরই তীব্র পেট ব্যথা শুরু হয়। এরপর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন তিনি।

হঠাৎ এত শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, দূষিত পানি থেকেই এই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে নিশ্চিত হতে পানির নমুনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানার ডেপুটি ম্যানেজার মমিনুল ইসলাম জানান, শ্রমিকরা অসুস্থ হওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ সব চিকিৎসা ব্যয় বহন করছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করছে।

অস্তিত্বের কিনারায় কুতুবদিয়া: উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির বাইরে পড়ে থাকা এক দ্বীপের দীর্ঘ সংকট

গাজীপুরে কারখানার দূষিত পানি পানে অসুস্থ তিন শতাধিক শ্রমিক

১২:৪১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় দূষিত পানি পান করে তিন শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছে। হঠাৎ এত মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঙ্গলবার কারখানা একদিনের ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

ঘটনা প্রথম প্রকাশ পায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। শ্রমিকদের দাবি, সোমবার থেকেই অনেকে অসুস্থ হতে শুরু করলেও কর্তৃপক্ষ প্রথমদিকে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। মঙ্গলবার সকালে আরও বেশি শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়।

শ্রমিক ও স্থানীয়রা জানায়, কারখানার পানি পান করার পরই শ্রমিকদের মধ্যে ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা, বমি ভাব ও তীব্র পেট ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। অসুস্থদের মধ্যে অন্তত ৫০ জনকে দ্রুত মহাখালী আইসিডিডিআরবিতে ভর্তি করা হয়। বাকিদের সফিপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সফিপুর তানহা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাহিদ ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আসা সব শ্রমিকই খাদ্য বা পানিবাহিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। বেশিরভাগের ডায়রিয়া হয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের আইসিডিডিআরবিতে পাঠানো হয়েছে।

কারখানার শ্রমিক নাসিম ইকবাল ও শিমু আক্তার জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই শ্রমিকরা অসুস্থ হচ্ছিলেন। মাথা ব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ ছুটি দেয়নি। মঙ্গলবার সকালে কাজে ঢোকার পর আরও অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর বাধ্য হয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিক রহিমা আক্তার জানান, কারখানার পানি পান করার পরই তীব্র পেট ব্যথা শুরু হয়। এরপর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন তিনি।

হঠাৎ এত শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, দূষিত পানি থেকেই এই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে নিশ্চিত হতে পানির নমুনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানার ডেপুটি ম্যানেজার মমিনুল ইসলাম জানান, শ্রমিকরা অসুস্থ হওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ সব চিকিৎসা ব্যয় বহন করছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করছে।